শেরপুরে কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় টুটুল মিয়া নামে এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অপহরণের আলাদা মামলায় তাকে ১৪ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) দুপুরে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় দেন।
রায়ে আসামিকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপহরণ মামলায় তাকে ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। উভয় সাজা একইসঙ্গে চলবে। সাজাপ্রাপ্ত ২৮ বছরের টুটুল মিয়ার বাড়ি সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের নাওভাঙ্গা গ্রামে।
ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি গোলাম কিবরিয়া বুলু এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, ২০২০ সালের ১২ মে শেরপুর সদর উপজেলার রঘুনাথপুর শোলারচর গ্রামের নাওভাঙ্গা ব্রিজ থেকে এক কিশোরীকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে অপহরণ করেন পাশের এলাকার টুটুল মিয়া। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে ১৪ মে টুটুল মিয়া এবং তার এক ভাই ও মা-বাবাকে আসামি করে সদর থানায় মামলা করেন।
ওই মামলায় পরদিন অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধার করে টুটুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
একই বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর শুধু টুটুল মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে জামিনে বেরিয়ে পালিয়ে যান টুটুল।