ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

নরসিংদীর চরাঞ্চলে বাড়ছে চিনাবাদাম চাষ, লাভে হাসি কৃষকের মুখে

মো. মোর্শেদ শাহরিয়ার (নরসিংদী), আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম
ছবি: আরটিভি

নরসিংদীর চরাঞ্চলে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে চিনাবাদাম চাষ। স্বল্প খরচে অধিক ফলন, কম ঝুঁকি এবং বাজারে ভালো দামের কারণে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে এই ফসলে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বাদামের গুণগত মান ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন জেলায়ও এর চাহিদা বাড়ছে।

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল এখন যেন সবুজের এক অপার সমারোহ। যতদূর চোখ যায়, শুধু চিনাবাদামের ক্ষেত— বাতাসে দুলছে সবুজ গাছ, আর সেই সঙ্গে দুলছে কৃষকদের স্বপ্নও।

এক সময় অনাবাদি পড়ে থাকা এসব চরাঞ্চল এখন হয়ে উঠেছে কৃষির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। বিশেষ করে রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষ্যা ইউনিয়নের হরিপুর পূর্বের চর এলাকায় দিন দিন বাড়ছে বাদামের আবাদ।

বিঘাপ্রতি মাত্র ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ করে কৃষকরা ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকার উৎপাদনের আশা করছেন। অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে বীজ রোপণ করে বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে ফসল ঘরে তুলছেন তারা।

আরও পড়ুন

চরাঞ্চলের উর্বর বালুমাটিতে উৎপাদিত বাদামের স্বাদ ও মান ভালো হওয়ায় স্থানীয় বাজারেই পাইকাররা এসে কিনে নিচ্ছেন এসব পণ্য। পরে তা দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে।

শুধু তাই নয়, বাদাম চাষ শেষে একই জমিতে আবার অন্য ফসল আবাদ করা সম্ভব হওয়ায় জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হচ্ছে। এতে কৃষকদের লাভের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে। তবে কৃষি অধিদপ্তরের পরামর্শ পেলে উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে বলে জানাচ্ছেন এখানকার কৃষকরা।

কৃষি বিভাগ বলছে, আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত বীজ এবং নিয়মিত কৃষি পরামর্শ পেলে এই অঞ্চলে চিনাবাদাম উৎপাদন আরও কয়েকগুণ বাড়ানো সম্ভব।

নদীভাঙনপ্রবণ চরাঞ্চলের এই চিনাবাদাম চাষ এখন নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। সঠিক পরিকল্পনা ও সরকারি সহায়তা পেলে এটি হতে পারে নরসিংদীর অর্থনীতির অন্যতম শক্তিশালী খাত।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাধুসঙ্গে নিজেকে ও অজানাকে জানছেন লালন ভক্তরা
‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’ আধ্যাত্মিক এই বাণীকে সামনে নিয়ে একতারা, দোতারা আর ঢোল বাশির সুরে প্রকম্পিত হয়ে উঠেছে লালন ফকিরের ভবের হাট। 
সাধুসঙ্গে নিজেকে ও অজানাকে জানছেন লালন ভক্তরা
নজর কাড়ছে ৪০ কেজি শস্যদানার দুর্গাপ্রতিমা
দূর থেকে মনে হচ্ছে যেন সোনালি চাদরে মোড়ানো দেবী দুর্গা। কিন্তু একি কাছে যেতেই পুরো ভিন্ন চিত্র। এ কোনো আবরণ নয় প্রতিমার পুরো শরীরজুড়ে রয়েছে ছোট ছোট শস্যদানা, তাও আবার সেটি নাকি মানুষের নয় পরিচিত পাখির খাবার হিসেবেই। যা আবার ফলে বিদেশের মাটিতে। ব্যতিক্রমী এই প্রতিমা তৈরি করে নজির গড়েছেন নাটোরের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। 
নজর কাড়ছে ৪০ কেজি শস্যদানার দুর্গাপ্রতিমা
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
বাবা, এক বটবৃক্ষের নাম। সন্তানের সবরকম ভাল থাকার উৎস, সেটিই যেন আবারও প্রমাণিত এই বাচ্চাদের কণ্ঠে। চারদিকে যখন বিরাজ করছে পূজার আমেজ তখন এই কোমলমতি শিশুদের চোখে পানি, আর কণ্ঠে আক্ষেপ। এ বছর যেন উৎসবের দিনগুলোতে নতুন জামার চেয়েও বড় অভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের বাবা। তাই আনন্দের সময়ও যেন থামছেই না তাদের কান্না।
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
ভিডিওর এই শিশুরা সবাই প্রাথমিকের শিক্ষার্থী। যাদের এখন সহপাঠীদের সাথে ছুটোছুটি করার কথা বিদ্যালয়ের মাঠে। অথচ পানি জমে থাকায় তারা পারছে না খেলতে, কেউ আবার যেতে পারে না টয়লেটেও। আবার পানি পেরিয়ে ক্লাসে যেতে গিয়ে ভিজে যায় কারও পোশাক। বই-খাতায় লেগে যায় কাদা। অভিযোগের যেন শেষ নেই কোমলমতি এই শিশুদের। 
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
হরমুজ সংকটে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠেছিল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর। কিন্তু সেই পথও এখন রয়েছে হামলার ঝুঁকিতে। হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই তেলবন্দর রক্ষায় এবার সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। শুধু সেনা নয়, সঙ্গে যাচ্ছে রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।  মাখোঁ জানান, ইয়ানবু রক্ষায় সৌদি আরবের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করেছে ফ্রান্স। সেই চুক্তির আওতায় সেখানে পাঠানো হবে ফরাসি সেনাসদস্য, রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। তবে মাখোঁ একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। ফরাসি সেনাদের পাঠানো হচ্ছে ইয়ানবু রক্ষার জন্য, চলমান সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার জন্য নয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সৌদি আরবের একটি বন্দর রক্ষায়  কেন সেনা পাঠাতে হচ্ছে ফ্রান্সকে? এর পেছনে বড় কারণ হরমুজ প্রণালির চলমান সংকট। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পর বিকল্প পথ হিসেবে ইয়ানবুর গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল নিয়ে যাওয়া হয় লোহিত সাগরের এই বন্দরে। সেখান থেকে হরমুজ এড়িয়ে সরাসরি তেল পাঠানো সম্ভব আন্তর্জাতিক বাজারে। কিন্তু সম্প্রতি সেই ব্যবস্থাও খেয়েছে বড় ধাক্কা। ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষও ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকার দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। এর আগে ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের তিনটি পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে ইয়ানবু দিয়ে তেল রপ্তানিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে পাইপলাইনটি আবার চালু করা হয়েছে সীমিত পরিসরে।  ফলে ইয়ানবুর নিরাপত্তা এখন শুধু সৌদি আরবের বিষয় নয়। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রেও বন্দরটির গুরুত্ব বেড়েছে বন্দরটির। আর ফ্রান্সও অনুভব করছে জ্বালানি সংকটের চাপ। মাখোঁ বলেন, আগামী শীতের জন্য ফ্রান্সে পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাসের মজুত রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে তাঁর সরকার। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার কথা বিবেচনা করছে। এমন খবর সত্য হলে তার ফল বিশ্ব ও মার্কিন অর্থনীতির জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। যদিও হোয়াইট হাউস অস্বীকার করেছে এমন কোনো পরিকল্পনার কথা। আরটিভি/এআর 
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
আরও পড়ুন
পূজার ছুটি শেষে বাসায় ফিরে হতভম্ব সুখন
নরসিংদীতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৫
বাংলাদেশি আদর্শ নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
নরসিংদীতে শিয়ালের কামড়ে আহত ১০