আম খাওয়ার পর সাধারণত খোসা ফেলে দেওয়া হয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এই খোসাও নানা উপকারে ব্যবহার করা যেতে পারে। আমের খোসায় লেপটিন নামের উপাদান রয়েছে, যা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এতে থাকা পলিফেনল ও ফ্ল্যাভনয়েড শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে। পাশাপাশি রয়েছে বিটা-ক্যারোটিনসহ নানা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। তবে কাঁচা অবস্থায় বা না ধুয়ে খোসা খাওয়া নিরাপদ নয়, কারণ এতে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ থাকতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভালোভাবে ধুয়ে এবং প্রক্রিয়াজাত করে আমের খোসা ব্যবহার করা যায় বিভিন্নভাবে।
আমের খোসা দিয়ে চা
শুকনো আমের খোসা চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে ফুটিয়ে খাওয়া যায়। এতে স্বাদ বাড়াতে মধু ও লেবুর রস যোগ করা যেতে পারে। এটি একটি ভেষজ পানীয় হিসেবেও ব্যবহার হচ্ছে।
আমের খোসার আচার
আমের খোসা দিয়ে আচার বানানো যায়। এতে নুন, চিনি, মশলা ও তেল বা ভিনেগার ব্যবহার করে রোদে রেখে সংরক্ষণ করা হয়। এটি দীর্ঘদিন খাওয়া যায়।
আমের খোসার চাটনি
কাঁচা আমের সঙ্গে খোসা কেটে ফুটিয়ে চাটনি বানানো যায়। এতে কালো জিরা ও অন্যান্য মশলা যোগ করলে স্বাদ আরও বাড়ে। এটি ভাতের সঙ্গে খেতে খুবই জনপ্রিয় হতে পারে।
আমের খোসার জ্যাম
পাকা আমের খোসা চিনি ও জল দিয়ে ফুটিয়ে জ্যাম তৈরি করা যায়। এতে এলাচ বা দারুচিনির গুঁড়ো দিলে স্বাদ ও গন্ধ আরও ভালো হয়। এটি টোস্ট বা কেকের সঙ্গে খাওয়া যায়।
আমের খোসার গুঁড়ো
খোসা শুকিয়ে গুঁড়ো করে সংরক্ষণ করা যায়। এটি রান্নার বিভিন্ন পদে, মেরিনেশন বা স্ন্যাকসের ওপর ছড়িয়ে ব্যবহার করা যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রান্নাঘরের অনেক উপকরণের মতো আমের খোসাও সঠিকভাবে ব্যবহার করলে এটি পুষ্টিগুণ ও স্বাদের নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।
আরটিভি/জেএমএ



