তুরস্কে কারাবন্দি ব্যবসায়ী ওসমান কাভালার মুক্তি চাওয়ায় গত ২৩ অক্টোরব যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ফ্রান্সসহ ১০ দেশের রাষ্ট্রদূতকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা দিয়েছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে এরদোয়ানের বৈঠক নিয়ে শঙ্কা দেখা দেয়। তবে পরবর্তীতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট তার নির্দেশনা প্রত্যাহার করলে দুই নেতার বৈঠকের পথ খুলে যায়।
অবশেষে আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই রোববার (৩১ অক্টোবর) ইতালিতে জি-২০ সম্মেলনের ফাঁকে জো বাইডেন ও এরদোয়ান বৈঠক করেছেন।
বৈঠকে মানবাধিকার ও এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় বাইডেন এরদোয়ানকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের বিষয়ে বলেন, এটির জন্য আমেরিকায় একটি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে যে মতবিরোধ রয়েছে, তা যথাযথভাবে পরিচালোনা করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন বাইডেন।
তুরস্কের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানায়, একটি ইতিবাচক পরিবেশে বৈঠকটি হয়েছে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক ইস্যুতেও দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
অন্যদিকে হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে জানায়, প্রতিরক্ষা অংশীদারত্বের ও ন্যাটোর মিত্র হিসেবে তুরস্কের গুরুত্বের কথা বলেন বাইডেন। তবে রাশিয়ার কাছ থেকে তুরস্ক যে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ক্রয় করেছে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র।
এর আগে তুরস্ক রাশিয়ার কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয় করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতারা তুরস্কের কাছে এফ-১৬ বিক্রি করার বিরোধিতা করেন। সূত্র: আল-জাজিরা
আরএ/টিআই