বয়স ত্রিশ পেরোলেই শরীরের যত্ন নেওয়া হয়ে ওঠে আরও জরুরি। বাইরে থেকে সুস্থ মনে হলেও ভেতরে নীরবে নানা রোগ বাসা বাঁধতে পারে। তাই এখন থেকেই খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনলে অনেক জটিল অসুখ এড়ানো সম্ভব।
হাড় মজবুত রাখতে দুধের গুরুত্ব
পুষ্টিবিদদের মতে, এই বয়সে প্রতিদিনের খাবারে কিছু বিষয় অবশ্যই গুরুত্ব দেওয়া দরকার। যেমন—দুধ ও দুধজাত খাবার নিয়মিত খাওয়া উচিত। এতে থাকা ক্যালসিয়াম হাড় শক্ত রাখতে সাহায্য করে। তবে দুধে চিনি না মেশানোই ভালো। পাশাপাশি প্রতিদিন কিছু সময় রোদে থাকলে শরীরে ক্যালসিয়াম ঠিকভাবে কাজ করতে পারে।
রোজকার খাবারে শাকসবজি জরুরি
শাকসবজি এই বয়সে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিনের খাবারে আঁশসমৃদ্ধ শাকসবজি রাখলে হজম ভালো থাকে এবং শরীরও সুস্থ থাকে। কাঁচা সবজির সালাদ খাওয়ার অভ্যাস করলে আরও উপকার পাওয়া যায়। তবে মাটির নিচে জন্মানো সবজি কম খাওয়াই ভালো।
ফল খাওয়ার সঠিক অভ্যাস
ফল খাওয়ার ক্ষেত্রেও সচেতন হতে হবে। ফলের রসের চেয়ে গোটা ফল খাওয়া বেশি উপকারী। যেসব ফল খোসাসহ খাওয়া যায়, সেগুলো খোসাসহই খাওয়া ভালো। টক বা কম মিষ্টি ফল বেশি খেতে হবে। আর বেশি মিষ্টি ফল কম খাওয়াই ভালো।
কম তেলে রান্না, সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি
রান্নায় তেলের ব্যবহার কমানো জরুরি। বাড়িতে কম তেলে রান্না করা খাবার খাওয়াই সবচেয়ে ভালো। একই তেল বারবার ব্যবহার করা একেবারেই উচিত নয়।
গোটা শস্যে বাড়ুক পুষ্টি
গোটা শস্য থেকে তৈরি খাবারও এই বয়সে খুব উপকারী। লাল চাল, লাল আটার রুটি বা খসখসে শস্যদানা খেলে শরীর ভালো থাকে। পরিশোধিত শস্যদানা এড়িয়ে চলাই ভালো।
মাছ-মাংসে পূরণ হোক আমিষের চাহিদা
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মাছ, মুরগির মাংস রাখা যেতে পারে। এতে শরীরের প্রয়োজনীয় আমিষের চাহিদা পূরণ হয়। তবে চর্বিযুক্ত অংশ এড়িয়ে চলতে হবে।
ডিম, ডাল ও বাদামে বাড়ুক শক্তি
এ ছাড়া প্রতিদিন একটি ডিম, ডাল, ছোলা এবং পরিমিত বাদাম খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী। তবে কোনো কিছুই অতিরিক্ত খাওয়া ঠিক নয়।
তাই ৩০ বছর বয়সের পর সুস্থ থাকতে চাইলে এখন থেকেই সচেতন হোন। ছোট ছোট খাদ্যাভ্যাসই পারে আপনাকে বড় রোগ থেকে দূরে রাখতে।
আরটিভি/জেএমএ




