ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

দিনে কতটুকু পানি পান করা প্রয়োজন 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সারাদিন বোতল হাতে ঘুরছেন, বারবার পানি খাচ্ছেন— তবু কি বুঝতে পারছেন না শরীরের আসলে কতটা পানি দরকার? অনেকেই মনে করেন, বেশি পানি মানেই বেশি সুস্থতা। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত পানি পান করাও শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

বছরের পর বছর ধরে প্রতিদিন আট গ্লাস পানি খাওয়ার যে ধারণা ছড়িয়ে আছে, তার পেছনে শক্ত বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। গবেষকদের মতে, সবার শরীর এক রকম নয়। তাই সবার পানির চাহিদাও এক হতে পারে না। বয়স, আবহাওয়া, কাজের ধরন, শরীরের গঠন ও শারীরিক পরিশ্রমের ওপর নির্ভর করে পানি পানের পরিমাণ বদলে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণভাবে একজন মানুষের দিনে দেড় লিটার থেকে এক লিটার আটশ মিলিলিটার পানি খেলেই যথেষ্ট। অর্থাৎ ছয় থেকে সাত গ্লাস পানি অনেকের জন্যই যথেষ্ট হতে পারে। তবে গরম আবহাওয়া, বেশি ঘাম, ব্যায়াম, গর্ভাবস্থা বা বুকের দুধ খাওয়ানো নারীদের ক্ষেত্রে পানির প্রয়োজন বাড়ে।

আরও পড়ুন

চিকিৎসকরা বলছেন, শরীর নিজেই জানিয়ে দেয় কখন পানি দরকার। তৃষ্ণা লাগা আসলে শরীরের সংকেত। তাই জোর করে অতিরিক্ত পানি খাওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং বেশি পানি খেলে রক্তে সোডিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। এতে মাথা ঘোরা, বমি, এমনকি গুরুতর অসুস্থতাও দেখা দিতে পারে।

পানিশূন্যতার লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে গাঢ় হলুদ প্রস্রাব, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, মাথা ঘোরা, ক্লান্তি ও বারবার তৃষ্ণা পাওয়া। এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত পানি পান করা জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, শুধু পানি নয়— ফল, শাকসবজি, ডাবের পানি, দুধ কিংবা অন্যান্য পানীয় থেকেও শরীর পানি পায়। তাই সারাদিন শুধু পানি গিললেই সুস্থ থাকা যায়— এমন ধারণা ঠিক নয়।

তাদের পরামর্শ, শরীরের চাহিদা বুঝে পানি পান করুন। কারণ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি পানি খেলে লাভের চেয়ে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি।

সূত্র: বিবিসি


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ ক্যান্ডি দিবস
ক্যান্ডি মানেই মিষ্টি স্বাদ আর শৈশবের রঙিন স্মৃতি।
আজ ক্যান্ডি দিবস
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী