প্রতিবছরই একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে যশোরের বেনাপোল নোম্যান্সল্যান্ডে বাংলাদেশ-ভারত দুই বাংলার মানুষের মিলন মেলা হয়। কিন্তু এবার করোনা মহামারির কারণে দুই বাংলার মানুষের মিলন মেলা হচ্ছে না।
প্রতিবছর 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি...।' নানা রং এর ফেস্টুন, ব্যানার, প্লেকার্ড, ফুলে-ফুলে ছয়লাব নোম্যান্সল্যান্ড হয়। তখন দুই দেশের সীমান্তের মধ্যবর্তী ওই স্থানে আবেগাপ্লুত পরিবেশের সৃষ্টি হয়। একে অপরকে আলিঙ্গন করে সকল ভেদাভেদ যেন ভুলে যায় কিছু সময়ের জন্য। ফুলের মালা দিয়ে উভয় দেশের আবেগপ্রবণ অনেক মানুষ বাঙালির নাড়ির টানে একজন অপরজনকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে ফেলেন।
কিন্তু এবছর করোনার কারণে বেনাপোলে খুলছে না সীমান্ত গেট। যৌথভাবে একুশের কোন অনুষ্ঠান নোম্যান্সল্যান্ডে হবে না। তবে ওপারে ছোট করে একটা অনুষ্ঠান হবে সেখানে স্থানীয় সাংসদসহ বাংলাদেশের ১০০ জনকে তারা আমন্ত্রণ করেছেন।
এ ব্যাপারে দুই বাংলার একুশ উদযাপন কমিটির বেনাপোলের আহ্বায়ক উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, করোনার কারণে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে উভয় দেশের আয়োজকরা আলোচনা করে এবার বেনাপোল চেকপোস্ট নোম্যান্সল্যান্ডে দুই দেশের একুশের মিলন মেলা হচ্ছে না। তবে পেট্রাপোল ছোট একটি অনুষ্ঠান হবে। সেখানে বাংলাদেশের কয়েকজনকে তারা আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
এফএ