ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

শিশুর জেদ সামলাতে অভিভাবকরা যা করতে পারেন

আরটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম
প্রতীকী ছবি

দুই বছর বয়স পার হওয়ার পর অনেক শিশুর মধ্যেই হঠাৎ জেদ বা একগুঁয়েমি দেখা দেয়। বিশেষ করে ২ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের সামলানো বাবা-মায়ের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়ে।

অনেক সময় সন্তানের এই আচরণের পেছনে অভিভাবকদের অসচেতনতাও দায়ী থাকে।

সঠিক সময়ে এই অভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করা না হলে ভবিষ্যতে শিশু বড় ধরনের আচরণগত সমস্যায় পড়তে পারে। তাই শিশুর জেদ ও রাগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষজ্ঞদের কিছু কার্যকরী পরামর্শ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

সন্তান যখন কোনো বিষয়ে অতিরিক্ত জেদ করে, তখন তাকে তাৎক্ষণিকভাবে অন্য কোনো আকর্ষণীয় বা উত্তেজনাপূর্ণ কাজে ব্যস্ত রাখা বুদ্ধিমত্তার পরিচয়। এতে তার মনোযোগ বিক্ষিপ্ত হয় এবং জেদের তীব্রতা কমে আসে।

তবে শুধু মনোযোগ সরানোই যথেষ্ট নয়, শিশু কী বলতে চায় তা অত্যন্ত ধৈর্য ও মনোযোগ দিয়ে শোনা জরুরি। শিশুর মনস্তত্ত্ব বোঝার চেষ্টা করতে হবে এবং তাকে বুঝিয়ে বলতে হবে যে একগুঁয়েমি কোনো ভালো গুণ নয়।

মনে রাখতে হবে, শিশুর জেদ একদিনে দূর হয় না, এর জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টার প্রয়োজন।

আধুনিক জীবনে বাবা-মায়ের ব্যস্ততা শিশুদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সন্তানকে পর্যাপ্ত সময় না দিলে তাদের মধ্যে একাকীত্ব এবং আচরণগত সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। বিশেষ করে যেসব শিশু দীর্ঘক্ষণ গৃহকর্মী বা একা থাকে, তাদের মধ্যে জেদি হওয়ার প্রবণতা বেশি।

আরও পড়ুন

তাই কর্মব্যস্ততার মাঝেও বাড়িতে ফেরার পর শিশুকে গুণগত সময় দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। পাশাপাশি শিশুদের সামনে ঘরের পরিবেশ শান্ত রাখা বাঞ্ছনীয়। শিশুরা অনুকরণের মাধ্যমে শেখে, তাই তাদের সামনে চিৎকার বা উচ্চস্বরে কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে।

বর্তমান সময়ে অনেক পরিবারে একটি মাত্র সন্তান হওয়ায় বাবা-মায়েরা তাদের সব আবদার পূরণ করেন। এই প্রবণতা শিশুকে আরও বেশি জেদি করে তোলে। সব চাওয়া পূরণ না হলে তারা খিটখিটে ও রাগী হয়ে ওঠে।

তাই শিশুর প্রতিটি অনুরোধ পূরণ না করে বরং তাকে অর্থের গুরুত্ব এবং নৈতিক মূল্যবোধ সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া জরুরি। শিশুর সব কাজে ‘না’ না বলে ইতিবাচক উপায়ে তাকে সঠিক ও ভুলের পার্থক্য বোঝাতে পারলে তার আচরণের পরিবর্তন আনা সম্ভব।

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
আজ চকলেট দিবস
শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—চকলেট পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।
আজ চকলেট দিবস
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
বছরের পর বছর ধরে অনেকেই লক্ষ্য করেন যে তাদের ঠোঁট কালো হয়ে যাচ্ছে। ধূমপায়ীরা একথা শুনে থাকেন যে এর জন্য সিগারেটই দায়ী। 
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
আজ কালো বিড়াল দিবস 
কালো বিড়াল রাস্তা পার হলে দুর্ভাগ্য আসে—এমন ধারণা প্রচলিত রয়েছে বিভিন্ন সংস্কৃতিতে।
আজ কালো বিড়াল দিবস 
আরও পড়ুন
শিশু সহিংসতা রোধে কঠোর ট্রাইব্যুনাল: ৯ মাসে ২ মৃত্যুদণ্ড, ৪ যাবজ্জীবন
উদ্বেগজনক নারী ও কন্যাশিশুর নিরাপত্তা, শুধু অক্টোবরেই ধর্ষণের শিকার ৫১
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় জড়িতের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু
মাঝনদীতে জন্ম নিলো ফুটফুটে কন্যাশিশু