ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ১০:২১ পিএম
ফাইল ছবি

সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য সাংবাদিকদের অনুকূলে ইস্যুকৃত অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড অনির্দিষ্টকালের জন্য বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। একইসঙ্গে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রোববার (২৯ ডিসেম্বর) ডিআরইউ কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষে সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান।

এতে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সাংবাদিকদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সচিবালয়ে প্রবেশাধিকার বাতিল করেছে। প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার সীমিত করা হলে পেশাদার সাংবাদিকদের তথ্য প্রাপ্তি বাধাগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা করছে ডিআরইউ।

পেশাগত দায়িত্ব পালনে সাংবাদিকরা যাতে নির্বিঘ্নে এবং নিয়মিত সচিবালয়ে যাতায়াত করতে পারেন, তা দ্রুত নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ডিআরইউ নেতৃবৃন্দ।

আরটিভি/এমএ-টি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু
শুরু হচ্ছে যাচ্ছে সংবাদভিত্তিক টেলিভিশন ‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে সম্প্রচার শুরু করছে চ্যানেলটি। এদিন বিকেলে বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) ফেসবুক পেজে জানানো হয় খবরটি। ‘বিটিভি নিউজ’র লোগো প্রকাশ করে ওই পোস্টে বলা হয়, নতুন প্রত্যয়ে সংবাদভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন চ্যানেল হিসেবে আজ সন্ধ্যা ৭টা থেকে যাত্রা শুরু করবে ‘বিটিভি নিউজ’।  বাংলাভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন ‘বিটিভি’। ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু হয় চ্যানেলটির। ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন করপোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয় এটি।  দেশের শতকরা ৯৫ ভাগ মানুষ টেরিস্ট্রিয়াল সম্প্রচার সুবিধার মাধ্যমে বিটিভির অনুষ্ঠান দেখতে পাচ্ছে। বর্তমানে বিটিভিতে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারিত হয়। এবার শুধু সংবাদের জন্য বিশেষায়িত চ্যানেল হিসেবে যাত্রা শুরু করছে বিটিভি নিউজ।  আরটিভি/এইচএসকে/এআর  
‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু
অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ
অগ্নিকাণ্ডের পাঁচ দিন পর সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পেরেছেন সাংবাদিকরা। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার দিকে অস্থায়ী পাসের মাধ্যমে তারা সচিবালয়ে প্রবেশ করেন। এর আগে রোববার সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল সাংবাদিকরা সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবে, কিন্তু সকাল থেকে প্রবেশের জন্য সাংবাদিকরা সচিবালয়ের গেটে অবস্থান করলেও অনুমতি মেলে দুপুরে। সোমবার প্রায় ২০০ সাংবাদিকের সচিবালয়ে প্রবেশের অনুমতি দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রোববার তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম জানান, সোমবার থেকে সাংবাদিকদের অস্থায়ী পাস দেওয়া হবে। এদিন সচিবালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক শেষে নাহিদ ইসলাম বলেছিলেন, সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পুনঃমূল্যায়ন করা হচ্ছে। সোমবার থেকে সাংবাদিকদের প্রবেশে স্বল্প সংখ্যক অস্থায়ী পাস দেওয়া হবে। এ ছাড়া রোববার দুপুরে সচিবালয় বিটের সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘সোমবার থেকে অস্থায়ী পাস নিয়ে সাংবাদিকরা সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন।’ আরটিভি/এফএ
অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ
সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের
সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকারে সাময়িক স্থগিতাদেশের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্স।  রোববার (২৯ ডিসেম্বর) অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্স সভাপতি হাসান শরীফ ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সোহেল স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ  উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, সম্প্রতি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকারে সাময়িক স্থগিতাদেশের বিষয়ে আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। আমরা আশা করি, প্রশাসন নিরাপত্তা ও সুশাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাংবাদিকদের ন্যায্য প্রবেশাধিকার বজায় রাখার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবে। এ ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদান করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোরালো দাবি জানাচ্ছি। অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্স সরকারের গঠনমূলক পদক্ষেপের প্রতি আস্থা রাখে এবং এ বিষয়ে একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানায়। গণহারে সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করার সিদ্ধান্তকে আমরা সুবিবেচনাপ্রসূত মনে করি না। ভবিষ্যতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক ও সংবেদনশীল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অপরিহার্য। একই সঙ্গে, আমরা কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি, প্রকৃত সাংবাদিকদের সচিবালয়ে প্রবেশাধিকারের বিষয়টি দ্রুত নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। এ ছাড়া সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করা তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলেও জানায় অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্স। আরটিভি/আরএ/এস
সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের
রমজান উপলক্ষে আরটিভির হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন্ড শেষ
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে মাসব্যাপী আরটিভির ১৫তম হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা ‘জিপিএইচ ইস্পাত আলোকিত কোরআন ২০২৫’ পাওয়ার্ড বাই আরএফএল পাইপ অ্যান্ড ফিটিংসের সিলেকশন রাউন্ড শেষ হয়েছে।  শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল থেকে আরটিভি’র বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া স্টুডিওতে এই সিলেকশন রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়। সারাদেশ থেকে প্রাথমিকভাবে বাছাইকৃত ৪০০-এর অধিক কোরআনের হাফেজ এই সিলেকশন রাউন্ডে আসেন।  সিলেকশন রাউন্ডে বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইমাম সমিতির সভাপতি হাফেজ মাওলানা লুৎফর রহমান, হাফেজ ক্বারী আবু রায়হান, হাফেজ ক্বারী নুরুজ্জামানসহ আরও অনেকে। অডিশন শেষে প্রতিযোগী, ওস্তাদ ও বিচারকদের অংশগ্রহণে একটি র‌্যালির আয়োজন করা হয়। আরটিভি/এফএ
রমজান উপলক্ষে আরটিভির হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন্ড শেষ
চাকরিচ্যুত পাঁচ জনকে পুনর্বহালের দাবি হাসনাত আব্দুল্লাহর
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, সময় টেলিভিশনের যে ৫ জন সাংবাদিককে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে- এ ব্যাপারে আমার দূরতম সংশ্লিষ্টতা নেই। আমি জোর দাবি জানাই, এই পাঁচজনকে চাকরিতে পূনর্বহালের। শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে বেসরকারি সংবাদভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল ‘সময় টিভি’ ইস্যুতে নিজের বক্তব্য ও অবস্থান স্পষ্ট করে ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট তিনি। পাঠকদের জন্য হাসনাত আব্দুল্লাহর পোস্টটি আংশিক সংশোধন করে তুলে ধরা হলো- ‘সময় টেলিভিশনের পাঁচজন গণমাধ্যমকর্মীর আকস্মিক চাকরি হারানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে যেসব অভিযোগ আমার বিরুদ্ধে আনা হয়েছে তা অসত্য ও ষড়যন্ত্রমূলক। আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা ছাড়া আর কোনো উদ্দেশ আছে বলে আমার মনে হয় না।’ প্রতিবেদনে যেভাবে এসেছে : ২৬ ডিসেম্বর বিবিসির একটি প্রতিবেদনে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, প্রায় ১৫ জনের একটি দলসহ হাসনাত আব্দুল্লাহ সিটি গ্রুপের হেড অফিসে গিয়ে কয়েকজনকে চাকরি থেকে বাদ দেয়ার জন্য চাপ দেয়ার কথা বিবিসি বাংলাকে নিশ্চিত করেছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাসান। চাকরিচ্যুত পাঁচজন সাংবাদিকের অভিযোগ, গত ১৮ ডিসেম্বর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শীর্ষ নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ কয়েকজনকে নিয়ে সময় টিভির বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে দেখা করেন এবং টিভি স্টেশনের ১০ জনের নামের একটি তালিকা দিয়ে তাদের চাকরিচ্যুত করতে চাপ দেন। প্রকৃত ঘটনা : পুরো দেশবাসী জানে ফ্যাসিবাদী হাসিনার নিকৃষ্ট মুখপাত্র হিসেবে বছরের পর বছর ধরে ফ্যাসিবাদের প্রপাগান্ডা সেল হিসেবে কাজ করেছে বেসরকারি সময় টেলিভিশন। বিএনপি-জামায়াতসহ বিরোধী দলীয় নেতাদের নিয়ে নিয়মিত ভুয়া ও কুরুচিকর প্রতিবেদন করাই ছিল সময় টিভির কাজ। আওয়ামী লীগের প্রপাগান্ডা সেল সিআরআইর সাথে সমন্বয় করে জনবিরোধী অবস্থান নিয়ে বছরের পর বছর ধরে অনৈতিক ও অসৎ সাংবাদিকতা করেছে এটির সাথে সংশ্লিষ্টরা। ফ্যাসিস্ট হাসিনার অন্যতম অনুচর কামরুল ইসলাম ছিলেন যার নেপথ্য নেতৃত্বে। এখনও আ. লীগ নেতা কামরুল ইসলামের ভাই মোরশেদুল ইসলাম রয়ে গেছেন সময় টিভির সঙ্গে। যিনি নেপথ্যে থেকে পতিত আওয়ামী লীগের পক্ষে ছাত্র-জনতার চরিত্র হনন করছেন। এহেন কোনো অন্যায় ও নৈতিকতা বিবর্জিত কাজ নেই যে এই সংবাদ মাধ্যমটি করেনি। এমনকি ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুথানের সাংবাদিকতার নীতি নৈতিকতাকে বিসর্জন দিয়ে চট্টগ্রামের আইনজীবী শহীদ আলিফ হত্যাকাণ্ডের পরও ভুয়া তথ্য দিয়েছিল এই সংবাদ মাধ্যমটি। এসব কার্যক্রম নিয়ে আমরা আগে থেকেই সচেতন ও বিশুদ্ধ ছিলাম। সিটি গ্রুপের মালিকানাধীন সময় এবং এখন টিভির কয়েকজন সাংবাদিক আমাদের কিছুটা প্ররোচিত করে গত ১৭ ডিসেম্বর বিকাল চারটায় সময় টিভির এমডি মি. হাসানের কার্যালয়ে নিয়ে যান। এটা যে একটা চক্রান্ত ছিল, তা আমরা তখন বুঝতে পারিনি। সেখানে আমরা মাত্র ৩০ মিনিট ওনার সাথে আলাপ করে বেরিয়ে এসেছিলাম। অথচ বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে আমি ১৮ ডিসেম্বর গিয়েছিলাম। এটি থেকে পরিষ্কার যে, এ ঘটনার সত্যতা বিবিসি বাংলা ভালোভাবে যাচাই করেনি। সময় টেলিভিশনের একজন সংবাদকর্মীর মাধ্যমে সিটি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মি. হাসানের সাথে আমার পরিচয় হয়েছিল। আমাদের সংক্ষিপ্ত বৈঠকে ৫ আগস্টের পরবর্তী পরিস্থিতিতে সময় টেলিভিশনে চলমান বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা হয়েছিল। সেখানে আমিসহ উপস্থিত ব্যক্তিরা সঠিক সংবাদ প্রচার করে ফ্যাক্ট ভিত্তিক সাংবাদিকতার আহ্বান জানিয়েছিলাম। প্রোপাগান্ডামূলক সাংবাদিকতা থেকে বেরিয়ে আসার অনুরোধ করেছিলাম। আমি দায়িত্ব নিয়ে এবং দৃঢ়তার সঙ্গে বলছি, সেখানে আমি কোনো সাংবাদিকের তালিকা দিইনি। চাকরি থেকে বাদ দেয়া সাংবাদিকদের ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। বার্তা সংস্থা এএফপি এবং বিবিসি বাংলার কাছে আমি চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি আমি সিটি গ্রুপ এবং সময় টেলিভিশন কর্তৃপক্ষকে কোনো সংবাদিকের তালিকা দিয়েছি এবং কাউকে বরখাস্ত করতে চাপ দিয়েছি সেটির স্বপক্ষে যদি তাদের কাছে কোনো প্রমাণ থেকে থাকে সেটি যেন তারা হাজির করেন। যদি হাজির করতে না পারেন, তবে তা যেন স্বীকার করেন। আমি মনে করে ‘মি. হাসান অভিযোগ করেছেন’ এটাই এ ধরণের একটি প্রতিবেদনের মূল ভিত্তি হতে পারে না। কারণ মি. হাসান যখন আমার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলছেন তখন বলছেন, আমি কোনো ছাঁটাইয়ের তালিকা তাকে সরবরাহ করিনি বা এমন কোনো কথা বলিনি। এই বক্তব্যের স্বপক্ষে আমি প্রমাণ দিতে পারব। তবে এটি স্পষ্ট যে, সিটি গ্রুপের মালিক মি. হাসান আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য একটি গভীর ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে অসত্য এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন, যা তার মালিকানাধীন টিভি চ্যানেল দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে। আমার অবস্থান : আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এই পুরো ষড়যন্ত্রে আমাকে পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। চক্রান্তে পড়ে সময় টিভির মালিকের সঙ্গে কথা বলতে যাওয়াটা আমার ভুল হয়েছে, যা স্বীকার করতে আমার কোনো দ্বিধা নেই। আমি গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে অবশ্যই যে কোনো গণমাধ্যম আমার বা আমাদের বিরুদ্ধে লিখবে, সেটা প্রতিষ্ঠিত করার জন্যে আমরা আন্দোলন করেছি, রক্ত দিয়েছি। দানব হাসিনার পতন ঘটিয়েছি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য, পেশা হিসেবে সাংবাদিকতার উৎকর্ষ সাধনের জন্য, সাংবাদিকের চাকুরিচ্যুত করার জন্য নয়। আমি দাবি জানাই : ১. সময় টেলিভিশনের যে ৫ জন সাংবাদিককে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে- এ ব্যাপারে আমার দূরতম সংশ্লিষ্টতা নেই। আমি জোর দাবি জানাই, এই পাঁচজনকে চাকরিতে পূনর্বহালের। ২. যারা প্রকৃতভাবে এই ষড়যন্ত্রে জড়িত, তাদের চিহ্নিত করার জন্য একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। ৩. সিটি গ্রুপের মালিক মি. হাসান অসত্য তথ্য দিয়ে আমার চরিত্র হননের যে ষড়যন্ত্র করছেন, তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। ৪. বিবিসির প্রতিবেদন প্রকাশের পর মি. হাসান বারবার বিভিন্ন প্রতিবেদককে দিয়ে আমার সাথে বারবার আলোচনার প্রস্তাব দিয়ে যাচ্ছেন। যেগুলোর স্বপক্ষে আমার কাছে পরিষ্কার প্রমাণ রয়েছে। আমি তাদের বলেছি তিনি যদি বিবিসিকে এমন বক্তব্য না দিয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে গণমাধ্যমে প্রতিবাদ পাঠাতে। আমার বক্তব্য : আমি কখনও কোনো ষড়যন্ত্রের অংশ ছিলাম না এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। আমি সবসময় গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে দাঁড়িয়েছি। ভবিষ্যতেও দাঁড়াব। এই ঘটনার তদন্ত প্রক্রিয়ায় আমি পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। মূলত সিটি গ্রুপ এবং সময় টিভির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে আমাকে জড়িয়ে তাদের স্বার্থ হাসিলের নোংরা চেষ্টা করা হয়েছে। তবে, আমি অনুরোধ করছি, মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে আমার ব্যক্তি ও সামাজিক অবস্থান ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা বন্ধ করা হোক। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় এবং এই ষড়যন্ত্রের শিকার সকলের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাই। আরটিভি/কেএইচ
চাকরিচ্যুত পাঁচ জনকে পুনর্বহালের দাবি হাসনাত আব্দুল্লাহর
আরও পড়ুন
‘লুজ কানেকশনের’ কারণে সচিবালয়ে আগুন: তদন্ত কমিটি
১২ সাংবাদিকের ব্যাংক হিসাব তলব
সচিবালয়ে অগ্নিকাণ্ডের প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন জমা একদিন পেছাল
অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ