ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

খুব আবেগের একটা তারিখ ১১ অক্টোবর: তারিক আনাম খান

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ অক্টোবর ২০২৪, ০৬:৪৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বরেণ্য অভিনেতা তারিক আনাম খান যার হাত ধরে গড়ে উঠে ‘নাট্যকেন্দ্র’। এই নাটকেন্দ্র জন্ম দিয়েছে অনেক অভিনেতার। এই সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম, জাহিদ হাসানসহ অনেকেরই আঁতুড়ঘর নাট্যকেন্দ্র। ১৯৯০ সালে গড়ে ওঠে এই দল। তারিখটি ছিল ১১ অক্টোবর। সেই দিনটি ঘিরে স্মৃতিকাতর হয়েছেন অভিনেতা তারিক আনাম খান। ফেসবুকে লিখেছেন একটি পোস্ট।

তিনি লেখেন, ‘১১ই অক্টোবর। খুব আবেগের একটা তারিখ, এখনো। খুব স্মৃতিময় একটা তারিখ। নাট্যকেন্দ্রর জন্মদিন। ১৯৯০। এরশাদবিরোধী আন্দোলন তখন তুঙ্গে। ১০ অক্টোবর পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন জেহাদ। ১১ অক্টোবর অর্ধদিবস হরতাল। অথচ আমরা অনেক আগেই ওই দিনটাই নির্ধারণ করে বসে আছি। একবার ভেবেছিলাম বাতিল করে দিই, পরে ভাবলাম করেই ফেলি, যা হওয়ার হবে। যদ্দুর মনে পড়ে দাওয়াতপত্রও দেওয়া হয়েছিল। এক নতুন দলের জন্মলগ্নে আপনাকে স্বাগত, এ রকম কিছু। জার্মান কালচারাল সেন্টার, ধানমণ্ডি রোড ২, সন্ধে ৬-৩০ বা ৭টা। মোট ২৯ জন আমরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য বেশ অনেক দিন মহড়া করেছি। পুরোটাই স্ক্রিপ্টবিহীন, কিন্তু মাথার মধ্যে সুগ্রথিত। মহড়া হতো নীলক্ষেত পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমিতে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘জার্মান কালচারাল সেন্টারে করার কারণ তৎকালীন ডিরেক্টর মিস লেশনার পয়সা নেবেন না। আর একটা বড় কারণ ওই হলো তখন নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের ‘গ্যালিলিও’ নিয়মিত অভিনীত হতো। নাটকের সেটটা বেশ সুন্দর, অনেকগুলো লেভেল পাওয়া যাবে। নাগরিকের সবাই খুব বন্ধু এবং কাছের মানুষ। বিশেষ করে আলী যাকের, সারা যাকের, আতাউর রহমান, আসাদুজ্জামান নূর, নিমা রহমান এরা । প্রসঙ্গত, ‘নাট্যকেন্দ্র’ নামটা আলী যাকেরের দেওয়া। নাগরিকের অনুমতি নিয়ে ওখানে আমরা তার আগে ১-২ দিন মহড়াও করেছি। আমরা খুব দুশ্চিন্তায়, লোকজন আসবে তো আমাদের উদ্বোধনীতে? নাটকের স্বজন বন্ধুরা আমাদের আত্মীয় সবাই হাজির। দর্শকাসন পরিপূর্ণ। আমাদের উদ্বোধনীতে অভিনেতাদের পোশাক মেয়েদের হালকা আকাশি নীল এবং ছেলেদের সাদা টি-শার্ট ও কালো প্যান্ট। একমাত্র আমি বাদে। আমি নির্দেশক, মঞ্চে উঠিনি।

তিনি লেখেন, ‘এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ ! একঝাঁক উজ্বল তরুণ-তরুণী প্রদীপ হাতে নিয়ে মঞ্চে প্রবেশ করলেন, কণ্ঠে তাদের গান ‘আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্য সুন্দর’, একে একে সবাই মঞ্চের সম্মুখভাগে রেখে দিলেন প্রদীপ। পাদপ্রদীপের আলোয় আলোকিত হলো মঞ্চ, তারা যখন প্রদীপ রেখে একসাথে উঠে দাঁড়ালেন তখনই জ্বলে উঠল মঞ্চের সব আলো। জন্ম হলো নাট্যকেন্দ্রর । তবে নামটা প্রকাশিত হয়েছিল পরে, বেশ নাটকীয়ভাবে। বন্ধু শিল্পী আফজাল হোসেন করে দিয়েছিল আমাদের লোগো। এক অভিনেতার প্রতিকৃতি, উত্তোলিত হাত, বাধা-বন্ধনহীন ।

তিনি প্রকাশ করেন আরও ঘটনা। লেখেন, “মঞ্চে একটা বোর্ডে সেই লোগো ও দলের নাম নিয়ে আসা হলো, বিটোভেন/মোজার্টের সংগীত মূর্ছনায়। বোর্ডের ওপরে লাল পর্দা। আমরা লোগো উন্মোচনের জন্য ঠিক করেছিলাম সিরাজ ভাইকে, যিনি তখন সব মঞ্চে আলো জ্বালতেন। সিরাজ ভাই পর্দা তুললেন। ‘নাট্যকেন্দ্র’ আলোতে এলো।”

নাটকের দল, তাদের উদ্বোধনীতে নাটক হবে না, তা কি হয়? প্রথমে এলো, কী করে নাট্যকেন্দ্র জন্ম হলো, লোকজন দলে কিভাবে যোগ দিল, পত্রপত্রিকায় কী লেখা হলো, দলে যোগ দিয়ে শরীর ও কণ্ঠ চর্চা, পরিশ্রম ইত্যাদি নিয়ে এক মজার উপস্থাপনা। উপসাগরীয় যুদ্ধ তখন তুঙ্গে। প্রাণহানি ঘটছে, মানুষের কষ্ট, আমাদের দেশের মানুষ যারা কুয়েত, আবুধাবিসহ উপসাগরীয় অঞ্চলে কাজ করতেন তাদের ফিরে আসা এসব মিলিয়ে একটা ইম্প্রোভাইজড নাট্যালেখ্য ‘উপসাগর থেকে বঙ্গোপসাগর’। সর্বশেষে আমাদের আগামী দিনের নাট্যভাবনা, কার্যক্রম এসব ঘোষণা। আমার স্মৃতিতে এটুকুই এখনো অম্লান।’

লেখার শেষে তারিক আনাম খান বেশ কয়েকজনের নাম যুক্ত করেছেন। লিখেছেন, ‘আমি একা নই। দৃঢ়ভাবে পাশে ছিল তৌকীর, ঝুনা, মেঘনা। এরপর নাসরীন রাখী, সুমনা সুমি, জলি, প্রাচী, শিরীন শিলা, মুস্তাফা মুনির, গোলাম মোস্তফা, মোদাসসর্, শাহনূর, মোজাহার সেলিম, রতন সাহা, মোর্শেদ, নয়ন আলমগীর, শফিক সাদেকী, মোতাহের হাসান মিঠু, ইকবাল বাবু, আনোয়ার আকাশ, মাহিদুল ইসলাম অনিক, আশরাফুল রন্টু, ইমরুল বাবু, রফিক, মোশাররফ করিম, জাহিদ হাসান আরো অনেকে যারা শক্তি জুগিয়েছে, পরিশ্রম করেছে, নিজ প্রতিভায় নাট্যকেন্দ্রকে আলোকিত করেছে। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। আমাদের বন্ধু নাট্যজন আমাদের দর্শক সবার প্রতি বিনম্র অভিবাদন।’

আরটিভি /এএ /এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
তামান্নার সঙ্গে তুলনা করে বারিশার আক্ষেপ
শোবিজের পরিচিত মুখ বারিশা হক। শুরুটা মডেলিং দিয়ে হলেও উপস্থাপনাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ড প্রোমোটিংয়ের কাজ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শক্ত অবস্থান গড়েছেন তিনি। নাটকেও অভিনয় করেছেন। কিন্তু মাঝে মধ্যেই নানান কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন বারিশা। বিশেষ করে তার শারীরিক স্থূলতা নিয়ে। একটা সময় স্লিম ফিগার ছিল বারিশার। তবে পরবর্তীতে তার স্বাস্থ্য বেড়ে গেলে তাকে নিয়ে শুরু হয় নেটিজেনদের চর্চা। আবার নিজেকে খানিকটা আকর্ষণীয় করতে বোটক্সের মতো প্লাস্টিক সার্জারিও করিয়েছেন এই মডেল।   কয়েকদিন আগে বোটক্স সার্জারি নিয়ে বিদ্রুপের মুখে পড়েন বারিশা। সেসময় নিশ্চুপই ছিলেন তিনি। এমনকি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়নি তাকে। তবে মনের মধ্যে ক্ষোভ আর আক্ষেপ পুষে রেখেছিলেন। সম্প্রতি সেটাই প্রকাশ করতে গেল বারিশাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার সঙ্গে তুলনা করে আক্ষেপ করলেন।   নেটদুনিয়ায় তামান্নার কিছু ছবি পোস্ট করে বারিশা লিখেছেন, তামান্না ভাটিয়া আন্তর্জাতিক মানের তারকা; যিনি আমার ও আপনাদেরও প্রিয়। বাংলাদেশের মেয়েদের ও খুব প্রিয়। সে কিন্তু জিরো ফিগার এর নয়, বরং তার শরীরের মেদ নিয়েও স্টেজ এ আকর্ষণীয় পোশাকে সবাইকে মুগ্ধ করে তার প্রতিভায়। তিনি আরও লেখেন, তাকে আমাদের দেশের মেয়েরা খুব প্রশংসায় ভাসিয়ে দেয়। সে প্রশংসা পাওয়ারই যোগ্য, তবে আমরা নই।ম কারণ আমরা অকর্ম, আমরা সব গালাগাল পাওয়ার যোগ্য; কারণ আমরা বলিউড নই, আমরা শ্যাম বাঙালি! ভালোবাসি সবাইকে। বর্তমানে মডেলিং কিংবা অভিনয়ের চেয়ে ব্রান্ড প্রমোশনেই বেশি ব্যস্ত থাকেন বারিশা। ২০০৮ সালে বিটিভিতে কুইজ শো এবং বিতর্কে অংশ নেন তিনি। বুলবুল ললিতকলা একাডেমি থেকে ক্লাসিক্যাল নৃত্যে দীক্ষা নেন। এভাবেই শুরু হয় বারিশার পথ চলা। অল্প দিনের পথচলায় নৃত্য ও উপস্থাপনার পাশাপাশি বেশ কিছু নাটকেও অভিনয় করেছেন তিনি।  আরটিভি/এইচএসকে/এআর  
তামান্নার সঙ্গে তুলনা করে বারিশার আক্ষেপ
জুলাই ফাউন্ডেশনে গেল রাহাত ফতেহ আলীর কনসার্টের টাকা
চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারকে সহায়তার জন্য গত ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় চ্যারিটি কনসার্ট ‘ইকোস অব রেভল্যুশন’। এতে পারফর্ম করেন জনপ্রিয় পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খান। কনসাটর্টির আয়োজক ‘স্পিরিটস অব জুলাই’ প্ল্যাটফর্ম।  এই কনসার্ট থেকে আয় হওয়া ১ কোটি ৬৫ লাখ ১১ হাজার ৪৮৫ টাকা আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবার নিয়ে কাজ করা কল্যাণমূলক সংস্থা ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’-এ দান করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় রাজধানীর শাহবাগস্থ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সংলগ্ন ফাউন্ডেশনটির কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলমের হাতে এই চেক তুলে দেওয়া হয়।  এ সময় ‘স্পিরিটস অব জুলাই’র পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, ‘ইকোস অব রেভোল্যুশন’ কনসার্টের আয়োজক মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহি, এস এম এহসান উল্লাহ ধ্রুব, খাইরুল আহসান মারজান, সাদেকুর রহমান সানি, মো. নূর এ আলম চৌধুরী, মো. জাফর আলী এবং রাইয়ান রহমান ইরাত। কনসার্টে এ দিন বিনা পারিশ্রমিকে গান পরিবেশন করেন রাহাত ফতেহ আলী। তিনি ছাড়া আরও গান পরিবেশন করেন ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গান গেয়ে জেল-জুলুমের শিকার হওয়া শিল্পী হান্নান, র‍্যাপার সেজান, দেশীয় ব্যান্ডদল চিরকুট, আর্টশেল ও আফটারম্যাথ। কনসার্টে টাইটেল স্পন্সর হিসেবে ছিল প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। আয়োজকরা জানান, স্পিরিটস অব জুলাই কর্তৃক আয়োজিত কনসার্টটির যাবতীয় আর্থিক হিসাবের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে অডিট রিপোর্ট প্রস্তুতের জন্য দেশের স্বনামধন্য অডিট কোম্পানি ‘Hoda Vasi Chowdhury & Co’র সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। উল্লেখ্য, অর্থসংক্রান্ত সার্বিক বিষয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ ও পরামর্শ প্রদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ নিয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছিল।  এ পরিষদে ছিলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ ড. কাজী মাহফুজুল হক সুপণ, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. আনসারুল আলম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মুহাম্মদ মাহবুব কায়সার, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ রুহুল আমিন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল আলম চৌধুরী, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল হক খান এবং বারডেম হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল হাসান মুনির। আরটিভি/এইচএসকে/এআর  
জুলাই ফাউন্ডেশনে গেল রাহাত ফতেহ আলীর কনসার্টের টাকা
কেন বলিউড ছাড়ছেন অনুরাগ কাশ্যপ
মেধা ও রুচিশীল কাজ দিয়ে বলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান প্রতিষ্ঠা করেছেন গুণি নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ। দর্শকদের উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা। শুধু নির্মাণই নয়, ভালো অভিনয়ও করেন তিনি। চলতি বছরের ‘মহারাজা’সিনেমায় অনুরাগ অভিনয় দাগ কেটেছে দর্শকের মনে। এবার জানা গেল, বলিউড ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন এই নির্মাতা।   এরপর থেকেই অনুরাগের ভক্তদের প্রশ্ন, হঠাৎ কি হলো নির্মাতার? কী কারণে বলিউড ছাড়তে চাচ্ছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন অনুরাগ। পাশাপাশি হিন্দি ভাষার শোবিজ ত্যাগ করার জন্য বেশ কিছু কারণও দেখিয়েছেন নির্মাতা।  অনুরাগ বলেন, বলিউডে এখন আর সৃজনশীলতার কোনো জায়গা নেই। সবকিছুই অর্থের দিকে চলে গেছে। চলচ্চিত্রের খরচ বেড়ে যাওয়ায় এখন সিনেমা তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কোনো সিনেমা নির্মাণের আগে থেকেই চিন্তা থাকে কিভাবে তা বিক্রি করা যাবে। আর এই চাপের মধ্যে সৃজনশীলতা হারিয়ে যায়। বলিউডের পরিবর্তে দক্ষিণী সিনেমায় নিয়মিত হতে চান জানিয়ে নির্মাতা বলেন,  আমি দক্ষিণে যেতে চাই। সেখানে এমন পরিবেশ আছে যেখানে সৃজনশীলতার সুযোগ বেশি। এখানে যদি থাকা না হয়, আমি একজন বৃদ্ধ মানুষ হয়ে মরে যাব। আমি নিজের ইন্ডাস্ট্রির প্রতি অত্যন্ত হতাশ এবং খুবই অসন্তুষ্ট। কিন্তু মলায়ালম সিনেমাতে আমার এমন কিছু অনুভূতি হয়নি। সেখানে অভিনয় অভিজ্ঞতা বেশ ইতিবাচক। প্রতিভা ব্যবস্থাপনা করে এমন এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন নানা তিনি বলেন, এই এজেন্সিগুলো তরুণ অভিনেতাদের শুধুমাত্র মুনাফার জন্য ব্যবহার করে। তাদের মনোযোগ কেবল স্টার তৈরির দিকেই থাকে। অভিনয় দক্ষতা গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ নেই তাদের। অনুরাগ আরও বলেন, বলিউডে এখন আর কেউ অভিনয় করতে চায় না, সবাই স্টার হতে চায়। এজেন্সি কাউকে স্টার বানায় না। কিন্তু একবার যদি কেউ স্টার হয়ে যায়, তখন তারা তাদের থেকে মুনাফা তৈরির প্রতিযোগিতায় নেমে যায়।    আরটিভি/এইচএসকে  
কেন বলিউড ছাড়ছেন অনুরাগ কাশ্যপ
আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পুড়ে যায় পাখিদের ছোট্ট শরীর: নওশাবা
প্রতিবছর আতশবাজি, পটকা ফুটিয়ে ও ফানুস উড়িয়ে থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন করেন সবাই। কিন্তু এই উৎসবে অনেক সময় বিপাকে পরতে হয় সাধারণ মানুষকে। আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর শব্দে অত্যন্ত আতঙ্কের মাঝে কাটে শিশু থেকে শুরু করে অসুস্থ মানুষ, এমনকি পশু-পাখিও। শুধু তাই নয়, প্রাণনাশের ঘটনাও ঘটে। বিষয়টি নিয়ে মানুষকে সচেতন করতে কাজ করছে সরকার, সামাজিক কিংবা প্রাণী কল্যাণ সংগঠনগুলো। কেউ কেউ নিজ উদ্যোগেও সামাজিক মাধ্যমে আতশবাজি-ফানুস তাণ্ডবের ভয়াবহতা তুলে ধরে সচেতনতার বার্তা দিচ্ছেন। পিছিয়ে নেই অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ।  পটকা ফুটিয়ে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনকে হেলিকপ্টার থেকে গুলির সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। পাশাপাশি থার্টিফার্স্ট নাইট বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন অভিনেত্রী।  গণমাধ্যমে এ প্রসঙ্গে নওশাবা বলেন, ২০২৪-এ আমাদের সবচেয়ে ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতা ছিল হেলিকপ্টার থেকে গুলিতে নিরপরাধ শিশুর প্রাণ হারানো। কখনও কী ভেবে দেখেছেন, আমাদের উল্লাসে আকাশে ছুঁড়ে দেওয়া আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পাখিদের ছোট্ট শরীর পুড়ে যায় একইভাবেই।  তিনি আরও বলেন, আমাদের উৎসবের শব্দে আতঙ্কে তাদের জীবনের আলো নিভে যায়! অথচ এই পৃথিবী তো শুধু আমাদের নয়, তাদেরও। ছোট্ট শিশু উমায়ের প্রাণ হারিয়েছিল এই বর্ষবরণের আতশবাজির ভয়াবহ শব্দে। অভিনেত্রী বলেন, এবারের বর্ষবরণ আগ্রাসী না হোক, চলুন দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই। আপনার বাসার অসুস্থ বুড়ো বাবা-মা এবং শিশুদের কথা ভেবে, রাস্তার অসহায় পথপ্রাণী আর পাখিদের কথা ভেবে এবারের বর্ষবরণ হোক আতশবাজি মুক্ত। ২০২৫ হোক মঙ্গলময় পরিবর্তনের বছর। নতুন বছরের শুভেচ্ছা সবাইকে।   আরটিভি/এইচএসকে  
আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পুড়ে যায় পাখিদের ছোট্ট শরীর: নওশাবা
জুয়ার প্রচারণায় তোপের মুখে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল
মাঝে মধ্যেই জুয়ার অ্যাপের প্রচারণায় খবরের শিরোনামে উঠে আসে তারকাদের নাম। কেউ শুভেচ্ছাদূত হয়ে, কেউ বা আবার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এসব অ্যাপের স্পন্সরশিপের মাধ্যমে প্রচারণায় অংশ নেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী পিয়া জান্নাতুলের নাম।  চলমান বিপিএলকে কেন্দ্র করে একটি জুয়ার অ্যাপের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে তাকে। আর এতেই তোপের মুখে পড়েছেন পিয়া। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে মুখ খুলেছেন তিনি। পিয়া বলেন, আমি একজন ক্রিকেটপ্রেমী। বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে কথা বলতে ভালোবাসি। আমি শুধু ক্রিকেট নিয়ে পোস্ট করেছি, যা ক্রিকেট সম্পর্কে আমার ভালোবাসা প্রকাশ করে। তাছাড়া আমি শুধু ওই অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করছি। এখানে কে স্পনসর দিলো সেটা তো বিষয় না। এর বেশি আর কিছুই বলতে চাই না। জানা গেছে, যে জুয়ার অ্যাপের টি-শার্ট পরে পিয়া অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন তা বাংলাদেশের সেরা জুয়ার এজেন্টদের একটি। এদিকে প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার জন্য কোনো পোর্টাল বা অ্যাপ বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনচিত্রে অংশগ্রহণ করেন, তা হবে ওই ব্যক্তির অপরাধ।’ এর আগে পরীমণি, নুসরাত ফারিয়া, অপু বিশ্বাস, মাহিয়া মাহি, এবং শবনম বুবলীর মতো তারকাদের এ ধরনের প্রচারণায় দেখা গেছে। আরটিভি/এইচএসকে/এস/এআর  
জুয়ার প্রচারণায় তোপের মুখে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল
আরও পড়ুন
শিল্পকলায় নাটকের প্রদর্শনী বন্ধ, যা বলছেন নাট্যজনরা
অভিনয়শিল্পী সংঘের সংস্কার কমিটিতে থাকছেন যারা
শিল্পী সংঘের ‘অন্তর্বর্তীকালীন সংস্কার কমিটি’র প্রধানের দায়িত্বে তারিক আনাম
পলাশের উপহার পেয়ে আপ্লুত তারিক আনাম