আগে চার সন্তান ছিল। তাই সন্তান না হওয়ার জন্য অস্ত্রোপচার করান তিনি। কিন্তু অস্ত্রোপচারের দুই বছর পর ফের গর্ভবতী হলেন ভারতের বিচারের এক নারী। তাই তিন মেয়ে ও এক ছেলের মা ফুলকুমারীর মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে।
প্রায় ২ বছর আগে আগে সরকারি হাসপাতালে বন্ধ্যাকরণ করিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু কয়েকদিন আগে হঠাৎ চমকে ওঠেন ৩০ বছরের ফুলকুমারী। জানতে পারেন, তিনি ফের গর্ভবতী! কী করে এমনটা হলো ভেবেই পাচ্ছিলেন না ফুলকুমারী। বিস্ময়ে হতবাক তার স্বামীও।
রাজ্যের মুজাফফরপুরের বাসিন্দা ফুলকুমারী ও তার স্বামী। ফুলকুমারী এবং তার দিনমজুর স্বামী চার সন্তান হওয়ার পর আর সন্তান না নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাই ২০১৯ সালের জুলাই মাসে মতিপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিউবেকটমি অপারেশন করিয়ে নেন ফুলকুমারী।
আরও পড়ুন...
ভক্ত বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় টিকটকারের আত্মহত্যা
সরকারি এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে ডা. সুধীর কুমার নামের একজন চিকিৎসক এই অপারেশনটি করেছিলেন। এই দম্পতির অভিযোগ তারা এরই মধ্যে দুইবার যোগাযোগ করেছে ডা. সুধীরের সঙ্গে। কিন্তু তিনি তাদের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেছেন বলে জানিয়েছেন তারা।
জেলার সিভিল সার্জন ডা. হরেন্দ্রকুমার অলোক অবশ্য বলছেন, কখনও কখনও এ ধরনের অপারেশন ব্যর্থ হতে পারে। তবে আপাতত বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তবে এ ধরনের ঘটনায় রাজ্য সরকার ক্ষতিপূরণ দেয় বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, এক্ষেত্রে ৩০ হাজার রুপি পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়। পাশাপাশি সন্তানের প্রসব ও এ সংক্রান্ত ওষুধপত্রের যাবতীয় খরচও বহন করে রাজ্য সরকারই। এজন্য অবশ্য রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরে আবেদন করতে হবে।
কিন্তু এত অল্প টাকায় সন্তুষ্ট থাকতে পারছে না দরিদ্র এই দম্পতি। ফুলকুমারীর স্বামী বলেন, আমার পক্ষে বাড়তি আরেকটি সন্তানের খরচ চালানো সম্ভব নয়। এ কারণেই আমার স্ত্রী ক্রেতা সুরক্ষা বিভাগে গিয়ে রাজ্য সরকারের কাছে ১১ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণের আবেদন করেছে।
আরও পড়ুন...
প্রধানমন্ত্রী হাত না বাড়ালে টিকে থাকতে পারতাম না: আকবর
এ