সরকারদলীয় এমপি বদির মতো রাঘববোয়াল এবং পুলিশের কিছু উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা মাদক ব্যবসায় জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন তিনি।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, যুবসমাজকে ধ্বংস করতে পরিকল্পিতভাবে মাদকের বিস্তার ঘটানো হয়েছে। মাদকের আসল গডফাদারদের ধরা হচ্ছে না। তারা মাদক ব্যবসার মাধ্যমে শত শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন।
তিনি বলেন, মাদক নির্মূলের নামে বিচারবহির্ভূত হত্যার যে হিড়িক চলছে, তাতে গভীর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আছে। আর তা হলো টার্গেট করে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের মিথ্যা অভিযোগে গ্রেপ্তার করে মেরে ফেলা।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার জনমনে আতঙ্ক তৈরি করতে চাইছে। বেআইনিভাবে মানুষ হত্যার অধিকার কারও নেই। এটা অপরাধ দমনের মানদণ্ড হতে পারে না।
তিনি বলেন, গতরাতে নেত্রকোনায় ছাত্রদলের সদস্য আমজাদ হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা মাদকবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে নই। অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করুন।
রিজভী বলেন, রমজান মাসে কর্দমাক্ত খানাখন্দে ভরা রাস্তাঘাট, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আইনশৃঙ্খলার করুণ পরিণতি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতেই নতুন এই অভিযান শুরু করেছে সরকার।
তল্লাশির নামে পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানি করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সোমবার সেহরির কিছুক্ষণ আগে নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর রাজধানীর বনানীর সিলেট হাউসের বাসায় ডিবি পরিচয়ে তল্লাশির নামে তাণ্ডব চালিয়েছে পুলিশ।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার হায়দার আলী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কবির মুরাদ, যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ।
কে/পি