বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী এবং ৯ বারের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদকে ভোলার পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার প্রতি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরে তার জাতীয় পতাকায় মোড়ানো মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
তারা জানাজার নামাজে ইমামতি করেন ভোলা খলিফাপট্টি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা জমির উদ্দিন।
জানাজায় ভোলা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর, সদস্য সচিব রাইসুল আলমসহ বিএনপি, বিজেপি, কমিউনিস্ট পার্টি এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।
এর আগে দুপুর সোয়া ১টার দিকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা থেকে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ ভোলায় নেওয়া হয়। জানাজায় অংশ নিতে বেলা সাড়ে ১২টা থেকেই জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষের আগমন শুরু হয়।
দ্বিতীয় জানাজা শেষে মরদেহ নেওয়া হয় ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে তার নিজ বাড়িতে। সেখানে মসজিদ প্রাঙ্গণে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
এদিকে জানাজাকে কেন্দ্র করে কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশের গুলিতে নিহত ছাত্রদল নেতা নুরে আলম ও রহিমের জানাজা ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে করতে না দেওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে বেলা ১২টার দিকে যুবদলের কিছু নেতাকর্মী বিক্ষোভ করেন এবং জানাজা আয়োজনে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
পরে জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
আরটিভি/এমএইচজে




