এবার রাফিয়ার পাশে দাঁড়ালেন ঢাবির শিক্ষক মোনামি

আরটিভি নিউজ

শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫ , ১০:৩১ এএম


এবার রাফিয়ার পাশে দাঁড়ালেন ঢাবির শিক্ষক মোনামি
শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি এবং উম্মা উসওয়াতুন রাফিয়া। ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচিত স্বতন্ত্র সদস্য উম্মা উসওয়াতুন রাফিয়ার বাসায় ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে ঢাবির লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষক এবং সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি এ নিন্দা জানান।

শিক্ষক মোনামি তার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে হিজাবি ও নন-হিজাবি নারীদের প্রতি কিছু মানুষের দ্বিচারিতার কড়া সমালোচনা করেন।

বিজ্ঞাপন

পোস্টে শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি লেখেন, ‌রাফিয়ার ময়মনসিংহের বাসায় হামলা হয়েছে, আগুন দেওয়া হয়েছে। জুলাই-পরবর্তী সময়ে যারা নারীদের নিয়ে চিন্তিত ছিলেন, তাদেরই দেখেছি রাফিয়ার প্রতি কিছু ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষোভ ঝাড়তে কিংবা চুপ থাকতে।

তিনি বলেন, আজকে রাফিয়ার বাসায় অগ্নিসংযোগের পরেও কি আপনারা চুপ থাকবেন? নাকি ‘রাফিয়া হিজাবি/রাফিয়া শিবির/রাফিয়া শত্রুপক্ষ ‘ভেবে, ওর প্রতি হওয়া সকল বুলিং, হ্যারাসমেন্ট, আর আজকে ওর বাসার সামনে আগুন ও ককটেল ফোটানোকে জাস্টিফাই করবেন?

বিজ্ঞাপন

শিক্ষক মোনামি আরও বলেন, আপনারা যতবার জুলাই-এর পক্ষের শক্তিকে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে ভাঙতে থাকবেন, ততবার আওয়ামী স্বার্থান্বেষী ও সন্ত্রাসীরা আমাদের জন্য তথা নারীদের জন্য হুমকি হয়ে ফিরে আসবে—কখনো অনলাইনে কখনো বাস্তব জীবনে।

এর আগে, ডাকসুর স্বতন্ত্র সদস্য উম্মা উসওয়াতুন রাফিয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, আমাদের ভয় দেখিয়ে শয়তান নিজেই অন্ধকারে পালিয়ে যায়।

বিজ্ঞাপন

আগুনের ঘটনার খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে বিকেলে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করা হয়। মামলাটি করেন রাফিয়ার ভাই খন্দকার জুলকারনাইন।

আরও পড়ুন

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, রাত ২টা ৫০ থেকে ৩টার মধ্যে বিকট শব্দে পরিবারের সদস্যদের ঘুম ভেঙে যায়। সকালে বাসার গেটে নামলে দেখা যায়, গেটের অংশবিশেষ পুড়ে কালো হয়ে গেছে এবং সামনে পোড়া ছাই পড়ে আছে। আশপাশে কেরোসিন ও পেট্রলের গন্ধও পাওয়া যায়।

এজাহারে আরো অভিযোগ করা হয়, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।

রাফিয়ার মা জিন্নাত মহল বলেন, আমার কারো সঙ্গে শত্রুতা নেই। আমার মেয়ের রাজনৈতিক তৎপরতার কারণেই এই হামলা হয়েছে বলে মনে করি। ঘটনার পর আমরা ভয় পাচ্ছি।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলাম বলেন, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission