জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার রায়ের তারিখ জানা যাবে আগামী ১৩ নভেম্বর। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২৩ অক্টোবর এ তারিখ নির্ধারণ করে। এ দিনকে ঘিরে দেখা দিয়েছে নানা শঙ্কা। ঢাকাসহ সারাদেশে বিরাজ করছে উত্তেজনা।
এদিকে এগিয়ে আসছে নির্বাচনের দিনও। এ অবস্থায় দেশকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ফেলতে অনলাইনে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে রাজনীতিতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে নানা গুজব, হুমকি আর ষড়যন্ত্রের বার্তা।
বিভিন্ন পোস্টে বলা হচ্ছে, ১৩ তারিখ রাজধানীতে লাখ লাখ মানুষের সমাগম ঘটিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরির পরিকল্পনা চলছে। লকডাউন কার্যকর, সরকারি স্থাপনায় হামলা আর বাসে আগুন দেওয়ার মতো অপতৎপরতার প্রস্তুতি নিচ্ছে নিষিদ্ধ দলটি- এমন তথ্যও ছড়িয়ে পড়েছে।
তবে এখন পর্যন্ত এসব তথ্যের কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ঝুঁকি এড়াতে সব তথ্য গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে বিশৃঙ্খলা ঠেকানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
রাজধানীসহ সারাদেশে চেকপোস্ট, তল্লাশি আর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অভিযান আরও জোরদার হবে আজ (সোমবার) থেকে। এরইমধ্যে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।
ডিএমপির মিডিয়া শাখার উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করছি। কেউ নৈরাজ্য পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করলে আইনগতভাবে মোকাবিলা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন জায়গায় থেকে লোক জড়ো করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নষ্ট করতে চাইলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। গোয়েন্দা নজরদারিও অব্যাহত রয়েছে। আশা করি নগরবাসীর আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।
আরটিভি/আরএ




