ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

এই মৌসুমে যে খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেন

আরটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:০৮ পিএম
প্রতীকী ছবি

শীতের হিমেল হাওয়ায় আমাদের জীবনযাত্রায় যেমন পরিবর্তন আসে, তেমনি প্রভাব পড়ে খাদ্যাভ্যাসেও। এ সময় এক কাপ গরম চা বা কফি সাময়িক প্রশান্তি দিলেও অতিরিক্ত ক্যাফেইন শরীরকে পানিশূন্য করে তুলতে পারে, যা ভাইরাস আক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতকালীন সাধারণ রোগব্যাধি যেমন সর্দি, কাশি বা গলাব্যথা থেকে দূরে থাকতে কিছু খাবার ও পানীয় এড়িয়ে চলা জরুরি। বিশেষ করে চা-কফির বিকল্প হিসেবে আদা ও তুলসীর মিশ্রণ কিংবা লেবু-মধুর কুসুম গরম পানি পান করা অনেক বেশি কার্যকর। লেবুর ভিটামিন ‘সি’ রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মধু গলায় আরাম দেয়।

এছাড়া বিকেলের নাশতায় চা-কফির বদলে এক বাটি গরম স্যুপ শরীরের জন্য ‘প্রাকৃতিক হিটার’-এর মতো কাজ করে।

শীতের সন্ধ্যায় ভাজাপোড়া বা তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার এক ধরণের সংস্কৃতি আমাদের দেশে প্রচলিত থাকলেও এটি হজমশক্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

অতিরিক্ত তেল শরীরে শ্লেষ্মা বা মিউকাস তৈরি করে বুক জ্যাম হওয়া এবং কাশির সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই ডালপুরি বা পেঁয়াজুর বদলে শুকনো খোলায় ভাজা ছোলা, বাদাম, আখরোট কিংবা কুমড়োর বীজ বেছে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

মিষ্টিজাতীয় ভাজাপোড়ার বদলে ভাপে তৈরি পুলিপিঠা বা মোমো খাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি মৌসুমি ফল যেমন আপেল, পেয়ারা বা বড়ইয়ের সালাদ বিকেলের নাশতায় দারুণ বিকল্প হতে পারে।

আরও পড়ুন

ফল খাওয়ার ক্ষেত্রেও শীতকালে কিছুটা সচেতনতা প্রয়োজন। কলা বা তরমুজজাতীয় ফল অনেক সময় শরীরে কফ তৈরি করে বা হজম প্রক্রিয়া ধীর করে দেয়।

যাদের শ্বাসকষ্টের প্রবণতা আছে, তাদের জন্য শীতকালে কলা এড়িয়ে চলাই ভালো। আবার ফ্রিজ থেকে বের করা ঠান্ডা ফল সরাসরি খাওয়া একদমই উচিত নয়। ফল খাওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো দুপুরের রোদ।

এছাড়া অতিরিক্ত চিনি এবং লবণ সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায় বলে প্যাকেটজাত স্ন্যাক্স নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। অনেকের ক্ষেত্রে দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার কফ ঘন করে দেয়; এমন সমস্যা থাকলে শীতের দিনগুলোতে পনির বা ক্রিম জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। সঠিক সময়ে সঠিক খাবার নির্বাচন শীতের দিনগুলোকে করতে পারে আরও উপভোগ্য ও রোগমুক্ত। সূত্র: হেলথ শর্টস, ওয়েব মেড, হার্ভার্ড হেলথ

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
যে গোলাপি কেকের প্রেমে মশগুল বিশ্বখ্যাত স্টাইল আইকনরা
নিউইয়র্ক শহরে খাবার নিয়ে হঠাৎ করে উন্মাদনা তৈরি হওয়া নতুন কিছু নয়। কখনো ম্যাগনোলিয়া বেকারির কাপকেক, কখনো ক্রোনাট, আবার কখনো বিশালাকার লেভাইন কুকিজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে নানা খাবারই পেয়েছে সাময়িক তারকাখ্যাতি। তবে এসব ক্ষণস্থায়ী ট্রেন্ডের ভিড়েও প্রায় নয় দশক ধরে নিজের জায়গা ধরে রেখেছে একটি বিশেষ কেক।
যে গোলাপি কেকের প্রেমে মশগুল বিশ্বখ্যাত স্টাইল আইকনরা
ঢাকায় ‘নাইটস ইন ইস্তাম্বুল’ তুর্কি ফুড ফেস্টিভ্যাল
ম্যারিয়ট ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠান শেরাটন ঢাকা আয়োজন করেছে ‘নাইটস ইন ইস্তাম্বুল’ শীর্ষক বিশেষ তুর্কি ফুড ফেস্টিভ্যাল। আগামী ৩ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বনানীর শেরাটন ঢাকার ১৪তম তলায় দ্য গার্ডেন কিচেনে এ আয়োজন চলবে।
ঢাকায় ‘নাইটস ইন ইস্তাম্বুল’ তুর্কি ফুড ফেস্টিভ্যাল
বিশ্ব নারিকেল দিবস আজ
নারিকেল আমাদের কাছে খুব পরিচিত একটি ফল। কাঁচা অবস্থায় ডাবের পানি ও শাঁস, আর পাকা নারিকেল দিয়ে তৈরি হয় নানা রকম খাবার। কেবল স্বাদ নয়, পুষ্টিগুণ ও বহুমুখী ব্যবহারের কারণেও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নারিকেলের ব্যাপক কদর রয়েছে। মজার ব্যাপার হলো, প্রতি বছর ২ সেপ্টেম্বর পালিত হয় বিশ্ব নারিকেল দিবস। নারিকেল চাষ, উৎপাদন ও এর গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিই এ দিবসের অন্যতম উদ্দেশ্য। নারিকেলের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক বহু পুরোনো। ধারণা করা হয়, অন্তত দুই হাজার বছর ধরে মানুষ খাবার ও নানা কাজে নারিকেল ব্যবহার করে আসছে। এর আদি উৎস নিয়ে নানা মত থাকলেও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে নারিকেলের সম্পর্ক বেশ গভীর। সমুদ্রপথে বাণিজ্য বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নারিকেলও ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে। ইউরোপে নারিকেলের পরিচিতি ঘটে প্রায় ১৬ শতকের দিকে। ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের হাত ধরে ধীরে ধীরে এই গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফল পৌঁছে যায় বিশ্বের নানা প্রান্তে। নারিকেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষা ও এই শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৬৯ সালে গঠিত এশিয়ান অ্যান্ড প্যাসিফিক কোকোনাট কমিউনিটি (এপিসিসি)। সংস্থাটি নারিকেল উৎপাদন, গবেষণা, প্রযুক্তি ও বাণিজ্য নিয়ে কাজ করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৯ সালে প্রথম পালিত হয় বিশ্ব নারিকেল দিবস। নারিকেল চাষিদের উৎসাহ দেওয়া, নারিকেলের অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরা এবং এর বহুমুখী ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো দিবসটির মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশে নারিকেলের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যবহারগুলোর একটি হলো ডাব। গরমে ডাবের পানি যেমন স্বস্তি দেয়, তেমনি কাঁচা নারিকেলের শাঁসও অনেকের প্রিয়। পাকা নারিকেল ব্যবহৃত হয় রান্না ও মিষ্টান্ন তৈরিতে। নারিকেলের দুধ দিয়ে তৈরি হয় বিভিন্ন পদ। নারিকেলের তেলও রান্না, প্রসাধনীসহ নানা কাজে ব্যবহৃত হয়। এমনকি নারিকেলের ছোবড়া ও খোল দড়ি, মাদুর, জ্বালানি কিংবা বিভিন্ন হস্তশিল্প তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ নারিকেল এমন একটি ফল, যার গাছের প্রায় প্রতিটি অংশই কোনো না কোনোভাবে মানুষের কাজে আসে। পুষ্টিতেও পিছিয়ে নেই নারিকেল। এর শাঁসে রয়েছে চর্বি, খাদ্যআঁশ ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান। অন্যদিকে ডাবের পানিতে পানি ও কিছু ইলেকট্রোলাইট থাকে। তবে ডাবের পানি বা নারিকেলকে কোনো রোগের চিকিৎসা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। স্বাস্থ্যকর খাবারের অংশ হিসেবে পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো। বিশ্ব নারিকেল দিবস পালনের সবচেয়ে সহজ উপায় হতে পারে দেশীয় এই ফলটির বহুমুখী ব্যবহার সম্পর্কে জানা ও অন্যদের জানানো। ডাবের পানি পান করা, নারিকেল দিয়ে কোনো খাবার তৈরি করা কিংবা নারিকেল চাষিদের অবদান সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি। বাংলাদেশের গ্রামবাংলার সঙ্গে নারিকেল গাছের সম্পর্কও দীর্ঘদিনের। বাড়ির উঠানে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা একটি নারিকেলগাছ কেবল ফলই দেয় না, ছায়া, জ্বালানি ও নানা উপকরণও জোগায়। তাই বিশ্ব নারিকেল দিবস কেবল একটি ফল উদযাপনের দিন নয়; এটি নারিকেল চাষ, কৃষকের শ্রম এবং এই বহুমুখী গাছের অর্থনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব মনে করারও একটি উপলক্ষ। আরটিভি/এসআর
বিশ্ব নারিকেল দিবস আজ
ঘরেই বানান রেস্তোরাঁর মতো রুমালি রুটি, রইল সহজ কৌশল
লালচে আলুরদম কিংবা মাংসের ঝোলের সঙ্গে পাতলা ও নরম রুমালি রুটি হলে জমে যায় রাতের খাবার। সাধারণত এমন রুটি খেতে অনেকেই রেস্তোরাঁয় ছুটে যান। তবে চাইলে বাড়ির তাওয়াতেই খুব সহজে তৈরি করা যায় ফিনফিনে ও তুলতুলে রুমালি রুটি। সঠিক পরিমাণে উপকরণ ব্যবহার এবং কয়েকটি কৌশল মেনে চললেই ঘরেই তৈরি হবে রেস্তোরাঁর মতো নরম রুমালি রুটি। যা যা লাগবে ময়দা ২ কাপআটা আধা কাপহালকা গরম দুধ আধা কাপপ্রয়োজনমতো পানিলবণ আধা চা-চামচঘি ১ টেবিলচামচপ্রয়োজনমতো তেল আরও পড়ুন ঘরেই মুচমুচে কুচো নিমকি বানাবেন যেভাবে প্রথমেই ভালো করে ময়দা মাখুন একটি বড় পাত্রে ময়দা, আটা ও লবণ নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার এতে ঘি ও হালকা গরম দুধ দিন। এরপর প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে অন্তত ৮ থেকে ১০ মিনিট ভালোভাবে মাখুন। ডো (খামি) টি যত ভালো করে মাখা হবে, রুটি তত নরম ও তুলতুলে হবে। মাখার পর নরম ও মসৃণ ডো (খামি) তৈরি করে নিন। বেলার আগে অপেক্ষা করুন ডোর (খামি) গায়ে সামান্য তেল মাখিয়ে নিন। এরপর একটি ভেজা সুতির কাপড় দিয়ে ঢেকে অন্তত ৩০ মিনিট রেখে দিন। এতে ডো (খামি) আরও নরম হবে এবং রুটি পাতলা করে বেলতে সুবিধা হবে। যত পাতলা, তত ভালো  ৩০ মিনিট পর মণ্ড থেকে ছোট ছোট লেচি (ছোট গোলাকার টুকরো) কেটে নিন। সামান্য ময়দা ছড়িয়ে লেচিগুলো (ছোট গোলাকার টুকরো) খুব পাতলা করে বেলে নিন। রুটি এতটাই পাতলা করতে হবে, যেন তার নিচ থেকে হাত দেখা যায়। রুমালি রুটির নরম ও পাতলা হওয়ার অন্যতম রহস্য এখানেই। তাওয়া উল্টো করে বসান এবার গ্যাসে একটি লোহার তাওয়া উল্টো করে বসিয়ে ভালোভাবে গরম করুন। সাধারণভাবে তাওয়া বসানোর বদলে উল্টো করে বসালে রুমালি রুটি তৈরি করা সহজ হয়। একটি ছোট বাটিতে এক কাপ পানির সঙ্গে এক টেবিলচামচ লবণ মিশিয়ে নিন। তাওয়া গরম হয়ে গেলে এই লবণ-পানির মিশ্রণ সামান্য ছিটিয়ে দিন। এতে রুটি তাওয়ার সঙ্গে আটকে থাকবে না। বুদবুদ উঠলেই উল্টে দিন পাতলা করে বেলে রাখা রুটিটি সাবধানে গরম তাওয়ার ওপর ছড়িয়ে দিন। ৫ থেকে ১০ সেকেন্ডের মধ্যেই রুটির গায়ে ছোট ছোট বুদবুদ দেখা দেবে। তখন রুটিটি উল্টে দিন। একটি পরিষ্কার সুতির কাপড় দিয়ে হালকা করে চাপ দিয়ে ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ড সেঁকে নিন। তবে রুটি বেশি সময় ধরে সেঁকবেন না। বেশি সময় তাওয়াতে রাখলে রুমালি রুটি শক্ত হয়ে যেতে পারে। শেষ ধাপেই আসল কৌশল রুটি তৈরি হয়ে গেলে তাওয়া থেকে নামিয়ে দ্রুত রুমালের মতো চার ভাঁজ করে নিন। এভাবেই তৈরি হয়ে যাবে নরম ও তুলতুলে রুমালি রুটি। রুমালি রুটি দীর্ঘক্ষণ নরম রাখতে চাইলে তৈরি হওয়ার পর কাপড়ে মুড়ে হটপটে রাখতে পারেন। গরম গরম এই রুটি আলুরদম, মাংসের ঝোল বা পছন্দের অন্য তরকারির সঙ্গে পরিবেশন করা যায়। আরটিভি/জেএমএ
ঘরেই বানান রেস্তোরাঁর মতো রুমালি রুটি, রইল সহজ কৌশল
ঘরেই মুচমুচে কুচো নিমকি বানাবেন যেভাবে
বিকেলের নাশতায় কিংবা অতিথি আপ্যায়নে নিমকি বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার। ময়দা দিয়ে তৈরি মুচমুচে কুচো নিমকি একবার খেতে শুরু করলে সহজে থামতে ইচ্ছা করে না। খুব বেশি ঝামেলা ছাড়াই ঘরেই তৈরি করা যায় এই মুখরোচক খাবার। চলুন জেনে নেওয়া যাক মুচমুচে কুচো নিমকি তৈরির সহজ পদ্ধতি। যা যা লাগবে ময়দা ২ কাপতেল ২ চা-চামচলবণ ১ চা-চামচচিনি আধা চা-চামচকালোজিরা ১ চা-চামচপানি আধা কাপভাজার জন্য তেল ২ কাপ যেভাবে তৈরি করবেন প্রথমে একটি বড় পাত্রে ময়দা, ২ চা-চামচ তেল, লবণ, চিনি ও কালোজিরা নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর অল্প অল্প করে পানি দিয়ে ময়দা মাখতে শুরু করুন। ময়দা ভালোভাবে মাখতে হবে, যেন আঙুল থেকে ময়দা ছেড়ে যায় এবং মাখা ময়দার তালটি মসৃণ ও নরম হয়। সাধারণত ৫ থেকে ৬ মিনিট ভালোভাবে মাখলেই উপযুক্ত তাল তৈরি হয়ে যাবে। এবার মাখা ময়দার তালটি একটি ভেজা সুতির কাপড়ে জড়িয়ে অন্তত ৩০ মিনিট রেখে দিন। রুটির মতো বেলে নিন ৩০ মিনিট পর ময়দার তাল থেকে ৫ থেকে ৬টি সমান আকারের লেচি কেটে নিন। চাকিতে সামান্য শুকনো ময়দা ছড়িয়ে একটি একটি লেচি রেখে পাতলা ও বড় রুটির মতো করে বেলে নিন। প্রতিটি রুটি বেলা হয়ে গেলে ছুরি দিয়ে ছোট ছোট বরফির আকারে কেটে নিন। এভাবেই সব কটি রুটি কেটে নিমকির টুকরো তৈরি করে রাখুন। এবার ভেজে নিন কড়াইয়ে ২ কাপ তেল দিয়ে গরম হতে দিন। তেল গরম হয়ে গেলে আঁচ মাঝারি করে কেটে রাখা ময়দার টুকরোগুলো তেলে দিন। ডুবো তেলে টুকরোগুলো ভালোভাবে ভেজে নিন। নিমকি সুন্দরভাবে ভাজা হয়ে গেলে তুলে কাগজের ওপর ছড়িয়ে রাখুন। এতে অতিরিক্ত তেল শুষে যাবে এবং নিমকি আরও মুচমুচে হয়ে উঠবে। মুচমুচে নিমকি প্রস্তুত এবার তৈরি হয়ে গেল ঘরোয়া মুচমুচে কুচো নিমকি। চায়ের সঙ্গে কিংবা বিকেলের নাশতায় পরিবেশন করতে পারেন এই সুস্বাদু খাবার। সহজ উপকরণে অল্প সময়েই তৈরি করা যায় বলে ঘরোয়া নাশতা হিসেবে এটি হতে পারে দারুণ একটি আয়োজন। আরটিভি/জেএমএ
ঘরেই মুচমুচে কুচো নিমকি বানাবেন যেভাবে
আরও পড়ুন
ভারতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ শেষে হত্যার পর কুকুরের খাবার হলো কিশোরী
বাংলাদেশিদের ভাত খাওয়া কমেছে ২৫%, পাতে বাড়ছে মাছ-মাংস-ফল
গভীর রাতে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দিলেন এমপি হানজালা
খাওয়ার বিল দিতে না পারায় কেটে নেওয়া হলো তরুণীর চুল, ভিডিও ভাইরাল