কাজের চাপে অনেক সময় শরীর ও মস্তিষ্ক দুটোই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। দুপুর গড়াতেই চোখে ঘুম নেমে আসে, কমে যায় মনোযোগ ও কাজের গতি। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই একের পর এক কাপ কফির ওপর ভরসা রাখেন। কিন্তু কফি খেলেও সব সময় মনোযোগ ফিরে আসে না।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু কফি নয়, মস্তিষ্ককে কিছু সময়ের জন্য বিশ্রাম দেওয়া জরুরি। না হলে ক্লান্তি কাটে না, বরং আরও বাড়তে পারে মানসিক চাপ।
কাজের চাপেই বাড়ছে ক্লান্তি
দীর্ঘ সময় কাজ, নির্দিষ্ট সময়সীমার চাপ, লক্ষ্য পূরণের দুশ্চিন্তা আর মানসিক উদ্বেগ—সব মিলিয়ে শরীর ও মস্তিষ্ক ক্রমেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। অনেকের ক্ষেত্রে কাজ শুরু ও শেষের সময় নির্দিষ্ট না থাকায় এই চাপ আরও বাড়ে।
কফি নয়, দরকার মস্তিষ্ক রিসেট
চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত কফি সাময়িকভাবে জাগিয়ে তুললেও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়। বরং মস্তিষ্ককে রিসেট করতে ছোট বিরতি নেওয়া জরুরি।
চিকিৎসকরা বলেন, খুব সহজ একটি পদ্ধতিতে মস্তিষ্ক কিছুটা শান্ত করা যায়। প্রায় ৩০ সেকেন্ড সিলিংয়ের দিকে তাকিয়ে থাকলে মস্তিষ্কের চাপ কমে আসে এবং হৃৎস্পন্দন স্বাভাবিক হয়। এতে মনোযোগও দ্রুত ফিরে আসে।
কীভাবে কাজ করে এই কৌশল
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময়ে মস্তিষ্কের একটি অংশ শান্ত হয়ে যায়, ফলে শরীরের উত্তেজনা কমে আসে। এতে মন কিছুটা স্থির হয় এবং কাজের প্রতি মনোযোগ ফিরতে সাহায্য করে।
মনোযোগ ধরে রাখতে যা জরুরি
শুধু এই কৌশল নয়, দীর্ঘ সময় একটানা কাজ না করে মাঝেমধ্যে বিরতি নেওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করাও মনোযোগ ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
কফির ওপর নির্ভর না করে ছোট ছোট বিরতি ও সহজ কৌশলই হতে পারে কাজের গতি বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
আরটিভি/জেএমএ



