গরমে ঘরের ভেতরেও যেন অস্বস্তি কাটে না। বাইরে থেকে ফিরে এসেও অনেক সময় স্বস্তি মেলে না। এয়ার কন্ডিশনার বা এসি থাকলেও তা সবার পক্ষে নিয়মিত ব্যবহার করা সম্ভব নয়। আবার দীর্ঘ সময় ঠান্ডা বাতাসে থাকাও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয় বলে মত দেন চিকিৎসকেরা। তাহলে উপায় কী?
গৃহসজ্জা বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘর ঠান্ডা রাখার বড় ভূমিকা রাখতে পারে সঠিক পর্দা নির্বাচন। সামান্য কিছু পরিবর্তনেই ঘরের তাপমাত্রা অনেকটাই কমানো সম্ভব।
প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে খসখস ও বাঁশের চিকের পর্দা। খসখস পর্দা তৈরি হয় এক ধরনের গাছের শুকনো মূল থেকে। এতে মাঝে মধ্যে জল ছিটালে বাইরের গরম হাওয়া ভেতরে আসার সময় কিছুটা ঠান্ডা হয়ে যায়। অন্যদিকে বাঁশের চিক সূর্যের আলো আটকে দেয়, কিন্তু বাতাস চলাচল স্বাভাবিক রাখে। ফলে ঘর থাকে আরামদায়ক।
লিনেন ও সুতি কাপড়ের পর্দাও গরমে বেশ কার্যকর। এগুলো সূর্যের আলো সরাসরি ঢুকতে দেয় না, আবার বাতাস চলাচলও বন্ধ করে না। এতে ঘর আলোকিত থাকে, কিন্তু গরম লাগে না।
এছাড়া ব্ল্যাকআউট পর্দা গরমের দিনে আরও একটি ভালো সমাধান। ভারী এই পর্দা বাইরে থেকে আলো ঢোকা প্রায় পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। ফলে ঘরের ভেতরের তাপমাত্রা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে। অনেক সময় এয়ার কন্ডিশনার বন্ধ করার পরও এই পর্দার কারণে ঘর দীর্ঘক্ষণ ঠান্ডা থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পর্দা কখনোই এয়ার কন্ডিশনারের মতো কৃত্রিম শীতলতা দিতে পারে না। তবে সঠিক পর্দা ব্যবহার করলে ঘর অনেক বেশি আরামদায়ক ও স্বাভাবিক ঠান্ডা রাখা সম্ভব।
তাই একটু সচেতন হলেই ঘর সাজানোর মাধ্যমেই গরমের অস্বস্তি অনেকটা কমিয়ে আনা যায়।
আরটিভি/জেএমএ




