ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

শয়তানের সাগর! যেখানে ঢুকলে আর ফিরে আসে না কেউ!

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম

জাহাজ থেকে বিমান, সবকিছুই নাকি গায়েব হয়ে যায় সমুদ্রের একটি অঞ্চলে। যে পথে প্রবেশ করলে আর ফিরে আসে না অনেক জাহাজ। উধাও হয়ে যায় উড়ন্ত বিমানও। না এটা বারমুডা ট্রায়ঙ্গেল না। কেউ বলেন, সেখানে বাস করে অশুভ শক্তি। কেউ আবার দাবি করেন, সমুদ্রের গভীরে লুকিয়ে আছে রহস্যময় ড্রাগন। আর তাই এই এলাকাকে অনেকে ডাকেন ‘ডেভিল সি’ নামে। কিন্তু সত্যিই কি এমন কিছু রয়েছে? নাকি কয়েক দশক ধরে ছড়িয়ে পড়া ভয় ও গুজবই তৈরি করেছে এই রহস্য?

বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের নাম অনেকেই শুনেছেন। তবে জাপানের দক্ষিণে প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে রয়েছে আরেক রহস্যময় অঞ্চল। টোকিও থেকে খুব বেশি দূরে নয়, মিয়াকে দ্বীপের আশপাশের বিস্তীর্ণ জলরাশিকে ঘিরেই জন্ম নিয়েছে এই রহস্যের গল্প। অনেকের কাছে এটি এশিয়ার বারমুডা ট্রায়াঙ্গল হিসেবেও পরিচিত।

পঞ্চাশের দশক থেকে একের পর এক জাহাজ নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি প্রচার হতে থাকে, কয়েকশ সৈন্যসহ একাধিক জাহাজের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ও নাকি বহু বিমান, যুদ্ধজাহাজ ও নৌযান এই অঞ্চলে হারিয়ে গিয়েছিল। এসব ঘটনার পর মানুষের মনে ভয় আরও গভীর হতে থাকে।

আরও পড়ুন

রহস্য উদঘাটনের জন্য জাপান থেকে কায়ো মারু নামের একটি গবেষণা জাহাজ পাঠানো হয়েছিল বলেও বহু বছর ধরে প্রচলিত রয়েছে। পরে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, সেই জাহাজে থাকা বিজ্ঞানীরাও আর ফিরে আসেননি। এমনকি ৩১ জন বিজ্ঞানী নিখোঁজ হওয়ার গল্পও মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে। আর সেখান থেকেই অনেকে বিশ্বাস করতে শুরু করেন, সমুদ্রের গভীরে হয়তো কোনো রহস্যময় শক্তি বা ড্রাগনের অস্তিত্ব রয়েছে।

শুধু তাই নয়, কয়েকশ বছর পুরোনো নানা কিংবদন্তিও জড়িয়ে যায় এই সমুদ্রকে ঘিরে। কেউ দাবি করেন, কুবলাই খাঁর বিশাল নৌবহর এখানেই হারিয়ে গিয়েছিল। আবার কেউ রহস্যময় এক নারীর কথাও বলে থাকেন, যাকে নাকি সেই এলাকায় জাহাজ চালাতে দেখা গিয়েছিল। সময়ের সঙ্গে এসব গল্প আরও রহস্যময় রূপ নিতে থাকে।

তবে সব গল্পের পেছনে যে অতিপ্রাকৃত কোনো শক্তি রয়েছে, তা মানতে রাজি নন গবেষকরা। লেখক ল্যারি কুশে পুরোনো নথিপত্র ঘেঁটে দেখতে পান, প্রচলিত অনেক তথ্যেরই নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। তাঁর মতে, বিশাল যুদ্ধজাহাজ নয়, বরং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ছোট মাছ ধরার নৌকা দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল।

বিজ্ঞানীদের একাংশের মতে, এই অঞ্চলে সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে। ভূমিকম্পও হয় প্রায়ই। সমুদ্রের তলদেশে রয়েছে গভীর খাদ। প্রচুর গরম লাভা ও কার্বন ডাই-অক্সাইডও পাওয়া গেছে সেখানে। ফলে হঠাৎ পরিবেশ বদলে যাওয়া বা দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা অস্বাভাবিক নয়। আর পঞ্চাশের দশকে রেডিও যোগাযোগ ব্যবস্থা তেমন শক্তিশালী না হওয়ায় অনেক ঘটনাই পরে রহস্যে পরিণত হয়।

কেউ চৌম্বকীয় শক্তির কথা বলেছেন। কেউ আবার ইউএফও বা ভিনগ্রহের প্রাণীর গল্পও ছড়িয়েছেন। কিন্তু এসব দাবির পক্ষে আজও শক্ত কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
উলশী-যদুনাথপুর প্রকল্পের ৫০ বছর: স্বেচ্ছাশ্রমে গ্রামীণ উন্নয়নের ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত
দেশের গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে জনসম্পৃক্ততার এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত উলশী-যদুনাথপুর খাল খনন প্রকল্পের ৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। ১৯৭৬ সালের এই দিনে যশোরের শার্শা উপজেলায় তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান খনন কাজের উদ্বোধন করেন।
উলশী-যদুনাথপুর প্রকল্পের ৫০ বছর: স্বেচ্ছাশ্রমে গ্রামীণ উন্নয়নের ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত
শব্দদূষণের নতুন ৪ উৎস শনাক্ত
পরিবেশ অধিদপ্তর শব্দদূষণের নতুন চারটি উৎস শনাক্ত করেছে। এসব উৎস থেকে অতিরিক্ত বা অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দ সৃষ্টি হলে, তা মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
শব্দদূষণের নতুন ৪ উৎস শনাক্ত
সাধুসঙ্গে নিজেকে ও অজানাকে জানছেন লালন ভক্তরা
‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’ আধ্যাত্মিক এই বাণীকে সামনে নিয়ে একতারা, দোতারা আর ঢোল বাশির সুরে প্রকম্পিত হয়ে উঠেছে লালন ফকিরের ভবের হাট। 
সাধুসঙ্গে নিজেকে ও অজানাকে জানছেন লালন ভক্তরা
নজর কাড়ছে ৪০ কেজি শস্যদানার দুর্গাপ্রতিমা
দূর থেকে মনে হচ্ছে যেন সোনালি চাদরে মোড়ানো দেবী দুর্গা। কিন্তু একি কাছে যেতেই পুরো ভিন্ন চিত্র। এ কোনো আবরণ নয় প্রতিমার পুরো শরীরজুড়ে রয়েছে ছোট ছোট শস্যদানা, তাও আবার সেটি নাকি মানুষের নয় পরিচিত পাখির খাবার হিসেবেই। যা আবার ফলে বিদেশের মাটিতে। ব্যতিক্রমী এই প্রতিমা তৈরি করে নজির গড়েছেন নাটোরের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। 
নজর কাড়ছে ৪০ কেজি শস্যদানার দুর্গাপ্রতিমা
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
বাবা, এক বটবৃক্ষের নাম। সন্তানের সবরকম ভাল থাকার উৎস, সেটিই যেন আবারও প্রমাণিত এই বাচ্চাদের কণ্ঠে। চারদিকে যখন বিরাজ করছে পূজার আমেজ তখন এই কোমলমতি শিশুদের চোখে পানি, আর কণ্ঠে আক্ষেপ। এ বছর যেন উৎসবের দিনগুলোতে নতুন জামার চেয়েও বড় অভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের বাবা। তাই আনন্দের সময়ও যেন থামছেই না তাদের কান্না।
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
আরও পড়ুন
শক্তি বেড়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিল ‘মুরাসু’, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়
বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড়, বিপদে যেসব অঞ্চল
বঙ্গোপসাগরে শক্তি সঞ্চয় করছে নতুন নিম্নচাপ, আবারও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা
বঙ্গোপসাগরে আবারও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়