ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

শয়তানের সাগর! যেখানে ঢুকলে আর ফিরে আসে না কেউ!

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম

জাহাজ থেকে বিমান, সবকিছুই নাকি গায়েব হয়ে যায় সমুদ্রের একটি অঞ্চলে। যে পথে প্রবেশ করলে আর ফিরে আসে না অনেক জাহাজ। উধাও হয়ে যায় উড়ন্ত বিমানও। না এটা বারমুডা ট্রায়ঙ্গেল না। কেউ বলেন, সেখানে বাস করে অশুভ শক্তি। কেউ আবার দাবি করেন, সমুদ্রের গভীরে লুকিয়ে আছে রহস্যময় ড্রাগন। আর তাই এই এলাকাকে অনেকে ডাকেন ‘ডেভিল সি’ নামে। কিন্তু সত্যিই কি এমন কিছু রয়েছে? নাকি কয়েক দশক ধরে ছড়িয়ে পড়া ভয় ও গুজবই তৈরি করেছে এই রহস্য?

বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের নাম অনেকেই শুনেছেন। তবে জাপানের দক্ষিণে প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে রয়েছে আরেক রহস্যময় অঞ্চল। টোকিও থেকে খুব বেশি দূরে নয়, মিয়াকে দ্বীপের আশপাশের বিস্তীর্ণ জলরাশিকে ঘিরেই জন্ম নিয়েছে এই রহস্যের গল্প। অনেকের কাছে এটি এশিয়ার বারমুডা ট্রায়াঙ্গল হিসেবেও পরিচিত।

পঞ্চাশের দশক থেকে একের পর এক জাহাজ নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি প্রচার হতে থাকে, কয়েকশ সৈন্যসহ একাধিক জাহাজের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ও নাকি বহু বিমান, যুদ্ধজাহাজ ও নৌযান এই অঞ্চলে হারিয়ে গিয়েছিল। এসব ঘটনার পর মানুষের মনে ভয় আরও গভীর হতে থাকে।

আরও পড়ুন

রহস্য উদঘাটনের জন্য জাপান থেকে কায়ো মারু নামের একটি গবেষণা জাহাজ পাঠানো হয়েছিল বলেও বহু বছর ধরে প্রচলিত রয়েছে। পরে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, সেই জাহাজে থাকা বিজ্ঞানীরাও আর ফিরে আসেননি। এমনকি ৩১ জন বিজ্ঞানী নিখোঁজ হওয়ার গল্পও মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে। আর সেখান থেকেই অনেকে বিশ্বাস করতে শুরু করেন, সমুদ্রের গভীরে হয়তো কোনো রহস্যময় শক্তি বা ড্রাগনের অস্তিত্ব রয়েছে।

শুধু তাই নয়, কয়েকশ বছর পুরোনো নানা কিংবদন্তিও জড়িয়ে যায় এই সমুদ্রকে ঘিরে। কেউ দাবি করেন, কুবলাই খাঁর বিশাল নৌবহর এখানেই হারিয়ে গিয়েছিল। আবার কেউ রহস্যময় এক নারীর কথাও বলে থাকেন, যাকে নাকি সেই এলাকায় জাহাজ চালাতে দেখা গিয়েছিল। সময়ের সঙ্গে এসব গল্প আরও রহস্যময় রূপ নিতে থাকে।

তবে সব গল্পের পেছনে যে অতিপ্রাকৃত কোনো শক্তি রয়েছে, তা মানতে রাজি নন গবেষকরা। লেখক ল্যারি কুশে পুরোনো নথিপত্র ঘেঁটে দেখতে পান, প্রচলিত অনেক তথ্যেরই নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। তাঁর মতে, বিশাল যুদ্ধজাহাজ নয়, বরং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ছোট মাছ ধরার নৌকা দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল।

বিজ্ঞানীদের একাংশের মতে, এই অঞ্চলে সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে। ভূমিকম্পও হয় প্রায়ই। সমুদ্রের তলদেশে রয়েছে গভীর খাদ। প্রচুর গরম লাভা ও কার্বন ডাই-অক্সাইডও পাওয়া গেছে সেখানে। ফলে হঠাৎ পরিবেশ বদলে যাওয়া বা দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা অস্বাভাবিক নয়। আর পঞ্চাশের দশকে রেডিও যোগাযোগ ব্যবস্থা তেমন শক্তিশালী না হওয়ায় অনেক ঘটনাই পরে রহস্যে পরিণত হয়।

কেউ চৌম্বকীয় শক্তির কথা বলেছেন। কেউ আবার ইউএফও বা ভিনগ্রহের প্রাণীর গল্পও ছড়িয়েছেন। কিন্তু এসব দাবির পক্ষে আজও শক্ত কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
বাবা, এক বটবৃক্ষের নাম। সন্তানের সবরকম ভাল থাকার উৎস, সেটিই যেন আবারও প্রমাণিত এই বাচ্চাদের কণ্ঠে। চারদিকে যখন বিরাজ করছে পূজার আমেজ তখন এই কোমলমতি শিশুদের চোখে পানি, আর কণ্ঠে আক্ষেপ। এ বছর যেন উৎসবের দিনগুলোতে নতুন জামার চেয়েও বড় অভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের বাবা। তাই আনন্দের সময়ও যেন থামছেই না তাদের কান্না।
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
ভিডিওর এই শিশুরা সবাই প্রাথমিকের শিক্ষার্থী। যাদের এখন সহপাঠীদের সাথে ছুটোছুটি করার কথা বিদ্যালয়ের মাঠে। অথচ পানি জমে থাকায় তারা পারছে না খেলতে, কেউ আবার যেতে পারে না টয়লেটেও। আবার পানি পেরিয়ে ক্লাসে যেতে গিয়ে ভিজে যায় কারও পোশাক। বই-খাতায় লেগে যায় কাদা। অভিযোগের যেন শেষ নেই কোমলমতি এই শিশুদের। 
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
হরমুজ সংকটে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠেছিল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর। কিন্তু সেই পথও এখন রয়েছে হামলার ঝুঁকিতে। হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই তেলবন্দর রক্ষায় এবার সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। শুধু সেনা নয়, সঙ্গে যাচ্ছে রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।  মাখোঁ জানান, ইয়ানবু রক্ষায় সৌদি আরবের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করেছে ফ্রান্স। সেই চুক্তির আওতায় সেখানে পাঠানো হবে ফরাসি সেনাসদস্য, রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। তবে মাখোঁ একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। ফরাসি সেনাদের পাঠানো হচ্ছে ইয়ানবু রক্ষার জন্য, চলমান সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার জন্য নয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সৌদি আরবের একটি বন্দর রক্ষায়  কেন সেনা পাঠাতে হচ্ছে ফ্রান্সকে? এর পেছনে বড় কারণ হরমুজ প্রণালির চলমান সংকট। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পর বিকল্প পথ হিসেবে ইয়ানবুর গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল নিয়ে যাওয়া হয় লোহিত সাগরের এই বন্দরে। সেখান থেকে হরমুজ এড়িয়ে সরাসরি তেল পাঠানো সম্ভব আন্তর্জাতিক বাজারে। কিন্তু সম্প্রতি সেই ব্যবস্থাও খেয়েছে বড় ধাক্কা। ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষও ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকার দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। এর আগে ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের তিনটি পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে ইয়ানবু দিয়ে তেল রপ্তানিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে পাইপলাইনটি আবার চালু করা হয়েছে সীমিত পরিসরে।  ফলে ইয়ানবুর নিরাপত্তা এখন শুধু সৌদি আরবের বিষয় নয়। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রেও বন্দরটির গুরুত্ব বেড়েছে বন্দরটির। আর ফ্রান্সও অনুভব করছে জ্বালানি সংকটের চাপ। মাখোঁ বলেন, আগামী শীতের জন্য ফ্রান্সে পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাসের মজুত রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে তাঁর সরকার। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার কথা বিবেচনা করছে। এমন খবর সত্য হলে তার ফল বিশ্ব ও মার্কিন অর্থনীতির জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। যদিও হোয়াইট হাউস অস্বীকার করেছে এমন কোনো পরিকল্পনার কথা। আরটিভি/এআর 
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
আধুনিকতার ছোঁয়া লাগার আগে বরেন্দ্রভূমির মেঠোপথগুলো কেমন ছিল? সন্ধ্যা নামলেই চারপাশের খাঁ-খাঁ নীরবতা, বন্যপ্রাণীর ভয় আর ডাকাতের উপদ্রব— এমন এক অনিশ্চিত সময়ে ক্লান্ত পথিকের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিল একটি অনন্য মানবিক উদ্যোগ। প্রায় ১২ যুগ বা ১১৮ বছর ধরে নওগাঁর পোরশার ঐতিহাসিক ‘মুসাফিরখানা’ সেই মানবতার ঐতিহ্যকে পরম যত্নে টিকিয়ে রেখেছে। নিজ সম্পত্তির উপার্জনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবারের এমন দৃষ্টান্ত আধুনিক সমাজেও এক বিরল মানবসেবার বার্তা দেয়।
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
দেশটিতে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১ লাখ ছাড়িয়েছে।
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
আরও পড়ুন
বঙ্গোপসাগরে নতুন লঘুচাপের আভাস, আগামী ৫ দিন যেমন থাকবে আবহাওয়া
১০ মাসের বেশি সমুদ্রে, ঘরে ফিরল মার্কিন রণতরির নাবিকেরা
ভূমধ্যসাগরে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই, উদ্ধার হওয়া ১১১ বাংলাদেশি এখন মিশরে
ছয় আরোহীসহ নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ মিলল আটলান্টিকে