ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

‘আবহাওয়া অফিস যেন ভূতের বাড়ি’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ০৬:১৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিন যাবৎ জনবল সংকট ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত পাবনার ঈশ্বরদীস্থ বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের কার্যালয় এখন ভুতুড়ে স্থানে পরিণত হয়েছে। অথচ এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত এই স্থাপনাটি একটি পাইলট বেলুন পর্যবেক্ষণাগার।

প্রথম দেখায় যে কারও মনে হতে পারে এটি কোনো পরিত্যক্ত আবাসিক এলাকা। জরাজীর্ণ ভবন, ভাঙাচোরা সীমানাপ্রাচীর আর কার্যালয়ের অভ্যন্তরে মাদকসেবীদের অবাধ যাতায়াত।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঈশ্বরদী বিমানবন্দর এলাকার ভেতরে ১৯৬৫ সালে প্রায় ৫ একর জমির ওপর সরকারি উদ্যোগে এই পাইলট বেলুন পর্যবেক্ষণাগার প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একাধিক আবাসিক ভবন ও একটি পর্যবেক্ষণাগার নির্মাণ করা হলেও দীর্ঘদিন সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পুরো এলাকাজুড়ে এখন বিরাজ করছে ভুতুড়ে পরিবেশ। তদারকির অভাবে ভবনগুলোর দরজা, জানালা, এমনকি জানালার গ্রিল পর্যন্ত চুরি হয়ে গেছে।

এদিকে আবহাওয়া পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত দুটি যন্ত্রের মধ্যে একটি দীর্ঘদিন ধরে বিকল। ফলে একটি যন্ত্র দিয়েই কোনোমতে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণের কাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিত্যক্ত আবাসিক ভবনগুলো এখন মাদকসেবীদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে। স্থানীয় ও বহিরাগতদের আনাগোনায় দিন-রাত সেখানে চলে নানা ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড।

আবহাওয়া অফিসের সহকারী পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন গণমাধ্যমকে জানান, ভারত থেকে আনা অটোমেটিক ওয়েদার স্টেশন (অ্যাওয়াস) স্থাপন করা হলেও সেটি একদিনের জন্যও চালু করা সম্ভব হয়নি। নির্জন এলাকা হওয়ায় এবং কোনো নিরাপত্তা প্রহরী না থাকায় রাতের দায়িত্ব পালনের সময় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হয়। পাশাপাশি জনবল সংকটের কারণে দিন-রাত মিলিয়ে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হলেও বাড়তি কর্ম-ঘণ্টার জন্য কোনো আর্থিক সুবিধা নেই।

আরও পড়ুন

ঈশ্বরদী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, ১৪ জনের জনবল কাঠামোর বিপরীতে বর্তমানে মাত্র ৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী দিয়ে অফিসের কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। এতে সবাইকে অতিরিক্ত চাপ নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। আবাসিক ভবনগুলো বসবাসের অনুপযোগী হয়ে দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত পড়ে আছে। ফলে সেখানে ভুতুড়ে পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। ভবনগুলোর দরজা-জানালাও অনেক আগেই চুরি হয়ে গেছে।


আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপন
ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ঘে আহত ৪০, ভাঙচুর ১৫ বাড়ি
পাবনায় ম্যাজিস্ট্রেটের মধ্যস্থতায় ছেলের ঘরে ফিরলেন মা
টানা পাঁচবার বিশ্বের ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় পাবিপ্রবির অধ্যাপক