ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

নানা সংকটে জর্জরিত বান্দরবান নার্সিং কলেজ

মোহাম্মদ শাফায়েত হোসেন, বান্দরবান প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৪ পিএম

নানা সংকটে জর্জরিত বান্দরবান নার্সিং কলেজ। পর্যাপ্ত শিক্ষক আর জনবল সংকটে ব্যাহত হচ্ছে কলেজটির শিক্ষা কার্যক্রম। ল্যাবে নেই পর্যাপ্ত সরঞ্জাম ও শিক্ষা উপকরণ।

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হলেও এখনও কোন সমাধান হয়নি বলে জানিয়েছেন কলেজ অধ্যক্ষ।

জানা যায়, পার্বত্য অঞ্চল বান্দরবানে নার্সিং শিক্ষার প্রসারে ২০১৮ সালে সদর হাসপাতাল এলাকায় প্রতিষ্ঠা করা হয় এই নার্সিং কলেজ। প্রতিষ্ঠার আট বছরেও পাওয়া যায়নি প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক সঙ্গে শিক্ষা উপকরণ।

বিএসসি ইন নার্সিং, ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি এবং ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি এই ৩টি প্রোগামে বর্তমানে ভর্তি আছেন চারশ তেত্রিশ শিক্ষার্থী। এসব শিক্ষর্থীর বিপরীতে প্রয়োজন অন্তত ৪২ জন শিক্ষক, কিন্তু সেখানে কর্মরত আছেন কেবল ১২ জন।

আরও পড়ুন

শিক্ষকরা জানান, এখানে আগেও শিক্ষক সংকট ছিল এখনো বিদ্যমান। আমাদের ৪২টি ফ্যাকাল্টি আছে কিন্তু এক্সিস্টিং টিচার আছেন মাত্র ১২ জান। এখানে কম্পিউটারের সংখ্যা আরো বাড়ানো দরকার। তাহলে আমাদের স্টুডেন্টরা আরও বেশি উপকৃত হবে।

শুধু শিক্ষক সংকট নয়; পাঠদানের অন্যতম প্রয়োজনীয় ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাবে নেই পর্যাপ্ত সরঞ্জাম। এছাড়া মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, জেনারেটর ও প্রয়োজনীয় চেয়ার টেবিলের কারণে পাঠদানে বিঘ্ন ঘটছে নিয়মিত।

এ বিষয়ে এখানে অধ্যয়নরত শিক্ষাথীরা জানান, অনেক ইন্সট্রুমেন্ট এখানে নেই, আবার অনেক আসবাবপত্র নষ্ট। এ কারণে প্র্যাকটিক্যাল করতে কিছুটা অসুবিধা হচ্ছে। টিচারও নাই তাই সময়মতো কিছুই হচ্ছে না।

বান্দরবান নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ রাশেদা বেগম জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। আমার অনেক বেশি বেগ পেতে হচ্ছে। আমরা স্ট্যান্ডার্ড মেনটেন করতে পারছি না। এভাবেই কাজ চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। যদি আমার সমস্যা সমাধান হয় তাহলে আমার ছাত্র-ছাত্রীরা ভালো একটা পড়ার পরিবেশ পাবে।

এদিকে সংকট নিরসনে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সরকার, এমনটাই প্রত্যাশা বান্দরবানবাসীর।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
বাবা, এক বটবৃক্ষের নাম। সন্তানের সবরকম ভাল থাকার উৎস, সেটিই যেন আবারও প্রমাণিত এই বাচ্চাদের কণ্ঠে। চারদিকে যখন বিরাজ করছে পূজার আমেজ তখন এই কোমলমতি শিশুদের চোখে পানি, আর কণ্ঠে আক্ষেপ। এ বছর যেন উৎসবের দিনগুলোতে নতুন জামার চেয়েও বড় অভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের বাবা। তাই আনন্দের সময়ও যেন থামছেই না তাদের কান্না।
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
ভিডিওর এই শিশুরা সবাই প্রাথমিকের শিক্ষার্থী। যাদের এখন সহপাঠীদের সাথে ছুটোছুটি করার কথা বিদ্যালয়ের মাঠে। অথচ পানি জমে থাকায় তারা পারছে না খেলতে, কেউ আবার যেতে পারে না টয়লেটেও। আবার পানি পেরিয়ে ক্লাসে যেতে গিয়ে ভিজে যায় কারও পোশাক। বই-খাতায় লেগে যায় কাদা। অভিযোগের যেন শেষ নেই কোমলমতি এই শিশুদের। 
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
হরমুজ সংকটে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠেছিল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর। কিন্তু সেই পথও এখন রয়েছে হামলার ঝুঁকিতে। হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই তেলবন্দর রক্ষায় এবার সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। শুধু সেনা নয়, সঙ্গে যাচ্ছে রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।  মাখোঁ জানান, ইয়ানবু রক্ষায় সৌদি আরবের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করেছে ফ্রান্স। সেই চুক্তির আওতায় সেখানে পাঠানো হবে ফরাসি সেনাসদস্য, রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। তবে মাখোঁ একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। ফরাসি সেনাদের পাঠানো হচ্ছে ইয়ানবু রক্ষার জন্য, চলমান সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার জন্য নয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সৌদি আরবের একটি বন্দর রক্ষায়  কেন সেনা পাঠাতে হচ্ছে ফ্রান্সকে? এর পেছনে বড় কারণ হরমুজ প্রণালির চলমান সংকট। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পর বিকল্প পথ হিসেবে ইয়ানবুর গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল নিয়ে যাওয়া হয় লোহিত সাগরের এই বন্দরে। সেখান থেকে হরমুজ এড়িয়ে সরাসরি তেল পাঠানো সম্ভব আন্তর্জাতিক বাজারে। কিন্তু সম্প্রতি সেই ব্যবস্থাও খেয়েছে বড় ধাক্কা। ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষও ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকার দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। এর আগে ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের তিনটি পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে ইয়ানবু দিয়ে তেল রপ্তানিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে পাইপলাইনটি আবার চালু করা হয়েছে সীমিত পরিসরে।  ফলে ইয়ানবুর নিরাপত্তা এখন শুধু সৌদি আরবের বিষয় নয়। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রেও বন্দরটির গুরুত্ব বেড়েছে বন্দরটির। আর ফ্রান্সও অনুভব করছে জ্বালানি সংকটের চাপ। মাখোঁ বলেন, আগামী শীতের জন্য ফ্রান্সে পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাসের মজুত রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে তাঁর সরকার। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার কথা বিবেচনা করছে। এমন খবর সত্য হলে তার ফল বিশ্ব ও মার্কিন অর্থনীতির জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। যদিও হোয়াইট হাউস অস্বীকার করেছে এমন কোনো পরিকল্পনার কথা। আরটিভি/এআর 
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
আধুনিকতার ছোঁয়া লাগার আগে বরেন্দ্রভূমির মেঠোপথগুলো কেমন ছিল? সন্ধ্যা নামলেই চারপাশের খাঁ-খাঁ নীরবতা, বন্যপ্রাণীর ভয় আর ডাকাতের উপদ্রব— এমন এক অনিশ্চিত সময়ে ক্লান্ত পথিকের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিল একটি অনন্য মানবিক উদ্যোগ। প্রায় ১২ যুগ বা ১১৮ বছর ধরে নওগাঁর পোরশার ঐতিহাসিক ‘মুসাফিরখানা’ সেই মানবতার ঐতিহ্যকে পরম যত্নে টিকিয়ে রেখেছে। নিজ সম্পত্তির উপার্জনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবারের এমন দৃষ্টান্ত আধুনিক সমাজেও এক বিরল মানবসেবার বার্তা দেয়।
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
দেশটিতে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১ লাখ ছাড়িয়েছে।
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
আরও পড়ুন
লেবুর বস্তায় মিলল ৩ কোটি টাকার ইয়াবা
স্কুলের রেজিস্ট্রেশন কার্ড নিতে গিয়ে নিখোঁজ ৩ ছাত্রী উদ্ধার, যা জানা গেল
তিন দিন ধরে নিখোঁজ বান্দরবানের ৩ কিশোরী, খোঁজা হচ্ছে সিসিটিভি ফুটেজ
৬ দিন পর বান্দরবান-থানচি সড়কে বাস চলাচল চালু