ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

শপিং মলে ধান চাষ করছেন মানুষ!

সুপ্তি রায়, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৫ পিএম

বড় বড় শপিং মলে গেলে সাধারণত চোখ আটকে যায় পোশাক, প্রসাধনী বা খাবারের দোকানে। এটিই তো স্বাভাবিক তাই না! কিন্তু সেই শপিং মলের ভেতরেই যদি দেখা যায় হাঁটুসমান কাদায় নেমে ধান লাগাচ্ছেন শত শত মানুষ। তাহলে নিশ্চয়ই অবাক হবেন অনেকে। আর সেই ধানক্ষেতের পাশে বসে কেউ আবার খড়ের টুপি পরে ছবি তুলছে। এমন দৃশ্য অবিশ্বাস্য মনে হলেও, ঠিক এমনটাই ঘটেছে। আর সেখানে ধান লাগানোর অভিজ্ঞতা নিতে ভিড় জমিয়েছেন এক হাজারেরও বেশি মানুষ।

চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের নিংবো শহরের একটি শপিং মলের প্রথম তলায় অস্থায়ীভাবে তৈরি করা হয় ছোট্ট একটি ধানক্ষেত। আর সেই কৃত্রিম ধানক্ষেতেই চলছে ধান রোপণ প্রতিযোগিতা। শিশু থেকে শুরু করে তরুণ, এমনকি পরিবারের সদস্যদের নিয়েও অংশ নিচ্ছেন অনেকে।

সেই অভিজ্ঞতায় অংশ নিতে সুঝৌ থেকে প্রায় তিন ঘণ্টার ট্রেন ভ্রমণ করে এসেছেন এই তরুণ। তার কাছে এই আয়োজন যেন শৈশবের স্মৃতিতে ফিরে যাওয়ার সুযোগ। ছোটবেলায় দাদির সঙ্গে ধান লাগানোর যে আনন্দ তিনি পেয়েছিলেন, বহু বছর পর আবার যেন সেই অনুভূতিই ফিরে এসেছে তার জীবনে।

শুধু পুরোনো স্মৃতিকে ফিরিয়ে আনা নয়, নতুন প্রজন্মকেও কৃষির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে সন্তানদের নিয়ে এসেছেন অনেক অভিভাবক। আর অনেক শিশুর কাছেই এটি ছিল জীবনের প্রথম ধানক্ষেতে নামার অভিজ্ঞতা। যারা আগে কখনো কাদায় পা রাখেনি, এমনকি ধান আসলে কোথা থেকে আসে, সেটাও জানত না। তারাও এবার নেমেছে কাদায়, হাতে নিয়েছে ধানের চারা, আর কাছ থেকে দেখেছে খাবারের পেছনে লুকিয়ে থাকা কৃষকের পরিশ্রমের গল্প।

আরও পড়ুন

অন্যদিকে কৃষি প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা অনেক তরুণও দেখতে এসেছেন এই ব্যতিক্রমী আয়োজন। তাদের মতে, আধুনিক শহুরে জীবনে এমন অভিজ্ঞতা খুবই বিরল। তাই শপিং মলের ভেতরে ধানক্ষেত তৈরির ধারণাটি তাদের কাছে বেশ অভিনব মনে হয়েছে।

তবে এই আয়োজনের পেছনে রয়েছে আরেকটি উদ্দেশ্য। মল কর্তৃপক্ষ বলছে, এখনকার মানুষ শুধু কেনাকাটা নয়, তারা খুঁজছে এমন কিছুর অভিজ্ঞতা, যা তাদের আবেগ, স্মৃতি ও সামাজিক যোগাযোগের সঙ্গে যুক্ত। সেই চিন্তা থেকেই গেল মার্চ থেকে তারা শুরু করেছে ছোট ছোট কমিউনিটি প্রতিযোগিতার আয়োজন।

এছাড়া জনপ্রিয় চীনা টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘বি আ ফার্মার’ বা ‘কৃষক হও’ থেকেও এসেছে এই আয়োজনের অনুপ্রেরণা। কারণ সেখানে দেশের তরুণদের মধ্যে কৃষি ও গ্রামীণ জীবনের প্রতি নতুন আগ্রহ তৈরি করে। যদিও আজকের দিনে যন্ত্রের দখলে চলে যাওয়া কৃষিকাজ হয়তো আগের মতো আর নেই। কিন্তু এই কাদামাখা ধানক্ষেত যেন মনে করিয়ে দিচ্ছে শপিং মলের মতো কেনাকাটার জায়গাতেও ফিরে আসছে মাটির গন্ধ আর হারিয়ে যাওয়া শৈশব।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
তেল নয়, এবার মদিনার মাটির নিচে মিলল মূল্যবান খনিজ
তেলের দেশ হিসেবেই বিশ্বজুড়ে পরিচিত সৌদি আরব। কিন্তু এবার সেই সৌদির মাটির নিচে মিলেছে আরেক বিশাল সম্পদ। আর জায়গাটিও বেশ পরিচিত—পবিত্র দিনা অঞ্চল। সেখানে প্রায় ১১০ মিলিয়ন টন আকরিক সম্পদের সন্ধান পাওয়ার কথা জানিয়েছে দেশটি। যার মধ্যে রয়েছে মূল্যবান বিরল মৃত্তিকা খনিজ, সঙ্গে ইউরেনিয়ামের আশাব্যঞ্জক উপস্থিতি। সৌদি জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন সালমান জানিয়েছেন, মদিনা অঞ্চলের জাবাল সাইদ প্রকল্পে অনুসন্ধান ও ভূতাত্ত্বিক গবেষণায় এই খনিজ সম্পদের সন্ধান মিলেছে। ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার সাধারণ সম্মেলনে তিনি জানান, এখানে উচ্চ ঘনত্বের বিরল মৃত্তিকা খনিজের পাশাপাশি রয়েছে আশাব্যঞ্জক মাত্রায় ইউরেনিয়াম। নামটা ‘বিরল মৃত্তিকা’ হলেও আধুনিক বিশ্বে এসব খনিজের গুরুত্ব অনেক। বৈদ্যুতিক গাড়ি, স্মার্টফোন, শক্তিশালী চুম্বক, বায়ু বিদ্যুৎ থেকে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি—বিভিন্ন ক্ষেত্রেই প্রয়োজন হয় এসব উপাদানের। আর ইউরেনিয়াম ব্যবহৃত হয় পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি হিসেবে। জাবাল সাইদে ডিসপ্রোসিয়াম ও টারবিয়ামের মতো প্রায় ৫ লাখ ৫২ হাজার টন ভারী বিরল মৃত্তিকা খনিজ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিওডিমিয়াম ও প্রেসিওডিমিয়ামের মতো হালকা বিরল মৃত্তিকা খনিজের পরিমাণ প্রায় ৩ লাখ ৫৫ হাজার টন। একই এলাকায় প্রায় ৩১ হাজার টন ইউরেনিয়ামের মজুত থাকার কথাও উঠে এসেছে বিশ্লেষণে। এই আবিষ্কার সামনে এলো এমন সময়ে, যখন তেলের বাইরেও অর্থনীতির নতুন ক্ষেত্র তৈরিতে খনিজ সম্পদের দিকে নজর বাড়াচ্ছে সৌদি আরব। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত খনি কোম্পানি মা'আদেন গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উত্তোলন ও প্রক্রিয়াকরণে বাড়াচ্ছে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতাও এগিয়েছে। সৌদি ও মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রীর মধ্যে হওয়া চুক্তি দীর্ঘমেয়াদি পারমাণবিক সহযোগিতার ভিত্তি তৈরি করেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন জ্বালানি দপ্তর। তেল এতদিন সৌদি আরবের সম্পদের সবচেয়ে বড় পরিচয়। এবার মদিনার জাবাল সাইদের মাটির নিচে পাওয়া বিরল খনিজ ও ইউরেনিয়ামের সম্ভাবনা সেই পরিচয়ে যোগ করতে পারে নতুন এক অধ্যায়।  আরটিভি/ এসকেডি  
তেল নয়, এবার মদিনার মাটির নিচে মিলল মূল্যবান খনিজ
প্রায় ২শ’ বছর পরও দাঁড়িয়ে জমিদারদের মসজিদ-পুকুরঘাট
ভাঙা দেয়াল, খসে পড়া পলেস্তারা আর সময়ের ক্ষয়ে জীর্ণ হয়ে যাওয়া ভবন। দেখে এখন হয়তো বোঝার উপায় নেই, একসময় এখানেই ছিল জমিদারদের প্রভাব আর জৌলুশ। সেই সময় পেরিয়েছে বহু আগেই। তবে প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ, পুরোনো মসজিদ, বাঁধানো পুকুরঘাট আর পারিবারিক কবরস্থান এখনো ধরে রেখেছে সেই ইতিহাসের কিছু চিহ্ন। চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরের রূপসা গ্রাম। এখানেই রয়েছে ঐতিহ্যবাহী রূপসা জমিদারবাড়ি। মূল প্রাসাদের অনেক অংশ এখন আর অক্ষত নেই। তবে টিকে থাকা বিভিন্ন স্থাপনা দেখতে এখনো এখানে আসেন দর্শনার্থীরা। জমিদারবাড়ির ইতিহাস নিয়েও রয়েছে আগ্রহ। ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের তথ্যে মোহাম্মদ গাজী ও তাঁর উত্তরসূরি আহমেদ গাজী চৌধুরীর নাম পাওয়া যায়। তবে স্থানীয় ইতিহাসভিত্তিক বিভিন্ন সূত্রে প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ও নাম নিয়ে কিছুটা ভিন্ন তথ্যও রয়েছে। এখানকার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পুরোনো মসজিদ। স্থানীয় সংবাদসূত্রে এটি ‘মসজিদে নূর’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সূত্রের দাবি, মসজিদটি প্রায় দুই শতাব্দীর পুরোনো এবং ১২৮৪ বঙ্গাব্দে জমিদার মোহাম্মদ গাজী চৌধুরী এটি নির্মাণ করেন।  মসজিদের পাশেই রয়েছে জমিদার পরিবারের কবরস্থান। পুরোনো কবর ও ফলকে এখনো পাওয়া যায় পরিবারের কয়েক প্রজন্মের স্মৃতি। কাছেই রয়েছে বাঁধানো পুকুরঘাট, যা জমিদারি আমলের জীবনযাত্রার আরেকটি চিহ্ন। সময়ের সঙ্গে রূপসা জমিদারবাড়ির অনেক স্থাপনাই ক্ষয়ে যাচ্ছে। কোথাও দেয়াল ভেঙেছে, কোথাও হারিয়ে যাচ্ছে পুরোনো কাঠামোর চিহ্ন। ফলে ঐতিহাসিক এই স্থাপনা সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তাও সামনে আসছে। জমিদার নেই, নেই সেই সময়ের জৌলুশও। পড়ে আছে শুধু কিছু ভবন, মসজিদ, পুকুরঘাট আর কবরস্থান। সময়ের সঙ্গে এগুলোও হারিয়ে গেলে হারিয়ে যাবে রূপসার ইতিহাসের দৃশ্যমান একটি অধ্যায়।  আরটিভি/ এসিকেডি  
প্রায় ২শ’ বছর পরও দাঁড়িয়ে জমিদারদের মসজিদ-পুকুরঘাট
নিজে ভূমিহীন হয়ে ১৩ বছর ধরে করছেন জমি নিয়েই গবেষণা!
নদী ভাঙ্গনে ভিটে-মাটি হারিয়ে থাকেন ভাড়া বাসায়, সেখানকার দেয়াল সাজিয়েছেন নিজের মতো করে, তবে পছন্দের কোন রঙ কিংবা পারিবারিক ছবিতে নয় পেপার কাটিং দিয়ে, যেখানে রয়েছে জমি নিয়ে খুন, সংঘর্ষ, জালিয়াতি ও বঞ্চনার হাজারো খবর। আর এসবের সমাধান খুঁজতেই সেলিম মিয়া গড়েছেন এই গবেষণাগার।
নিজে ভূমিহীন হয়ে ১৩ বছর ধরে করছেন জমি নিয়েই গবেষণা!
মোবাইলে দুই বছরের প্রেম, বিয়ে করতে চান দুই তরুণী!
২০২২ সালের আদমশুমারির রিপোর্ট অনুযায়ী দেশে নারীদের তুলনায় কমেছে পুরুষের সংখ্যা... এখন যে ঘটনা বলতে যাচ্ছি সেটি কি ঐ সমীক্ষার ফল নাকি সামাজিক সচেতনতার অভাব? পরিচয় মোবাইলে, দূরত্ব প্রায় এক জেলা থেকে আরেক জেলা। তবুও দুই বছর ধরে চলেছে নিয়মিত যোগাযোগ। এখানেই শেষ নয়—তাদের দাবি, মোবাইল ফোনেই নাকি বিয়েও করেছেন তারা! যা ঘিরে এখন তোলপাড় দুই পরিবারের... কারণটা জানলে চোখ কপালে উঠতে পারে অনেকের....   ঘটনাটি মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার টুপিপাড়া গ্রামের। জানা যায়, সামাজিক মাধ্যমে  প্রায় দুই বছর আগে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার ওই তরুণীর সঙ্গে পরিচয় হয় কিশোরীর। একপর্যায়ে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে মাদারীপুরে চলে যায় কিশোরী। পরে শ্রীপুর ও রাজৈর থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। তবে এরপরও সম্প্রতি মাদারীপুরের ঐ তরুণী নিজেই অবস্থান নেন কিশোরীর বাড়িতে। এরপর তারা নিজেদের বিবাহিত বলে দাবি করলেও বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে কিশোরীর পরিবার। পরবর্তীতে আবারও পুলিশ ও ঐ তরুণীর পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। দুই বছরের পরিচয় থেকে এক মেয়ে আরেক মেয়ের বাড়িতে ছুটে যাওয়ার ঘটনা এখন এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রে। পরিবার বলছে, প্রশাসনের সহযোগিতায় বিষয়টির সমাধান চান তারা। আরটিভি/এআর 
মোবাইলে দুই বছরের প্রেম, বিয়ে করতে চান দুই তরুণী!
প্রতিবছর দুর্ঘটনা-প্রাণহানি, তবু থামে না যে উৎসব!
এই উৎসব, যেখানে আনন্দের সঙ্গে প্রতিবছরই ফিরে আসে দুর্ঘটনার খবর। এবারও মুম্বাইয়ের দহি হান্ডিতে প্রাণ গেছে ৭ বছরের এক শিশুর। আর মুম্বাইসহ আশপাশের এলাকায় আহত হয়েছেন অন্তত ২১২ জন।
প্রতিবছর দুর্ঘটনা-প্রাণহানি, তবু থামে না যে উৎসব!
আরও পড়ুন
শপিং মলে ঘড়ি বা জানালা থাকে না কেন
ঈদ উপলক্ষে মার্কেট ও শপিং মল খোলা রাখার সময় বাড়ানোর দাবি
করাচির শপিং মলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বেড়ে ১৪, নিখোঁজ ৫৮
পাকিস্তানে শপিং মলে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৫