ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

রোজার ক্লান্তি দূর করবে চিয়া নারকেল শরবত

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

চিয়া বীজ ও নারকেলের সমন্বয়ে তৈরি এক গ্লাস ঠান্ডা চিয়া শরবত হতে পারে সেই আদর্শ পানীয়। প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট, আঁশ ও প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণে ভরপুর এই শরবত রোজার ক্লান্তি দূর করার পাশাপাশি হজমে সহায়তা করে এবং শরীরকে রাখে চাঙ্গা। রইলো রেসিপি-

উপকরণ-
চিয়া সিডস ২ টেবিল চামচ
ডাব ২টা
ডাবের শাঁস প্রয়োজনমতো
চিনির সিরা স্বাদমতো
পানি ১ কাপ
আইস কিউব
লেবুপাতা ৪-৫টি।

আরও পড়ুন

যেভাবে তৈরি করবেন-
প্রথমে চিয়া সিডস ১ কাপ পানিতে মিশিয়ে নিন। এতে দিয়ে দিন ১ টেবিল চামচ চিনির সিরা। অন্যদিকে ডাবের পানি আলাদা রেখে ডাব থেকে শাঁস লম্বা করে ছাড়িয়ে নিন। এবার আধা কাপ ডাবের পানির সঙ্গে অর্ধেক পরিমাণ ডাবের শাঁস ও ১ টেবিল চামচ চিনির সিরা ব্লেন্ড করে নিন। গ্লাসে প্রথমে লেবুপাতা, আইস কিউব, ১ টেবিল চামচ সিরাপ ঢেলে দিন। তারপরে চিয়া সিডস ও ডাবের শাঁসের টুকরা দিন। সবশেষে ডাবের পানি ঢেলে দিন। ব্যস তৈরি হয়ে গেলো লোভনীয় স্বাদের চিয়া নারকেল শরবত।

আরটিভি/ এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পেঁয়াজ কাটলেই চোখে পানি আসে কেন
রান্নার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে পেঁয়াজ কাটতে হয় প্রায় প্রতিদিনই।
পেঁয়াজ কাটলেই চোখে পানি আসে কেন
অতিরিক্ত গরম চা খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছেন না তো?
সকালের শুরুতে এক কাপ চা, বিকেলে ক্লান্তি দূর করতে আবারও চায়ের কাপে চুমুক—এমন অভ্যাস অনেকেরই।
অতিরিক্ত গরম চা খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছেন না তো?
প্রতিদিনের ৫ অভ্যাসেই ক্ষতি হচ্ছে মেরুদণ্ডের!
দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করা, অবসর সময়ে সোফায় গা এলিয়ে মুঠোফোন দেখা কিংবা শারীরিক পরিশ্রম না করা—আধুনিক জীবনে এমন অভ্যাস অনেকেরই।
প্রতিদিনের ৫ অভ্যাসেই ক্ষতি হচ্ছে মেরুদণ্ডের!
আজ ক্যান্ডি দিবস
ক্যান্ডি মানেই মিষ্টি স্বাদ আর শৈশবের রঙিন স্মৃতি।
আজ ক্যান্ডি দিবস
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
আরও পড়ুন
রোজার আগে আবারও সয়াবিন তেলের দাম বাড়াতে চায় ব্যবসায়ীরা
মেসিকে সম্মান জানাতে নতুন রূপে সেজেছে জন্মস্থান রোজারিও
এবার জরিমানার মুখে পাকিস্তানি ক্রিকেটার গুল ফিরোজা
১০ মহররমের বিশেষ মর্যাদার আসল কারণ