ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

শিশুকে নিজে খেতে শেখাবেন কীভাবে? সহজ টিপস

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম
দুই বছর পেরোলেই শিশুকে নিজে খেতে শেখাবেন যেভাবে । ছবি: সংগৃহীত

দুই বছর বয়স পেরোলেই শিশুকে নিজে হাতে খেতে শেখানো জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই বয়সে যদি শিশু নিজে খেতে শেখে, তাহলে শুধু খাবারের স্বাদ নয়, খাবারের গঠন ও বৈচিত্র্য সম্পর্কেও তার ধারণা তৈরি হয়।

অনেক পরিবারেই দেখা যায়, শিশুর বয়স বাড়লেও তাকে খাইয়ে দেওয়া হয়। ফলে স্কুলে গিয়ে সে নিজে টিফিন খেতে পারে না এবং ক্ষুধা লাগলে নিজে খেতে হয়—এই ধারণাও গড়ে ওঠে না।

কেন দুই বছর বয়স জরুরী

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেড় থেকে দুই বছর বয়স থেকেই শিশুকে ধীরে ধীরে নিজে খাওয়ার অভ্যাস করানো উচিত। এই সময়ে শিশুরা ধীরে ধীরে শক্ত খাবার খেতে শেখে এবং নিজে খাওয়ার মাধ্যমে খাবারের প্রতি আগ্রহও বাড়ে।

নিজে খেলে শিশু বুঝতে পারে কোন খাবার তার পছন্দ, কোনটি নয়। এতে তার খাবার সম্পর্কে স্বাভাবিক ধারণা তৈরি হয়।

কীভাবে অভ্যাস গড়ে তুলবেন

১. ধীরে শুরু করুন

দেড় বছর বয়স থেকেই দিনে অন্তত একবার শিশুকে নিজে খেতে দিন। শুরুতে অল্প খাবার দিন এবং জোর করবেন না। শিশু যদি হাতে খাবার মেখে ফেলে বা খেলাধুলা করে, সেটাও শেখার অংশ।

আরও পড়ুন

২. সহজ খাবার দিন

প্রথম দিকে আলুভাজা, ছোট ছোট ফলের টুকরো, ছোট করে কাটা রুটি বা পাউরুটি দেওয়া ভালো। রঙিন ও আকর্ষণীয় প্লেট শিশুর আগ্রহ বাড়ায়।

৩. একসঙ্গে খাওয়ার অভ্যাস

পরিবারের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করান। অন্যদের নিজে খেতে দেখে শিশু অনুপ্রাণিত হয় এবং খাওয়ার প্রতি আগ্রহ বাড়ে।

৪. ধৈর্য ধরুন

শিশুকে তাড়া দেওয়া ঠিক নয়। সে নিজের মতো সময় নিয়ে খেতে শিখবে। প্রথম দিকে ভুল করা স্বাভাবিক, তাই চাপ না দিয়ে ধীরে শেখাতে হবে।

৫. রান্নার কাজে যুক্ত করুন

শিশুকে রান্নার ছোট কাজে যুক্ত করলে তার আগ্রহ বাড়ে। যেমন সবজি ধোয়া, ছোট কাজগুলোতে সাহায্য করা ইত্যাদি। এতে খাবারের প্রতি তার সম্পৃক্ততা তৈরি হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিজে খাওয়ার অভ্যাস শুধু খাবারের স্বাধীনতা তৈরি করে না, বরং শিশুর আত্মনির্ভরশীলতা ও আগ্রহও বাড়ায়। ধৈর্য ও নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমেই এই অভ্যাস গড়ে তোলা সম্ভব।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
শিশু সহিংসতা রোধে কঠোর ট্রাইব্যুনাল: ৯ মাসে ২ মৃত্যুদণ্ড, ৪ যাবজ্জীবন
উদ্বেগজনক নারী ও কন্যাশিশুর নিরাপত্তা, শুধু অক্টোবরেই ধর্ষণের শিকার ৫১
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় জড়িতের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু
মাঝনদীতে জন্ম নিলো ফুটফুটে কন্যাশিশু