ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

এসি ছাড়া ঘুম হয় না? ডেকে আনছেন ভয়ংকর বিপদ

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ১১:২৪ এএম
ছবি: সংগৃহীত

গরমে আরামদায়ক ঘুমের জন্য এসি এখন অনেকের নিত্যসঙ্গী। সারাদিন কাজের পর রাতেও ঠান্ডা পরিবেশে না ঘুমালে যেন ঘুমই আসে না, এমন অভ্যাস গড়ে উঠেছে অনেকের মধ্যে। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এই অভ্যাস দীর্ঘদিন চালিয়ে গেলে শরীর ধীরে ধীরে বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি

রাতভর শীতাতপ যন্ত্র চালিয়ে ঘুমালে শ্বাসনালিতে শুষ্কতা ও শ্লেষ্মা জমতে পারে। ফলে সকালে ঘুম থেকে উঠে গলা খুসখুস, হাঁচি-কাশি এবং শরীর ম্যাজম্যাজ করার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। যাদের সাইনাস বা দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসকষ্টের সমস্যা আছে, তাদের জন্য এই অভ্যাস আরও ঝুঁকিপূর্ণ।

ঠান্ডাজনিত অ্যালার্জি ও শরীর ব্যথা

একটানা ঠান্ডা পরিবেশে থাকলে অনেকের শরীরে অ্যালার্জি দেখা দেয়। চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া, নাক দিয়ে পানি পড়া কিংবা হাঁচি না থামার মতো উপসর্গ হতে পারে। পাশাপাশি ঘাড়, পিঠ ও জয়েন্টে ব্যথা বা শক্তভাব দেখা দেওয়া খুব সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে যাদের বাতজনিত রোগ আছে।

আরও পড়ুন

চোখ ও ত্বকের শুষ্কতা

শীতাতপ যন্ত্রের ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাস দীর্ঘ সময় শরীরে আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়। এর ফলে চোখে শুষ্কতা বা জ্বালাপোড়া অনুভূত হতে পারে। একইভাবে ত্বকও আর্দ্রতা হারিয়ে ফেলে। যার ফলে শুষ্কতা, চুলকানি, র‍্যাশ এমনকি অকাল বলিরেখাও দেখা দিতে পারে।

শরীরের পানিশূন্যতার ঝুঁকি

রাতে ঘাম না হলেও শীতাতপ যন্ত্রে ঘুমানোর সময় শরীর ধীরে ধীরে পানিশূন্য হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় পানি না খাওয়ার কারণে এই অবস্থায় শরীরের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। যা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়।

কীভাবে নিরাপদে ব্যবহার করবেন

বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতাতপ যন্ত্র সম্পূর্ণ এড়িয়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে তাপমাত্রা ২৬ থেকে ২৮ ডিগ্রির মধ্যে রাখা, মধ্যরাতে যন্ত্র বন্ধ করে দেওয়া এবং নিয়মিত ফিল্টার পরিষ্কার রাখা জরুরি। এতে ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায় এবং শরীরও তুলনামূলক সুস্থ থাকে।

তবে এসিতে আরাম পাওয়া যায় ঠিকই, অতিরিক্ত নির্ভরতা শরীরের জন্য নীরব ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই সামান্য সতর্কতাই আপনাকে বড় সমস্যার হাত থেকে বাঁচাতে পারে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
মাত্র ৯০ মিনিট ঘুমিয়েই পাওয়া যায় ১৪ হাজার ডলার
কম ঘুমে শরীরে যে ৫ বড় পরিবর্তন হয়
রাতে ঘুম কম, সকালে মাথাব্যথা? যেভাবে মিলবে স্বস্তি 
জামিনে বের হওয়া ছেলের হাতে খুন হলেন ঘুমন্ত বাবা