টানা বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জের পাঁচটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। অব্যাহতভাবে বাড়ছে কালনী, কুশিয়ারা নদীর পানি।
কুশিয়ারা নদীতে শেরপুর পয়েন্টে ইতোমধ্যেই বিপৎসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। বালুর বস্তা নিয়ে নদীর বাঁধ রক্ষায় প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। যেকোনো সময় বাঁধ ভাঙতে পারে এবং বাঁধ ভাঙলে বন্যা ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করছে তারা।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মিনহাজ আহমেদ শোভন আরটিভি নিউজকে জানিয়ছেন, আজমিরীগঞ্জের নিকলী ঢালা বাঁধ ভেঙে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বানিয়াচং উপজেলারও কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। নবীগঞ্জ উপজেলার পাহারপুর, রাধাপুর, দিঘলবাগ ও দুর্গাপুর এলাকায় বাঁধ দিয়ে পানি প্রবেশ করছে। আউশকান্দি ও দিঘলবাগ ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। নবীগঞ্জ উপজেলার পাহারপুর ও রাধাপুরে কুশিয়ারা নদীর পানি প্রবেশ করছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্টেট শাহ জহুরুল হোসেন জানান, জেলার বিভিন্ন উপজেলার বন্যাকবলিতদের জন্য ইতোমধ্যে শুকনো খাবারের প্যাকেট উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। গতকাল বিকেলে সদর উপজেলার লোকড়া ইউনিয়নের গোপালপুর এলাকায় খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে লাখাই ও হবিগঞ্জ সদর উপজেলার নিম্নাঞ্চলের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।