ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

হিলিতে ধানের বদলে বেগুনের বাম্পার ফলন, চরাঞ্চলে চিনা আবাদে ঝুঁকছেন কৃষকরা  

হিলি ও নাগেশ্বরী প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫০ পিএম

দিনাজপুরের হিলির বিভিন্ন মাঠজুড়ে বোরোর পরিবর্তে শোভা পাচ্ছে সারি সারি বেগুনের ক্ষেত। ধানের চেয়ে লাভ বেশি হওয়ায় বেগুন চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা। অন্যদিকে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর চরাঞ্চলে চিনা আবাদে ঝুঁকছেন কৃষকেরা। চাহিদা বাড়ায় বিলুপ্তপ্রায় এ ফসলটি নতুন করে আশা জাগিয়েছে চরাঞ্চলের কৃষকদের।

প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য-চিত্রে জানা যায়, স্বল্প খরচে অধিক লাভ হওয়ায় দিনাজপুরের হিলিতে দিন দিন বাড়ছে বেগুন চাষ। গত বছরের তুলনায় এবার হিলিতে বেগুনের আবাদ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

হাইব্রিডের পাশাপাশি ও স্থানীয় জাতের বেগুন চাষ করেছেন চাষিরা। বিঘাপ্রতি মাত্র ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচে চাষিরা বেগুন বিক্রি করছেন ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত। প্রতিদিন সকালে বেগুন তুলে পাইকারি বাজারে নিয়ে বিক্রি করেন চাষিরা। যেখান থেকে এসব বেগুন চলে যায় ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

একজন তরুণ কৃষক বলেন, বর্তমানে চাকরির বাজার অনেক কঠিন। সে জন্য নিজের জমিতে চাষ শুরু করেছি। এখন পর্যন্ত ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা লাভ হয়েছে। খরচ হয়েছে ৩০ হাজার টাকার মতো।

আরও পড়ুন

এ বিষয়ে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলা কৃষি অফিসার আরজেনা বেগম বলেন, চাষিদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার নিশ্চিতে কাজ করছে উপজেলা কৃষি বিভাগ। আগামীতে আমাদের এ এলাকার কৃষকরা আরও আগ্রহী হবেন এটাই প্রত্যাশা।

এদিকে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র নদের চরে চলতি মৌসুমে চাষ হয়েছে চিনা। বিলুপ্তপ্রায় ফসলটি নতুন করে আশা জাগিয়েছে ঢাকডহর, চৌদ্দঘড়ি, চরবেরুবাড়ি, কুমদপুর, তরিহাটসহ কয়েকটি চরাঞ্চলের কৃষকদের।

চরাঞ্চলের চিনা চাষীরা জানান, চিনা চাষে খরচ কম। ভুট্টা চাষে খরচ একটু থাকায় এতে লাভ হয় বেশি। গত বছর তিন হাজার টাকা মোন বিক্রি করেছিলাম তাতে লাভ একটু বেশি হয়েছিল।

চিনা চাষে কৃষকদের প্রয়োজনীয় সব সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার হোসেন বলেন, খুব সামান্য সেজ অথবা বিনা সেচে হয়। এভাবে চিনা চাষ করলে কৃষকরা বাড়তি অর্থ পেয়ে থাকে। এ জন্য আমরা চিনা চাষে কৃষকদের উৎসাহ ও পরামর্শ দিচ্ছি।

তিনি আরও জানান, চলতি মৌসুমে নাগেশ্বরীতে ৮০ হেক্টর জমিতে চিনা চাষ হয়েছে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
বাবা, এক বটবৃক্ষের নাম। সন্তানের সবরকম ভাল থাকার উৎস, সেটিই যেন আবারও প্রমাণিত এই বাচ্চাদের কণ্ঠে। চারদিকে যখন বিরাজ করছে পূজার আমেজ তখন এই কোমলমতি শিশুদের চোখে পানি, আর কণ্ঠে আক্ষেপ। এ বছর যেন উৎসবের দিনগুলোতে নতুন জামার চেয়েও বড় অভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের বাবা। তাই আনন্দের সময়ও যেন থামছেই না তাদের কান্না।
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
ভিডিওর এই শিশুরা সবাই প্রাথমিকের শিক্ষার্থী। যাদের এখন সহপাঠীদের সাথে ছুটোছুটি করার কথা বিদ্যালয়ের মাঠে। অথচ পানি জমে থাকায় তারা পারছে না খেলতে, কেউ আবার যেতে পারে না টয়লেটেও। আবার পানি পেরিয়ে ক্লাসে যেতে গিয়ে ভিজে যায় কারও পোশাক। বই-খাতায় লেগে যায় কাদা। অভিযোগের যেন শেষ নেই কোমলমতি এই শিশুদের। 
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
হরমুজ সংকটে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠেছিল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর। কিন্তু সেই পথও এখন রয়েছে হামলার ঝুঁকিতে। হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই তেলবন্দর রক্ষায় এবার সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। শুধু সেনা নয়, সঙ্গে যাচ্ছে রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।  মাখোঁ জানান, ইয়ানবু রক্ষায় সৌদি আরবের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করেছে ফ্রান্স। সেই চুক্তির আওতায় সেখানে পাঠানো হবে ফরাসি সেনাসদস্য, রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। তবে মাখোঁ একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। ফরাসি সেনাদের পাঠানো হচ্ছে ইয়ানবু রক্ষার জন্য, চলমান সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার জন্য নয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সৌদি আরবের একটি বন্দর রক্ষায়  কেন সেনা পাঠাতে হচ্ছে ফ্রান্সকে? এর পেছনে বড় কারণ হরমুজ প্রণালির চলমান সংকট। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পর বিকল্প পথ হিসেবে ইয়ানবুর গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল নিয়ে যাওয়া হয় লোহিত সাগরের এই বন্দরে। সেখান থেকে হরমুজ এড়িয়ে সরাসরি তেল পাঠানো সম্ভব আন্তর্জাতিক বাজারে। কিন্তু সম্প্রতি সেই ব্যবস্থাও খেয়েছে বড় ধাক্কা। ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষও ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকার দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। এর আগে ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের তিনটি পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে ইয়ানবু দিয়ে তেল রপ্তানিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে পাইপলাইনটি আবার চালু করা হয়েছে সীমিত পরিসরে।  ফলে ইয়ানবুর নিরাপত্তা এখন শুধু সৌদি আরবের বিষয় নয়। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রেও বন্দরটির গুরুত্ব বেড়েছে বন্দরটির। আর ফ্রান্সও অনুভব করছে জ্বালানি সংকটের চাপ। মাখোঁ বলেন, আগামী শীতের জন্য ফ্রান্সে পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাসের মজুত রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে তাঁর সরকার। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার কথা বিবেচনা করছে। এমন খবর সত্য হলে তার ফল বিশ্ব ও মার্কিন অর্থনীতির জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। যদিও হোয়াইট হাউস অস্বীকার করেছে এমন কোনো পরিকল্পনার কথা। আরটিভি/এআর 
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
আধুনিকতার ছোঁয়া লাগার আগে বরেন্দ্রভূমির মেঠোপথগুলো কেমন ছিল? সন্ধ্যা নামলেই চারপাশের খাঁ-খাঁ নীরবতা, বন্যপ্রাণীর ভয় আর ডাকাতের উপদ্রব— এমন এক অনিশ্চিত সময়ে ক্লান্ত পথিকের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিল একটি অনন্য মানবিক উদ্যোগ। প্রায় ১২ যুগ বা ১১৮ বছর ধরে নওগাঁর পোরশার ঐতিহাসিক ‘মুসাফিরখানা’ সেই মানবতার ঐতিহ্যকে পরম যত্নে টিকিয়ে রেখেছে। নিজ সম্পত্তির উপার্জনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবারের এমন দৃষ্টান্ত আধুনিক সমাজেও এক বিরল মানবসেবার বার্তা দেয়।
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
দেশটিতে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১ লাখ ছাড়িয়েছে।
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
আরও পড়ুন
তেলের দাম বৃদ্ধিতে হিলিতে বেড়েছে ট্রাক ভাড়া, বিপাকে ব্যবসায়ীরা
ভারত-বাংলাদেশ ভ্রাতৃত্ব বাড়াতে চেষ্টা অব্যাহত থাকবে: সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার
পোশাক শ্রমিকদের দ্রুত সর্বজনীন পেনশনে আনার আহ্বান
উপকূলে কেওড়ার বাম্পার ফলন, বাড়ছে আয়ের সম্ভাবনা