নানান সমস্যায় জর্জরিত দিনাজপুরের হিলি রেলস্টেশন। রেলস্টেশনে নেই যাত্রী ছাউনি, টয়লেটের ব্যবস্থা, নেই পর্যাপ্ত বসার স্থান। ট্রেন ধরতে আসা যাত্রীদের বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টিতে ভিজে আবার শীতের সময় ঠান্ডা উপেক্ষা করে বাতাস ও কুয়াশার মধ্যে খোলা আকাশের নিচে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাদের। তবে স্টেশন মাস্টার বলছেন দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উত্তরের জনপদ দিনাজপুর। জেলার সীমান্ত ঘেষা হিলিতে বিট্রিশ আমলে নির্মাণ করা হয় হিলি রেলস্টেশন। এখানে রয়েছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর এবং ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট। এই স্টেশন থেকে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানিকারকরা আসা-যাওয়া করে। এ ছাড়াও শিক্ষার্থী, পাসপোর্ট যাত্রীসহ বিভিন্ন মানুষ নানান কাজে উত্তরাঞ্চল-দক্ষিণাঞ্চলে যাতায়াত করে থাকেন। কিন্তু পুরনো এই রেলস্টেশনে যাত্রীদের জন্য নেই কোনো যাত্রী ছউনি, বসার পর্যাপ্ত স্থান। এর ফলে শীতের সময় ঠান্ডায় দাঁড়িয়ে আবার বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টিতে ভিজে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে হয় এই স্টেশনে আসা যাত্রীদের। একটি মাত্র টয়লেট থাকলেও সব সময় থাকে না পানির ব্যবস্থা।
কয়েকজন যাত্রী বলেন, এই স্টেশনে ট্রেন ধরতে আসা মহিলা যাত্রীসহ সাধারণ যাত্রীদের চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে। স্টেশনটিতে একটি মাত্র প্লার্টফরম থাকায় ট্রেন দুই নম্বর লাইনে দাঁড়ালে যাত্রীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনে উঠানামা করতে হয়। এতে করে নানান সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে যাত্রীদের। যাত্রীদের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে কর্তৃপক্ষ দ্রুত হিলি রেলস্টেশনে যাত্রী ছাউনি নির্মান, বসার স্থান ও পানির ব্যবস্থাসহ যাত্রী সাধারণে দুর্ভোগ লাঘব করবেন এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীসহ যাত্রী সাধারণের।
এ দিকে যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে কর্তব্যরত স্টেশন মাস্টার জয়ন্ত চক্রবর্তী বলেন, ‘শীত এবং বর্ষা মৌসুমে যাত্রীদের অনেকটাই সমস্যা হয়ে থাকে। আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। দ্রুত বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধান হবে।’
আরটিভি/এমকে/এআর