ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

জমে উঠেছে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের সমীকরণ, হারলেই বিপদ ভারতের

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৩:২৪ পিএম
ছবি-এএফপি

ঘরের মাঠে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের রেসে সবার থেকে এগিয়েছিল ভারত। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের কাছে হোয়াইটওয়াশ হওয়ায় বদলে গেছে সব হিসাব-নিকাশ। আর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দিবারাত্রির বিপক্ষে টেস্টে ১০ উইকেটে ব্যবধানে হারায় কঠিন সমীকরণে সমানে দাঁড়িয়ে ভারত।

এদিকে রোহিত-কোহলিদের ব্যর্থতার সুযোগ ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছে প্রোটিয়ারা। বাংলাদেশের পর শ্রীলঙ্কাকে হোয়াইটওয়াশ করে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শীর্ষস্থান দখল করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। আর দীর্ঘদিন শীর্ষে থাকা ভারত নেমে গেছে তিন নম্বরে। আগামী বছর লর্ডসের ফাইনালে জায়গা করে নিতে আর মাত্র একটি জয় দরকার প্রোটিয়াদের।

অন্যদিকে ফাইনালের লড়াই থেকে ছিটকে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারা শ্রীলঙ্কা এবং ইংল্যান্ডের কাছে হারা নিউজিল্যান্ড। ফলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার লড়াই এখন দক্ষিণ আফ্রিকা-অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের ত্রিমুখী লড়াই।

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ৬৩.৩৩ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এখন ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজে একটি ম্যাচ জিতলেই ফাইনাল খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকা। কারণ, সিরিজটা ১-১ ব্যবধানে ড্র হলেও ৬১.১১ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে শেষ করবে তারা।

এ ক্ষেত্রে শুধু ভারত বা অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে যে কোনো একটি দলেরই শুধু তাদের চেয়ে বেশি পয়েন্ট অর্জনের সুযোগ আছে। তবে, যদি সিরিজের দুটি টেস্টই ড্র হয় তাহলে বিপাকে পড়তে পারে প্রোটিয়া। ড্র করলে তাদের পয়েন্ট হবে ৫৮.৩৩ শতাংশ।

একই সঙ্গে ভারত যদি বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফিতে অস্ট্রেলিয়াকে ৩-২ গোলে হারাতে পারে এবং অস্ট্রেলিয়া শ্রীলঙ্কাকে দুই টেস্টের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করতে পারে, তবে অস্ট্রেলিয়া (৬০.৫৩) এবং ভারত (৫৮.৭৭) শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ছাড়িয়ে যাবে।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দিবারাত্রির টেস্টে হারের পর ৫৭.২৯ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। তাদের ফাইনালে খেলতে হলে বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির বাকি তিন টেস্টের কমপক্ষে দুটিতে জয় ও বাকি টেস্টটিতে ড্র করতে হবে। তাতে তারা ৬০.৫৩ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে শেষ করবে, যা তাদের প্রোটিয়াদের সঙ্গে শীর্ষ দুইয়ে জায়গা করে দেবে। অস্ট্রেলিয়া তখন শ্রীলঙ্কাকে ২-০ ব্যবধানে হারালেও ৫৭.০২ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে শেষ করবে।

আর ভারত যদি বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফিতে ৩-২ ব্যবধানে জয়লাভ করে, ৫৮.৭৭ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে শেষ করবে তারা। সে ক্ষেত্রে ভারতের নিচে থেকে শেষ করবে অস্ট্রেলিয়া। পরের সিরিজে অজিরা শ্রীলঙ্কার কাছে ১-০ ব্যবধানে হারলে ফাইনাল খেলবে ভারত।

এদিকে ভারত যদি তাদের বাকি তিন ম্যাচের দুটিতে হারে তাহলে ৫৩.৫১ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কার নিচে থেকে শেষ করার শঙ্কায় থাকবে ভারত। এই স্কোর নিয়ে ভারতকে ফাইনালে খেলতে হলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে পাকিস্তানের কাছে হোয়াইটওয়াশ হতে হবে এবং প্রার্থনা করতে হবে অস্ট্রেলিয়া যেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অন্তত একটি টেস্টে ড্র করে।

মূলত, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের সমীকরণ অনেকাংশেই নির্ভর করছে বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির ফলের ওপর। ৬০.৭১ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে থাকা অস্ট্রেলিয়া যদি এই সিরিজের বাদবাকি তিন টেস্টেই জিততে পারে, তবে নিশ্চিতভাবেই ফাইনালে খেলবে। এই সিরিজ যদি তারা ৩-২ ব্যবধানে জেতে এবং শ্রীলঙ্কার কাছে দুই টেস্টেই হারে তারপরও ৫৫.২৬ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে শেষ করতে পারবে, যা ভারত (৫৩.৫১) এবং শ্রীলঙ্কার (৫৩.৮৫) চেয়ে বেশি হবে।

কিন্তু অজিরা যদি ভারতীয়দের কাছে ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ হারে, তবে ভারত ৫৮.৭৭ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে শেষ করবে। সে ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়াকে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই টেস্টেই জিততে হবে। আর তাতে ব্যর্থ হলে তাদের প্রার্থনা করতে হবে দক্ষিণ আফ্রিকা যেন পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি ড্রয়ের চেয়ে বেশি কিছু করতে না পারে। সে ক্ষেত্রে দক্ষিণ আফ্রিকা ৫৫.৫৬ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে শেষ করবে এবং অস্ট্রেলিয়া শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একটি জয় ও একটি ড্র পেলেই তাদের ছাড়িয়ে যাবে।

৪৫.৪৫ শতাংশ পয়েন্ট পাওয়া শ্রীলঙ্কার হাতে আছে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজ। এই দুই টেস্টে অজিদের হারাতে পারলে তারা ৫৩.৮৫ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে শেষ করবে।

আরটিভি নিউজ/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিপিএল ২০২৫ / নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ব্যাক টু ব্যাক জয় রংপুরের
ঢাকা ক্যাপিটালসকে হারিয়ে বিপিএলের ১১তম আসরে শুভসূচনা করেছে গ্লোবাল সুপার লিগের চ্যাম্পিয়ন দল রংপুর রাইডার্স। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেও। সিলেটকে ৩৪ রানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে ব্যাক টু ব্যাক জয় পেয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের দলটি। চার উইকেট তুলে নিয়ে এই জয়ের অন্যতম নায়ক নাহিদ রানা। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) আগে ব্যাট করে সিলেটকে ১৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল রংপুর। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান তুলতে পারে সিলেট। এতে ৩৪ রানের জয় পায় রংপুর রাইডার্স। চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি সিলেট। ৩ বলে ২ রান করে দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরে ফেরেন জর্জি মানজি। তিনে ব্যাট করতে নেমে ইনিংস বড় করতে পারেননি জাকির হাসানও। ১২ বলে ১৮ রান করে বোল্ড আউট হন এই বাঁহাতি ওপেনার। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি পল স্ট্রালিংও। ৫ বলে ৬ রান করে এই আইরিশ ব্যাটার আউট হলে ৪৩ রানে ৩ উইকেট হারায় সিলেট। তবে জাকের আলীকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন ওপেনার রনি তালুকদার। দুজনের ব্যাটে জয়ের স্বপ্ন দেখতে থাকে সিলেট।  কিন্তু ১৫তম ওভারে রনি তালুকদারকে বোল্ড করেন খুশদিল শাহ। এর আগে ৩৬ বলে ৪১ রান করেন রনি। পরের বলে আরিফুল হককে ডাক আউট করে রংপুরকে খেলায় ফেরান খুশদিল শাহ। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করতে থাকেন জাকের আলী। তবে ১৬তম ওভারে দ্বিতীয় বলে ২৪ রান করে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটারকে ফিরিয়ে উল্লাস শুরু করে পেসার নাহিদ রান। এরপর তানজিম হাসান সাকিব (৩), নাহিদুজ্জামান (১) এবং শিনওয়ারি ৮ রান করে আউট হন। শেষ পর্যন্ত রিস টপলি ৫ রানে এবং আল আমিন ৩ রানে অপরাজিত থাকলেও নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান তুলতে পারে সিলেট। এতে ৩৪ রানের জয় পায় সোহান-মাহেদীরা। রংপুর রাইডার্সের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন নাহিদরা। এ ছাড়াও খুশদিল শাহ ও সাইফউদ্দিন দুটি করে উইকেট নেন। আর এক উইকেট নেন কামরুল হাসান। এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি রংপুর। ৭ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইংলিশ ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ৭ বলে ৪ রান করে তাকে সঙ্গে দেন সাইফ হাসান। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি আরেক ওপেনার স্টিভেন টেইলর। ১৫ বলে ১২ রান করেন তিনি। তবে ইফতেখার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন খুশদিল শাহ। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ১৬ বলে ২১ রান করে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন এই পাক অলরাউন্ডার। ষষ্ঠ উইকেপ ইফতেখারকে সঙ্গ দেন নুরুল হাসান সোহান। দুজনের ব্যাটে ভর করে ১৬তম ওভারে ১০০ রানের কোটা পার করে রংপুর। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি লাইনে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে সোহানকে সাজঘরে ফেরান আরিফুল ইসলাম। ২৪ বলে ৪১ রান করেন তিনি। এরপর পিচে এসে বলে বলে বাউন্ডারি মারতে থাকেন শেখ মাহেদী। শেষ দিকে মাহেদী ৮ বলে ১৬ রান করে আউট হলেও ইফতেখারের ২৪ বলের অপরাজিত ৪২ রানে ভর করে ১৫৫ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেয়েছিল রংপুর। আরটিভি/এসআর/এআর  
নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ব্যাক টু ব্যাক জয় রংপুরের
পুলিশকে হারিয়ে জয়ে ফিরল কিংস
জয় দিয়ে বছরটা রাঙিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। বছরের শেষ ম্যাচে কষ্টার্জিত হলেও জয়ে ফিরল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। বসুন্ধরা কিংস ফেডারেশন কাপ শুরু করেছিল ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে জয় দিয়ে। মাঝখানে ফর্টিস এফসির কাছে হেরেছে। আজ কিংস অ্যারেনায় নিজেদের গ্রুপের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ পুলিশ এফসিকে ৩–২ গোলে হারিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। ঘরের মাঠে কিংস অ্যারেনায় জয়ে পেতে মরিয়া বসুন্ধরা ম্যাচের শুরুতেই গোলের দেখা পায়। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে তপু বর্মণের গোলে এগিয়ে গেলেও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি বসুন্ধরার উল্লাস। ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই পুলিশ সমতা ফেরে আল আমিনের গোলে। তবে পাল্টা আক্রমণে ম্যাচের ১১তম মিনিটে ব্রাজিলিয়ান মিগুয়েল ফেরেইরার গোলে আবারও এগিয়ে যায় কিংস। ২৫ মিনিটে গোলরক্ষক রাকিবুল তুষার ও সাগর মিয়ার ভুমিকায় পুলিশ গোল হজম করা থেকে রক্ষা পায়। ৩৪ মিনিটে রাকিবকে আরেকবার হতাশ করেন গোলরক্ষক তুষার। প্রথমার্ধের খেলা ২–১ ব্যবধানে থেকে শেষ করে দুই দল। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ৫২ মিনিটে স্কোরলাইন ৩–১ করেন কিংসের আরেক ব্রাজিলিয়ান জোনাথন ফার্নান্দেজ। ৫৪ মিনিটে পুলিশের আল আমিন নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে ব্যবধান ৩–২ করে খেলা জমিয়ে তুলেছিলেন। তবে পাল্টাপাল্টি আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচে কিংসকে চোখ রাঙালেও শেষ পর্যন্ত দারুণ কিছু করতে পারেনি পুলিশ। এ ম্যাচে পুলিশ হারলেও চলতি মৌসুমে দারুণ ফর্মে থাকা দলটির স্ট্রাইকার আল আমিনের ২টি গোলই নজর কেড়েছে। অষ্টম মিনিটে ঈসা ফয়সালের ক্রস থেকে আল আমিনের প্রথম গোলটি ছিল সুযোগের সন্ধানে থাকার ফল। প্রিমিয়ার লিগে ৬ গোল করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা আল আমিনের দ্বিতীয় গোলটি ছিল অসাধারণ। সৈয়দ কাজেমের ডিফেন্সচেরা থ্রু ধরে কিংসের গোলকিপার মেহেদী হাসানকে কাটাতে গিয়ে বাঁ পাশে সরে গেলেও বেশ কঠিন অ্যাঙ্গেল থেকে বল জালে পাঠান আল আমিন।  কুমিল্লার ভাষাসৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে দিনের অন্য খেলায় জয় কুমারের জোড়া গোলে বড় জয় পেয়েছে ফর্টিস এফসি। ঢাকা ওয়ান্ডারার্সকে তারা হারিয়েছে ৩–০ গোলে।  আরটিভি/এমএম
পুলিশকে হারিয়ে জয়ে ফিরল কিংস
সোহান ও ইফতেখারের ব্যাটে ভর করে সিলেটকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে রংপুর রাইডার্স। এই ম্যাচে আগে ব্যাট করে সিলেটকে ১৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে নুরুল হাসান সোহানের দল। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি রংপুর। ৭ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইংলিশ ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ৭ বলে ৪ রান করে তাকে সঙ্গে দেন সাইফ হাসান। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি আরেক ওপেনার স্টিভেন টেইলর। ১৫ বলে ১২ রান করেন তিনি। তবে ইফতেখার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন খুশদিল শাহ। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ১৬ বলে ২১ রান করে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন এই পাক অলরাউন্ডার। ষষ্ঠ উইকেপ ইফতেখারকে সঙ্গ দেন নুরুল হাসান সোহান। দুজনের ব্যাটে ভর করে ১৬তম ওভারে ১০০ রানের কোটা পার করে রংপুর। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি লাইনে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে সোহানকে সাজঘরে ফেরান আরিফুল ইসলাম। ২৪ বলে ৪১ রান করেন তিনি। এরপর পিচে এসে বলে বলে বাউন্ডারি মারতে থাকেন শেখ মাহেদী। শেষ দিকে মাহেদী ৮ বলে ১৬ রান করে আউট হলেও ইফতেখারের ২৪ বলের অপরাজিত ৪২ রানে ভর করে ১৫৫ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় রংপুর। সিলেট স্ট্রাইকার্সের হয়ে দুই উইকেট শিকার করেন আল আমিন হোসেন ও তানজিম সাকিব। এ ছাড়াও সাইমুল্লাহ শিনওয়ারি ও রিস টপলি এক করে উইকেট নেন। আরটিভি/এসআর/এআর  
সোহান ও ইফতেখারের ব্যাটে ভর করে সিলেটকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
বিপিএলে ধারাভাষ্য দিলেন বিসিবি সভাপতি
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ১১তম আসরে ধারাভাষ্যকার হিসেবে দেখা গিয়েছে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদকে। এই সময় ধারাভাষ্য কক্ষে বেশ কিছু সময় পার করেন তিনি।   মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) খুলনা টাইগার্স এবং চট্টগ্রাম কিংসের মধ্যকার ম্যাচের কিছু সময় ধারাভাষ্য দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি ফারুক আহমেদ। এদিন ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ধারাভাষ্য কক্ষে প্রবেশ করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ফারুক। এরপর কিছুক্ষণ বাংলায় ধারাভাষ্য দেন তিনি। এসময় খুলনার ছুঁড়ে দেওয়া ২০৪ রানের টার্গেট তাড়া করছিল চট্টগ্রাম। ধারাভাষ্য কক্ষ থেকে বের হয়ে প্রেস বক্সে সাংবাদিকদের সাথে দেখা করেন ফারুক। সেখানে ধারাভাষ্য করার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ফারুককে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘আমাকে বল-টু-বল ধারাভাষ্য করতে হয়নি। আমি একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছি।’ আরটিভি/এমএম
বিপিএলে ধারাভাষ্য দিলেন বিসিবি সভাপতি
থমাসের নো বল নিয়ে সন্দেহ, আবারও দেখতে চান কোচ তালহা
বিপিএলের তৃতীয় ম্যাচে চিটাগংকে ৩৭ রানে হারিয়েছে খুলনা টাইগার্স। এই ম্যাচের দ্বিতীয় প্রথম ইনিংসে বোলিংয়ে এসে ১ বলে ১৫ রান খরচ করে রেকর্ড গড়েছেন ওশানে থমাস। তবে তার একটি নো বলের সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন খুলনার কোচ তালহা জুবায়ের। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) খুলনার দেওয়া ২০৪ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হন নাইম শেখ। তবে নো বল হওয়ায় সে যাত্রায় বেঁচে গিয়েছেন। আর নো বলের ভিডিওটা টিভিতে না দেখানোই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তালহা। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে খুলনার কোচ বলেন, প্রথম বলে দেখলাম উইকেট পড়েছে গেছে; তারপর দেখি যে নো বল। আমার ওই নো বল নিয়ে একটি সন্দেহ আছে। কারণ, আমি এটি রিপ্লেতে দেখতে পারিনি। এটা দেখানো উচিত ছিল। আমি এটি দেখতে চাইব। এক বলে ১৫ রান দেওয়া নিয়ে তিনি বলেন, এরকম আগে দেখিনি নো বল ওয়াইড আবার নো বল, ফ্রি হিট। আর হয়তো থমাসও শুরুটা ভালো করতে পারেনি। আর এমনিতেই ওর নো বল দেওয়ার প্রবনতা রয়েছে। জাতীয় দলের হয়েও প্রায় নো বল করতে দেখা যায়। নো বল দেওয়ার জন্য থমাসের ফিটনেসকে দায়ী করেছেন তালহা। তার ভাষ্য, আসলে ওর যে ফিটনেস সেটা পেস বোলার হিসেবে ঠিক নেই। আর নিজের ফিটনেস এবং রানিং নিয়ে হয়তো এর আগে কোনো কাজ করেনি। তাই নো বল দেওয়ার প্রবনতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। তবে ১ বলে ১৫ রান এটা নতুন। নাইম ইসলামের বিপক্ষে ওশান থমাস ইনিংসের প্রথম বলেই ক্যাচ লুফে নেন তিনি। আম্পায়ারের কলে সেটা ছিল নো বল। ফ্রি-হিটের পরের বলে ছিল ডট। সেটা ছিল লিগ্যাল ডেলিভারি। এরপরেই আসে ওশান থমাসের লিগ্যাল ডেলিভারির জন্য লম্বা সংগ্রাম। নো বলে ৬ রান হজম করেছেন। এরপর দুই ওয়াইড বল। পরের নো বলে হজম করেছেন ৪ রান। ততক্ষণে চলে এসেছে ১৪ রান। স্কোরবোর্ডে ১ বলের পাশে ১৫ রান। শেষ পর্যন্ত বৈধ বল ওশান থমাস করেছেন। সেটায় ছিল ডট। তারপর ফের একটা নো-বল। সেই বলেও ক্যাচ হয়েছিলেন নাইম। দ্বিতীয়বার জীবন পান ওই এক ওভারেই। ফ্রি-হিটের পর অবশ্য নিজেকে আর বাঁচাতে পারেননি অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। বোসিস্টোর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয় তাকে। এর আগে এক বলে ১৩ রান নিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন ভারতের ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল। চলতি বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এমন কীর্তি গড়েছিলেন ভারতের এই ওপেনার। অবশ্য সেবার ৭ রান তিনি পেয়েছিলেন নো-বল থেকে আর ১টা ছিল ছক্কার মার। এর আগে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) এর ম্যাচে ১ বলে ১৪ রান তুলেছিলেন ওশান থমাস। আরটিভি/ এসআর  
থমাসের নো বল নিয়ে সন্দেহ, আবারও দেখতে চান কোচ তালহা
আরও পড়ুন
ভারত যেন আমাদের অশান্তির কারণ হয়ে না দাঁড়ায়: জামায়াত আমির
ভারতের বিপক্ষে শরফুদ্দৌলার সিদ্ধান্তে পক্ষে-বিপক্ষে মত
ভারতীয় ভিসা বন্ধে ভ্রমণ খাতে বিরূপ প্রভাব 
মেলবোর্নে ভারতকে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া