ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

ঘামের দুর্গন্ধে নাজেহাল? ফিটকিরিতেই আছে সমাধান

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ জুন ২০২৬, ০৪:০১ পিএম
ঘামের দুর্গন্ধ কমাতে পারে ফিটকিরি । ছবি: সংগৃহীত

গরমে ঘাম আর দুর্গন্ধ এখন অনেকেরই নিত্য সমস্যা। বাইরে বের হলেই ঘাম, আর তার সঙ্গে শরীরের অস্বস্তিকর গন্ধে বিব্রত হতে হয় অনেককে। এ সময় অনেকেই ডিওডোরেন্ট বা সুগন্ধি ব্যবহার করেন। তবে বাজারের এসব পণ্যে থাকা অ্যালকোহল ও রাসায়নিক উপাদান সব ত্বকের জন্য উপযোগী নাও হতে পারে। আবার অনেক সময় সুগন্ধিও দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী হয় না।

এই পরিস্থিতিতে ফিরে আসতে পারে এক পুরনো ঘরোয়া সমাধান—ফিটকিরি।

কী এই ফিটকিরি?

ফিটকিরি একটি প্রাকৃতিক খনিজ লবণ, যা সাধারণত সাদা বা স্বচ্ছ স্ফটিকের মতো দেখা যায়। এটি খুব সস্তায় বাজারে পাওয়া যায়। আগে দাদুর আমলে শেভ করার পর জীবাণুনাশক হিসেবে এবং ছোটখাটো কাটাছেঁড়ায় রক্ত বন্ধ করতেও এটি ব্যবহার করা হতো।

এতে রয়েছে জীবাণু প্রতিরোধী ও অ্যান্টিসেপটিক গুণ, যা শরীরের দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।

ফিটকিরি কীভাবে কাজ করে?

ঘামের নিজস্ব কোনো তীব্র গন্ধ নেই। মূলত ত্বকের ওপর থাকা ব্যাকটেরিয়া ঘামের সঙ্গে মিশে দুর্গন্ধ তৈরি করে। ফিটকিরি সেই ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমিয়ে দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ফলে ঘাম হলেও গন্ধ অনেকটাই কমে যায়।

আরও পড়ুন

কীভাবে ব্যবহার করবেন ফিটকিরি?

১. সরাসরি ব্যবহার: স্নানের পর ফিটকিরির একটি টুকরো পরিষ্কার পানিতে ভিজিয়ে বগলের ত্বকে আলতো করে ঘষুন। এরপর শুকিয়ে যেতে দিন। ধোয়ার প্রয়োজন নেই।

২. গুঁড়ো ফিটকিরি ব্যবহার: অল্প গোলাপজলের সঙ্গে গুঁড়ো ফিটকিরি মিশিয়ে তুলার সাহায্যে বগলে লাগাতে পারেন। এরপর শুকিয়ে গেলে পোশাক পরুন।

সংরক্ষণ পদ্ধতি

ব্যবহারের পর ফিটকিরি পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে রাখতে হবে। না হলে এটি ধীরে ধীরে গলে যেতে পারে। শুকিয়ে একটি শুকনো পাত্রে সংরক্ষণ করলেই ভালো থাকে।

গরমে ঘামের দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণে দামী প্রসাধনী নয়, চাইলে এই সহজ ঘরোয়া উপাদান ফিটকিরিও হতে পারে কার্যকর সমাধান।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
ফিটকিরিতেই মিলবে তেলতেলে ত্বক ও ব্রণের সমস্যার সমাধান