জনসম্মুখে ব্যাভিচারের অভিযোগে একদল নারীকে গ্রেপ্তার করেছে দুবাইয়ের পুলিশ। শহরের একটি সুউচ্চু দালানের ব্যালকনিতে নগ্ন হয়ে পোজ দিয়ে রয়েছে ওই নারীরা, এমন একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। খবর ডেইলি মেইলের।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের জনসম্মুখে শালীনতা সংক্রান্ত যে আইন রয়েছে, তাতে বলা হয়েছে কেউ নগ্ন এবং অন্য ‘কামুক আচরণ’ করার কারণে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার দিরহাম জরিমানায় দণ্ডিত করা হবে।
পর্নোগ্রাফিক কিছু শেয়ার করলেও দেশটিতে কারাবাস এবং জরিমানার মুখোমুখি হতে হয়। ইসলামি শরিয়াহ আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা এই আইনে আওতায় এ ধরনের অপরাধের জন্য কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ দিরহাম পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
ব্রিটিশ দৈনিক দ্য সান জানিয়েছে, ইসরায়েলি একটি ওয়েবসাইটের জন্য ওই ফটোশুটে অংশ নিয়েছিল এই ১৫ নারী মডেল। ওই সাইটি যুক্তরাষ্ট্রের পর্নগ্রাফিক একটি ওয়েবসাইটের ভার্সন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এটা যুক্তরাষ্ট্রের কোনও ওয়েবসাইটের ইসরায়েলি ভার্সন তা বলা হয়নি।
-
আরও পড়ুন... রমজানের নতুন অফিস সময় জানালো সরকার
দুবাইয়ের মারিনা এলাকায় দিনেদুপুরে ব্যালকনিতে নগ্ন মডেলদের ফটোশুট করা হয়। পরে সেই ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর কঠোর সমালোচনা শুরু হয়। কেননা আমিরাত কঠোর ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।
দেশটিতে জনসম্মুখে চুমো দেয়া বা লাইসেন্স ছাড়া মদপান করলে কারাদণ্ডের সাজা হয়। অথচ সেখানেই কিনা দিনেদুপুরে এমন অশালীন কাজ হয়েছে। আমিরাত সরকার ঘনিষ্ঠ দ্য ন্যাশনাল পত্রিকা জানিয়েছে, এটা স্ট্যান্টবাজি। তবে এর চেয়ে বেশি কিছু জানায়নি তারা।
-
আরও পড়ুন... লকডাউন বাড়বে কিনা সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার
এদিকে দুবাইয়ের পুলিশ জানিয়েছে, এমন ‘অশালীন’ করার ঘটনায় আটককৃতদের মামলা সরকারি কৌঁসুলির অফিসে স্থানান্তর করা হয়েছে। পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এ ধরনের আচরণ অগ্রহণযোগ্য। এটা আমিরাতি সমাজের মূল্যবোধ ও নৈতিকতার প্রতিচ্ছবি নয়।
এ