পড়াশোনার খরচ চালানো, পরিবারকে সহায়তা করা কিংবা চাকরির বাজারে আগে থেকেই দক্ষতা গড়ে তোলার লক্ষ্য—এসব কারণে এখন অনেক শিক্ষার্থী খণ্ডকালীন বা পার্ট-টাইম কাজের দিকে ঝুঁকছেন।
প্রচলিত টিউশনের বাইরে গিয়ে ২০২৬ সালের ডিজিটাল ও করপোরেট বাস্তবতায় শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন দক্ষতাভিত্তিক কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব কাজের পাশাপাশি পড়াশোনার সময়সূচির ভারসাম্য রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
কনটেন্ট লেখা ও বিজ্ঞাপন লেখা
বাংলা ও ইংরেজি লেখার দক্ষতা থাকলে অনলাইন পোর্টাল, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ও স্টার্টআপে কাজের সুযোগ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট, ব্লগ বা পণ্যের বিবরণ লেখার মাধ্যমে মাসে প্রায় ৮ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনা
ছোট ব্যবসা থেকে বড় ব্র্যান্ড—সবাই এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবস্থাপনায় সহায়তা চায়। পোস্ট দেওয়া, সময়সূচি ঠিক করা এবং গ্রাহকের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মতো কাজ করে মাসে ৬ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করা যায়।
গ্রাহক সহায়তা কাজ
টেলিকম, রাইড শেয়ারিং, খাবার ডেলিভারি ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে পার্টটাইম গ্রাহক সহায়তা কর্মী হিসেবে কাজের সুযোগ রয়েছে। ফোন বা অনলাইন মাধ্যমে গ্রাহকের সমস্যা সমাধান করতে হয়। এতে মাসে ১০ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা আয় সম্ভব।
ইভেন্টে স্বল্পমেয়াদি কাজ
বাণিজ্য মেলা, বইমেলা, সেমিনার বা কনসার্টে অল্প সময়ের জন্য জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়। এসব কাজে প্রতিদিন ১ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক পাওয়া যায়।
গ্রাফিক্স ও ভিডিও সম্পাদনা
ডিজিটাল কনটেন্টের চাহিদা বাড়ায় গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ভিডিও সম্পাদনার কাজেও শিক্ষার্থীদের সুযোগ তৈরি হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট তৈরি থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রজেক্টভিত্তিক কাজ করে মাসে ১০ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা বা তার বেশি আয় করা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব পার্টটাইম কাজ শুধু আয়ই নয়, বরং বাস্তব কর্মজীবনের অভিজ্ঞতাও তৈরি করে। এতে সময় ব্যবস্থাপনা, পেশাদার দক্ষতা এবং করপোরেট পরিবেশ সম্পর্কে আগেভাগেই ধারণা পাওয়া যায়।
অনলাইনে বিভিন্ন চাকরি প্ল্যাটফর্ম ও ক্যারিয়ার গ্রুপের মাধ্যমে এসব কাজের সুযোগ খোঁজা যেতে পারে।
আরটিভি/জেএমএ



