ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

গরমে ঘর ঠান্ডা রাখার সহজ কৌশল, হার মানবে এসিও!

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ১১:৪৮ এএম
ছবি: সংগৃহীত

গরমে ঘরের ভেতরেও যেন অস্বস্তি কাটে না। বাইরে থেকে ফিরে এসেও অনেক সময় স্বস্তি মেলে না। এয়ার কন্ডিশনার বা এসি থাকলেও তা সবার পক্ষে নিয়মিত ব্যবহার করা সম্ভব নয়। আবার দীর্ঘ সময় ঠান্ডা বাতাসে থাকাও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয় বলে মত দেন চিকিৎসকেরা। তাহলে উপায় কী?

গৃহসজ্জা বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘর ঠান্ডা রাখার বড় ভূমিকা রাখতে পারে সঠিক পর্দা নির্বাচন। সামান্য কিছু পরিবর্তনেই ঘরের তাপমাত্রা অনেকটাই কমানো সম্ভব।

প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে খসখস ও বাঁশের চিকের পর্দা। খসখস পর্দা তৈরি হয় এক ধরনের গাছের শুকনো মূল থেকে। এতে মাঝে মধ্যে জল ছিটালে বাইরের গরম হাওয়া ভেতরে আসার সময় কিছুটা ঠান্ডা হয়ে যায়। অন্যদিকে বাঁশের চিক সূর্যের আলো আটকে দেয়, কিন্তু বাতাস চলাচল স্বাভাবিক রাখে। ফলে ঘর থাকে আরামদায়ক।

আরও পড়ুন

লিনেন ও সুতি কাপড়ের পর্দাও গরমে বেশ কার্যকর। এগুলো সূর্যের আলো সরাসরি ঢুকতে দেয় না, আবার বাতাস চলাচলও বন্ধ করে না। এতে ঘর আলোকিত থাকে, কিন্তু গরম লাগে না।

এছাড়া ব্ল্যাকআউট পর্দা গরমের দিনে আরও একটি ভালো সমাধান। ভারী এই পর্দা বাইরে থেকে আলো ঢোকা প্রায় পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। ফলে ঘরের ভেতরের তাপমাত্রা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে। অনেক সময় এয়ার কন্ডিশনার বন্ধ করার পরও এই পর্দার কারণে ঘর দীর্ঘক্ষণ ঠান্ডা থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পর্দা কখনোই এয়ার কন্ডিশনারের মতো কৃত্রিম শীতলতা দিতে পারে না। তবে সঠিক পর্দা ব্যবহার করলে ঘর অনেক বেশি আরামদায়ক ও স্বাভাবিক ঠান্ডা রাখা সম্ভব।

তাই একটু সচেতন হলেই ঘর সাজানোর মাধ্যমেই গরমের অস্বস্তি অনেকটা কমিয়ে আনা যায়।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এই ভাইরাসের বাহক এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়েই ডেঙ্গু হয়।
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
আরও পড়ুন
ব্যায়ামের সময় নেই? ঘরের কাজেই মিলবে উপকার
ভাঙাভাঙি ছাড়াই পুরোনো বাড়ি হবে আধুনিক, জানুন সহজ কৌশল
গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে খাবেন যে ৪ ডাল
তীব্র গরমে ব্যায়াম করবেন যেভাবে, শরীর থাকবে নিরাপদ