
নওগাঁর ধামইরহাটে মো. সাব্বির আহমেদ নামে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক প্রস্রাব খাইয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে।
বুধবার (১ জুন) সকাল থেকে এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। দ্রুত ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানান এলাকাবাসী।
জানা গেছে, উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নের মো. মাহবুব আলমের ছেলে সাব্বির আহমেদ ওই ইউনিয়নের চকচান্দিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত মঙ্গলবার এ ঘটনাটি ঘটে। এর কয়েক দিন আগে বিদ্যালয়ের ছাদে উঠে ওই শিক্ষার্থী দুরন্তপনার ছলে প্রস্রাব করলে তার জের ধরে সহকারী শিক্ষিকা শাহানা বেগম স্কুল ছাত্রকে নির্যাতন করতে থাকেন। একপর্যায়ে রাগ নিয়ন্ত্রণ না করতে পেরে একটি প্লাস্টিকের বোতলে পুনরায় প্রস্রাব করতে বলেন সাব্বিরকে। পরে সেই বোতলে থাকা প্রস্রাব জোরপূর্বক পান করতে বাধ্য করেন অভিযুক্ত ওই শিক্ষিকা।
শিক্ষার্থীর মা সাবিনা আক্তার বলেন, আমার ছেলে বিদ্যালয়ের ছাদে প্রস্রাব করার কারণে বেধড়ক মারপিট করেছে এবং প্রস্রাব খাওয়ানো হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. এরশাদ আলী জানান, ঘটনা জানতে পেরে আমি গিয়ে দেখি বোতলে প্রস্রাব হাতে ছাত্রটি দাড়িয়ে ছিল। প্রস্রাব খেয়েছে কি না, আমি তা নিজ চোখে ঘটনাটি দেখিনি। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষিকা সবার নিকট ক্ষমা চেয়েছেন।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের জবাবে অভিযুক্ত শিক্ষিকা শাহানা বেগম পুরো ঘটনাটি অস্বীকার করেন।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. আজমল হোসেন জানান, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক আমরা ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে জেলা শিক্ষা অফিসের বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।




