ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস আজ 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ জুন ২০২৬, ১০:২৩ এএম
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত না হলে বড় ঝুঁকি, বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস ২০২৬ । ছবি: সংগৃহীত

“বোঝা থেকে সমাধান: সর্বত্র নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস ২০২৬ আজ রোববার ৭ জুন সারা বিশ্বে উদযাপিত হচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশও নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, অনিরাপদ খাদ্য এখনো বিশ্বব্যাপী একটি বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি। এতে মানুষ অসুস্থ হচ্ছে, জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং অর্থনীতিও দুর্বল হয়ে পড়ছে। তবে সংস্থাটির মতে, এই সমস্যার বড় অংশই প্রতিরোধযোগ্য।

বৈজ্ঞানিক সমাধানই মূল লক্ষ্য

এবারের বিশ্বব্যাপী বার্তায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জোর দিচ্ছে তথ্যভিত্তিক ও বিজ্ঞাননির্ভর সমাধানের ওপর। খাদ্যজনিত রোগ, মৃত্যুহার এবং আর্থিক ক্ষতির তথ্য বিশ্লেষণ করে কার্যকর ও কম খরচে সমাধান বের করাই মূল উদ্দেশ্য।

সংস্থাটি বলছে, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে শুধু সতর্কতা নয়, প্রয়োজন শক্ত নীতিমালা, বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ এবং বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশে দিবসের কর্মসূচি

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি ঘিরে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে আলোচনা সভা, প্রচার কার্যক্রম ও বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য ইস্যু। অনিরাপদ খাদ্য গ্রহণের কারণে উচ্চ রক্তচাপ, বিপাকজনিত সমস্যা এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন।

চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবতা

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে খাদ্য পরিবহনে স্বাস্থ্যবিধির ঘাটতি, সাধারণ মানুষের অজ্ঞতা এবং ক্ষুদ্র উৎপাদক পর্যায়ে অবকাঠামোগত দুর্বলতা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

তারা বলছেন, খাদ্য নিরাপত্তা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়—এটি উৎপাদক, বিক্রেতা এবং ভোক্তা সবার যৌথ দায়িত্ব।

তাই বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস ২০২৬ আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে—নিরাপদ খাদ্য কোনো বিলাসিতা নয়, বরং সুস্থ জীবন ও টেকসই ভবিষ্যতের মৌলিক শর্ত।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে