ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক অলিম্পিক দিবস আজ

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ জুন ২০২৬, ০৮:৫০ এএম
আন্তর্জাতিক অলিম্পিক দিবস আজ । ছবি: সংগৃহীত

আজ ২৩ জুন আন্তর্জাতিক অলিম্পিক দিবস। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিনটি পালিত হচ্ছে। ক্রীড়া, সুস্থ জীবনযাপন, বন্ধুত্ব ও বিশ্বসম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে প্রতি বছর এ দিনটি উদযাপন করা হয়।

২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য কী?

আন্তর্জাতিক অলিম্পিক দিবস ২০২৬-এর বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘খেলাধুলা: সেতুবন্ধন গড়ে তুলি, বাধা ভেঙে দিই’। এই প্রতিপাদ্যের মূল লক্ষ্য হলো খেলাধুলার মাধ্যমে মানুষে মানুষে দূরত্ব কমানো, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিভেদ দূর করা এবং সবাইকে এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা।

এছাড়া আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির চলমান বৈশ্বিক উদ্যোগ ‘চলুন নড়াচড়া করি’-এর আওতায় ২০২৬ সালে বিশেষভাবে তরুণদের খেলাধুলা ও শারীরিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এবারের বার্তা হলো—‘আপনিও পারবেন’।

বাংলাদেশ অলিম্পিক সংস্থাও সাধারণত বিশ্ব প্রতিপাদ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দিবসটি পালন করে থাকে। বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজন, শোভাযাত্রা, দৌড় প্রতিযোগিতা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

কেন পালিত হয় আন্তর্জাতিক অলিম্পিক দিবস?

আধুনিক অলিম্পিক আন্দোলনের জন্মকে স্মরণ করতেই আন্তর্জাতিক অলিম্পিক দিবস পালন করা হয়। ১৮৯৪ সালের ২৩ জুন ফ্রান্সের প্যারিসে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখতে ১৯৪৮ সালে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক দিবস চালু করা হয়।

এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো—

১. খেলাধুলার প্রতি মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধি করা
২. সুস্থ ও সক্রিয় জীবনযাপনে উৎসাহ দেওয়া
৩. অলিম্পিকের মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়া
৪. জাতি, ধর্ম ও সংস্কৃতির ভেদাভেদ ভুলে বিশ্বসম্প্রীতি গড়ে তোলা

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক অলিম্পিক দিবসের ইতিহাস

অলিম্পিকের ইতিহাস শুরু হয়েছিল প্রাচীন গ্রিসে। তবে আধুনিক অলিম্পিকের ধারণা বাস্তব রূপ দেন ফরাসি শিক্ষাবিদ পিয়ের দ্য কুবেরতাঁ। তাঁর উদ্যোগে ১৮৯৪ সালের ২৩ জুন আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ১৮৯৬ সালে গ্রিসের এথেন্সে অনুষ্ঠিত হয় প্রথম আধুনিক অলিম্পিক গেমস।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বে শান্তি, বন্ধুত্ব ও ক্রীড়াচেতনা ছড়িয়ে দিতে ১৯৪৮ সালে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক দিবস উদযাপন শুরু হয়। প্রথমদিকে মাত্র কয়েকটি দেশে দিবসটি পালিত হলেও বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই নানা আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপিত হয়।

অলিম্পিকের মূল মূল্যবোধ

অলিম্পিক আন্দোলনের তিনটি প্রধান মূল্যবোধ হলো—

১. উৎকর্ষ সাধন
২. বন্ধুত্ব
৩. সম্মান

এই মূল্যবোধগুলো শুধু খেলাধুলার মাঠেই নয়, ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনেও অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়।

বাংলাদেশে দিবসটির গুরুত্ব

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক দিবস উপলক্ষে প্রতিবছর ক্রীড়াবিদ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করা এবং মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে দিবসটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে শারীরিক কার্যক্রম কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক অলিম্পিক দিবস মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

খেলাধুলাই পারে বিশ্বকে এক করতে

ভাষা, জাতি, ধর্ম কিংবা ভৌগোলিক সীমারেখা অতিক্রম করে মানুষকে এক কাতারে দাঁড় করানোর শক্তি রয়েছে খেলাধুলার। সেই বার্তাই বহন করে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক দিবস। তাই শুধু ক্রীড়াবিদ নয়, সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে প্রত্যেক মানুষের জন্যই দিনটির গুরুত্ব বিশেষ।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
যে কারণে ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে তদন্ত করবে না অলিম্পিক কমিটি
অলিম্পিকে লিঙ্গ পরীক্ষার প্রতিবাদে সোচ্চার সেমেনিয়া
অলিম্পিকের টিকিট বিক্রির তারিখ ঘোষণা
বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর ২০২৮ অলিম্পিকে অস্ট্রেলিয়ার খেলা নিয়ে শঙ্কা