ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

ফ্রিজে ঠান্ডা নাকি গরম খাবার রাখবেন?

আরটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৫৮ পিএম
সংগৃহীত ছবি

রান্না করা গরম খাবার ফ্রিজে রাখা নিয়ে আমাদের অনেকের মনেই একধরনের দ্বিধা কাজ করে। অনেকে মনে করেন, খাবার গরম অবস্থায় ফ্রিজে রাখলে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে কিংবা ফ্রিজের ক্ষতি হতে পারে।

কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান এবং পুষ্টিবিদেরা বলছেন একদম উল্টো কথা। স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এবং খাবারের মান ধরে রাখতে পুরোনো ধারণা বদলে ফেলা জরুরি।

মূলত ঘরের তাপমাত্রায় খাবার ঠান্ডা হতে দিলে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এবং পুষ্টিবিদদের মতে, রান্না করা খাবার পরিবেশনের পরপরই বা রান্নার সর্বোচ্চ ২ ঘণ্টার মধ্যে ফ্রিজে রাখা উচিত। বিশেষ করে মাংসের ক্ষেত্রে এটি মেনে চলতেই হবে। যদি আশপাশের তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হয়, তবে এই সময় মাত্র ১ ঘণ্টা।

খাবারের ব্যাকটেরিয়া বংশবৃদ্ধির জন্য ৪ থেকে ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে বলা হয় ‘ডেঞ্জার জোন’। কক্ষ তাপমাত্রায় ব্যাকটেরিয়া প্রতি ৩০-৪০ মিনিটে দ্বিগুণ হয়ে যায়, যা থেকে ফুড পয়জনিং হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। ফ্রিজে রাখলে তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসে, যা ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে থামিয়ে দেয়।

অনেকে মনে করেন, গরম খাবার রাখলে ফ্রিজের কম্প্রেশারের ওপর চাপ পড়বে। তবে আধুনিক ফ্রিজগুলো এমনভাবে তৈরি যে, এতে সেন্সর এবং শক্তিশালী কুলিং সিস্টেম থাকে যা উচ্চ তাপমাত্রা সহজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এর জন্য সামান্য বাড়তি বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে, যা সুস্বাস্থ্যের তুলনায় খুবই নগণ্য।

আরও পড়ুন

তবে খাবার সংরক্ষণের সময় কিছু কৌশল অবলম্বন করা উচিত। যেমন—অনেক বেশি খাবার বড় হাঁড়িতে না রেখে ছোট ছোট পাত্রে ভাগ করে রাখা, যাতে দ্রুত ঠান্ডা হতে পারে।

খাবার সঠিকভাবে সংরক্ষণের আরও কিছু নিয়ম হলো, খাবার খুব গরম হলে ফ্রিজে রাখার প্রথম ১ ঘণ্টা ঢাকনা পুরোপুরি না আটকে সামান্য খোলা রাখা। এতে বাষ্প বেরিয়ে যাবে এবং ভেতরে পানি জমবে না।

এছাড়া ফ্রিজে অনেক পাত্র গাদাগাদি করে না রেখে কিছুটা ফাঁকা জায়গা রাখা উচিত যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে।

মনে রাখতে হবে, ফ্রিজ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে না, শুধু এর বৃদ্ধি ধীর করে। তাই রান্না করা সবজি ২৪ ঘণ্টা এবং রান্না করা মাংস দুই দিনের বেশি না রাখাই ভালো।

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
আজ চকলেট দিবস
শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—চকলেট পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।
আজ চকলেট দিবস
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
বছরের পর বছর ধরে অনেকেই লক্ষ্য করেন যে তাদের ঠোঁট কালো হয়ে যাচ্ছে। ধূমপায়ীরা একথা শুনে থাকেন যে এর জন্য সিগারেটই দায়ী। 
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
আজ কালো বিড়াল দিবস 
কালো বিড়াল রাস্তা পার হলে দুর্ভাগ্য আসে—এমন ধারণা প্রচলিত রয়েছে বিভিন্ন সংস্কৃতিতে।
আজ কালো বিড়াল দিবস