ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সরকারি কর্মচারী

আফ্রিদি আহাম্মেদ (মানিকগঞ্জ), আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ০৮:০৪ পিএম
ছবি: কোলাজ আরটিভি

তিনি ১৯তম গ্রেডের ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট। তবে অল্প কয়েক বছরের ব্যবধানে বদলে গেছে তার জীবনচিত্র। সরকারি চাকরির আড়ালেই গড়ে তুলেছেন বিলাসবহুল সেলুন ব্যবসা, নির্মাণ করেছেন একাধিক ভবন।

সরকারি চাকরির বিধিমালা লঙ্ঘন করে ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে রয়েছে ঘুষ গ্রহণ, প্রভাব খাটানো এবং নারী কেলেঙ্কারির মতো গুরুতর অভিযোগ। তিনি পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মচারী সেলিম মাহমুদ, যিনি এলাকায় ‘সানি’ নামেই অধিক পরিচিত।

জানা যায়, ১৫-১৬ বছর আগে পরিবেশ অধিদপ্তরের ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট পদে চাকরিতে যোগ দেন মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়ার বালিয়াটি ইউনিয়নের কুষ্টিয়া গ্রামের বাসিন্দা সেলিম মাহমুদ। স্থানীয়দের ভাষ্য, চাকরিতে যোগদানের পর থেকেই বদলে যেতে থাকে তার জীবনযাত্রা। অল্প সময়েই গড়ে তোলেন বিপুল সম্পদের পাহাড়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, মানিকগঞ্জ শহরের কাজল কমপ্লেক্সে দ্য জেন্টলম্যান নামে একটি বিলাসবহুল সেলুন ও একটি কসমেটিকস ব্যবসা যা একই ভবনে পরিচালনা করছেন তিনি। ব্যবসাগুলো কাগজে-কলমে স্ত্রীর নামে থাকলেও নিয়ন্ত্রণ করছেন নিজেই। শুরুতে একাধিক অংশীদার থাকলেও ধীরে ধীরে পুরো ব্যবসার মালিকানা নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন। মাত্র কয়েক বছরই সেলিম মাহমুদ প্রায় দুই কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তুলেছে।

হাতে আসা প্রমাণাদি এবং সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সর্বশেষ প্রায় ১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে আরেক অংশীদারের শেয়ার কিনে নেন তিনি। বর্তমানে প্রায় ৪৬ লাখ টাকার বিনিয়োগে পরিচালিত হচ্ছে ওই সেলুন।

ক্রেতা টানতে সেলুনে চালু করা হয়েছে লোভনীয় অফার। ডেস্কে সাজিয়ে রাখা হয়েছে ব্র্যান্ড নিউ আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স। বিভিন্ন সেবার সঙ্গে স্মার্টফোন জয়ের অফার দিয়ে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। অথচ একজন ১৯তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীর এমন বিলাসী ব্যবসা ও বিপুল বিনিয়োগ নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেলিম মাহমুদ গ্রামের বাড়িতেও গড়ে তুলেছেন একাধিক স্থাপনা। সাটুরিয়ার বালিয়াটি ইউনিয়নের কুষ্টিয়া গ্রামে মেইন রাস্তার পাশে ১০ ডিসিমেল জমির ওপর নির্মাণ করেছেন তিনতলা বাড়ি। এছাড়া খলিলাবাদ চরপাড়া এলাকায় রয়েছে আরও একটি আরসিসি ভবন, যা এখনও নির্মাণাধীন। এছাড়াও মানিকগঞ্জ শহরে তার বিলাসবহুল দুইটি ব্যবসার সকল প্রমাণাদি হাতে এসেছে আরটিভির কাছে।

বালিয়াটি ইউনিয়নের কুষ্টিয়া গ্রামের এক দোকানদার বলেন, তার বাবার বাড়ির পাশেই জায়গা কিনে বিল্ডিং করছে। জমিসহ তিনতলা বাড়িটার দাম প্রায় কোটি টাকার মতো হবে। আর খলিলাবাদ চড়পাড়া মসজিদের দক্ষিণ পাশে যে ভবন করছে, সেটার পেছনেও অনেক টাকা খরচ হয়েছে।

সেলিম মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে তার সাবেক কর্মস্থল কুষ্টিয়ায়। অভিযোগ রয়েছে, পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানের নামে বিভিন্ন ইটভাটা থেকে নিয়মিত উৎকোচ আদায় করতেন তিনি। এ নিয়ে অতিষ্ঠ হয়ে কুষ্টিয়া কয়লা-ভাটা মালিক সমিতি পরিবেশ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেয়। পরে তাকে সেখান থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে খাগড়াছড়িতে বদলি করা হয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কুষ্টিয়া জেলা কয়লা-ভাটা মালিক সমিতির সভাপতি ও বাংলাদেশ ইটভাটা মালিক সমিতির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হাবলু মোল্লা বলেন, সে বিভিন্ন ভাটা থেকে ৪-৫ লাখ টাকা করে নিয়েছে। খুব ডিস্টার্ব করতো। একজন পিয়ন কীভাবে প্রাইভেটকারে ঘোরে, এত সম্পদ করে, সেটা তদন্ত হওয়া দরকার। তার যন্ত্রণায় ভাটা মালিকরা অতিষ্ঠ ছিল।

সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী, সরকারের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী ব্যবসায় জড়িত হতে পারেন না। অথচ সেলিম মাহমুদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠলেও এ বিষয়ে কোনো অনুমতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

সেলিম মাহমুদের সাথে এসকল বক্তব্য চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ ব্যাপারে সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি প্রফেসর ইন্তাজ উদ্দিন বলেন, ১৫-১৬ বছর আগে ১৯ তম গ্ৰেডে চাকরি করে ১০-২০ হাজার টাকা বেতনে এত সম্পদ বৈধভাবে করা সম্ভব না। এই বেতনে সচ্ছল ভাবে চলাইতো কষ্ট। সেই সাথে পরিবেশ অধিদপ্তরের ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী সে।

তিনি আরও বলেন, সে একা এই কাজ করতে পারেনি। তার বস তাকে দিয়ে এই কাজ করিয়েছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে সে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়েছে আর সেখান থেকে তার বসদের কিছু দিয়ে বড় অংশ নিজে রেখে দিয়েছে। তার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হোক এবং উপযুক্ত বিচারের দাবি জানাই।

আরও পড়ুন

এ বিষয়ে খাগড়াছড়ি পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হাসান আহম্মদ বলেন, তিনি কয়েক মাস আগে এখানে যোগদান করেছেন। তার আগের বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানি না। সরকারি চাকরিজীবী হয়ে ব্যবসা করতে হলে তো অনুমতি লাগে, তবে এমন কোনো অনুমতির তথ্য আমার জানা নেই।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, ১৯তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর পক্ষে কয়েক বছরে কোটি টাকার সম্পদ, বিলাসবহুল ব্যবসা ও ব্যক্তিগত গাড়ির মালিক হওয়া কীভাবে সম্ভব? সেলিম মাহমুদের সম্পদের উৎস, ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
দেশটিতে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১ লাখ ছাড়িয়েছে।
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
আলো আর সুরের মায়াজালে জীবন্ত হয়ে উঠল প্রাচীন সমাধি
একটি পাহাড়ি টিলা, যেখানে ভেসে উঠে নানা নকশা, ছুটে চলা হরিণের অবয়ব আর রঙ্গিন আলোর খেলা। আর তা দেখেই অবাক দর্শকরা, অনেকেই আবার ব্যস্ত হয়ে পড়লেন ছবি তুলতে।
আলো আর সুরের মায়াজালে জীবন্ত হয়ে উঠল প্রাচীন সমাধি
যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দামে রেকর্ড; স্টেশনের ডিসপ্লেতেই জায়গা হচ্ছে না সংখ্যার! 
ডিজেলের দাম এতটাই বেড়েছে যে, পাম্পের ডিজিটাল ডিসপ্লেতেই আর বাড়তি দাম দেখানোর জায়গা নেই কোনো! ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রেও হু হু করে বাড়ছে জ্বালানির দাম।
যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দামে রেকর্ড; স্টেশনের ডিসপ্লেতেই জায়গা হচ্ছে না সংখ্যার! 
তেল নয়, এবার মদিনার মাটির নিচে মিলল মূল্যবান খনিজ
তেলের দেশ হিসেবেই বিশ্বজুড়ে পরিচিত সৌদি আরব। কিন্তু এবার সেই সৌদির মাটির নিচে মিলেছে আরেক বিশাল সম্পদ। আর জায়গাটিও বেশ পরিচিত—পবিত্র দিনা অঞ্চল। সেখানে প্রায় ১১০ মিলিয়ন টন আকরিক সম্পদের সন্ধান পাওয়ার কথা জানিয়েছে দেশটি। যার মধ্যে রয়েছে মূল্যবান বিরল মৃত্তিকা খনিজ, সঙ্গে ইউরেনিয়ামের আশাব্যঞ্জক উপস্থিতি। সৌদি জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন সালমান জানিয়েছেন, মদিনা অঞ্চলের জাবাল সাইদ প্রকল্পে অনুসন্ধান ও ভূতাত্ত্বিক গবেষণায় এই খনিজ সম্পদের সন্ধান মিলেছে। ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার সাধারণ সম্মেলনে তিনি জানান, এখানে উচ্চ ঘনত্বের বিরল মৃত্তিকা খনিজের পাশাপাশি রয়েছে আশাব্যঞ্জক মাত্রায় ইউরেনিয়াম। নামটা ‘বিরল মৃত্তিকা’ হলেও আধুনিক বিশ্বে এসব খনিজের গুরুত্ব অনেক। বৈদ্যুতিক গাড়ি, স্মার্টফোন, শক্তিশালী চুম্বক, বায়ু বিদ্যুৎ থেকে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি—বিভিন্ন ক্ষেত্রেই প্রয়োজন হয় এসব উপাদানের। আর ইউরেনিয়াম ব্যবহৃত হয় পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি হিসেবে। জাবাল সাইদে ডিসপ্রোসিয়াম ও টারবিয়ামের মতো প্রায় ৫ লাখ ৫২ হাজার টন ভারী বিরল মৃত্তিকা খনিজ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিওডিমিয়াম ও প্রেসিওডিমিয়ামের মতো হালকা বিরল মৃত্তিকা খনিজের পরিমাণ প্রায় ৩ লাখ ৫৫ হাজার টন। একই এলাকায় প্রায় ৩১ হাজার টন ইউরেনিয়ামের মজুত থাকার কথাও উঠে এসেছে বিশ্লেষণে। এই আবিষ্কার সামনে এলো এমন সময়ে, যখন তেলের বাইরেও অর্থনীতির নতুন ক্ষেত্র তৈরিতে খনিজ সম্পদের দিকে নজর বাড়াচ্ছে সৌদি আরব। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত খনি কোম্পানি মা'আদেন গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উত্তোলন ও প্রক্রিয়াকরণে বাড়াচ্ছে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতাও এগিয়েছে। সৌদি ও মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রীর মধ্যে হওয়া চুক্তি দীর্ঘমেয়াদি পারমাণবিক সহযোগিতার ভিত্তি তৈরি করেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন জ্বালানি দপ্তর। তেল এতদিন সৌদি আরবের সম্পদের সবচেয়ে বড় পরিচয়। এবার মদিনার জাবাল সাইদের মাটির নিচে পাওয়া বিরল খনিজ ও ইউরেনিয়ামের সম্ভাবনা সেই পরিচয়ে যোগ করতে পারে নতুন এক অধ্যায়।  আরটিভি/ এসকেডি  
তেল নয়, এবার মদিনার মাটির নিচে মিলল মূল্যবান খনিজ
প্রায় ২শ’ বছর পরও দাঁড়িয়ে জমিদারদের মসজিদ-পুকুরঘাট
ভাঙা দেয়াল, খসে পড়া পলেস্তারা আর সময়ের ক্ষয়ে জীর্ণ হয়ে যাওয়া ভবন। দেখে এখন হয়তো বোঝার উপায় নেই, একসময় এখানেই ছিল জমিদারদের প্রভাব আর জৌলুশ। সেই সময় পেরিয়েছে বহু আগেই। তবে প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ, পুরোনো মসজিদ, বাঁধানো পুকুরঘাট আর পারিবারিক কবরস্থান এখনো ধরে রেখেছে সেই ইতিহাসের কিছু চিহ্ন। চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরের রূপসা গ্রাম। এখানেই রয়েছে ঐতিহ্যবাহী রূপসা জমিদারবাড়ি। মূল প্রাসাদের অনেক অংশ এখন আর অক্ষত নেই। তবে টিকে থাকা বিভিন্ন স্থাপনা দেখতে এখনো এখানে আসেন দর্শনার্থীরা। জমিদারবাড়ির ইতিহাস নিয়েও রয়েছে আগ্রহ। ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের তথ্যে মোহাম্মদ গাজী ও তাঁর উত্তরসূরি আহমেদ গাজী চৌধুরীর নাম পাওয়া যায়। তবে স্থানীয় ইতিহাসভিত্তিক বিভিন্ন সূত্রে প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ও নাম নিয়ে কিছুটা ভিন্ন তথ্যও রয়েছে। এখানকার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পুরোনো মসজিদ। স্থানীয় সংবাদসূত্রে এটি ‘মসজিদে নূর’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সূত্রের দাবি, মসজিদটি প্রায় দুই শতাব্দীর পুরোনো এবং ১২৮৪ বঙ্গাব্দে জমিদার মোহাম্মদ গাজী চৌধুরী এটি নির্মাণ করেন।  মসজিদের পাশেই রয়েছে জমিদার পরিবারের কবরস্থান। পুরোনো কবর ও ফলকে এখনো পাওয়া যায় পরিবারের কয়েক প্রজন্মের স্মৃতি। কাছেই রয়েছে বাঁধানো পুকুরঘাট, যা জমিদারি আমলের জীবনযাত্রার আরেকটি চিহ্ন। সময়ের সঙ্গে রূপসা জমিদারবাড়ির অনেক স্থাপনাই ক্ষয়ে যাচ্ছে। কোথাও দেয়াল ভেঙেছে, কোথাও হারিয়ে যাচ্ছে পুরোনো কাঠামোর চিহ্ন। ফলে ঐতিহাসিক এই স্থাপনা সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তাও সামনে আসছে। জমিদার নেই, নেই সেই সময়ের জৌলুশও। পড়ে আছে শুধু কিছু ভবন, মসজিদ, পুকুরঘাট আর কবরস্থান। সময়ের সঙ্গে এগুলোও হারিয়ে গেলে হারিয়ে যাবে রূপসার ইতিহাসের দৃশ্যমান একটি অধ্যায়।  আরটিভি/ এসিকেডি  
প্রায় ২শ’ বছর পরও দাঁড়িয়ে জমিদারদের মসজিদ-পুকুরঘাট
আরও পড়ুন
শ্বশুরবাড়ির ১৩ লাখ টাকার সোনা নিয়ে পালালেন ঘরজামাই, অতঃপর...
ব্যাটারি চুরি করতে গিয়ে শ্বশুরের কাছে ধরা খেলেন জামাতা, অতঃপর...
মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে ককটেল বিস্ফোরণ
নিষিদ্ধ যুবলীগের মিছিলের ভিডিও ভাইরাল, স্থান-কাল জানে না পুলিশ