ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

মনু নদ খনন প্রকল্প মাঝ পথে বাতিল

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১১:২৮ এএম
ছবি: সংগৃহীত

সারা বছর মনু নদে নৌযান চলাচলের উপযোগী করতে খননের উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ। বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থের অপচয় করে মাঝ পথে এসে বাতিল করা হয়েছে মৌলভীবাজারের মনু নদ খনন প্রকল্প। এ খবর জানাজানি হওয়ার পর মনু নদীর বাসিন্দারা বন্যাতঙ্কে ভোগছেন।

মৌলভীবাজারের মনু নদের নাব্য বাড়াতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) মনু নদ অংশে যে প্রকল্প নিয়েছিল, সেটি আর অগ্রসর হচ্ছে না। মনু নদের খনন প্রকল্প বাতিল করা হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান খননের জন্য আনা ড্রেজারগুলো মনু নদ থেকে সরিয়ে নিয়েছে। মনু নদকে নৌযান চলাচলের উপযোগী করতে ২০১৮ সালের ১৫ অক্টোবর খননকাজ শুরু করেছিল বিআইডব্লিউটিএ। এ প্রকল্পে ছিল মনু ব্যারাজের ভাটি থেকে মনু নদ যে স্থানে কুশিয়ারা নদীতে মিলিত হয়েছে, সেখান পর্যন্ত প্রায় ২৬ কিলোমিটার খনন করে নাব্য বাড়ানো হবে। খনন এলাকা থেকে প্রায় ২০ লাখ ঘনমিটার মাটি সরিয়ে নেওয়ার কথা ছিল। নদের তলদেশে প্রস্থে ২৫ মিটার এবং আট ফুট গভীর করে খননের নকশা করা হয়। সাত মাসের মধ্যে খননকাজ শেষ করার জন্য সময় বেঁধে দেওয়া ছিল।

একাধিকবার সময় বাড়ানোর পর কাজ শেষ করতে না পারায় মনু নদ খনন কার্যক্রম বাতিল করেছে বিআইডব্লিউটিএ। বিআইডব্লিটিএ দাবি করছে, এই সময়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নদের তলদেশ থেকে সাড়ে ছয় লাখ ঘনফুট মাটি সরিয়েছে। এদিকে পলি ও বালু জমে পুরো মনু নদই ভরাট হয়ে আছে। ২০১৮ সালে বন্যা হয়ে মৌলভীবাজার জেলা শহরের একাংশসহ কুলাউড়া, রাজনগর ও মৌলভীবাজার সদরের বেশির ভাগ এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। গত বছর বর্ষা মৌসুমে কয়েকবারই মনুর পানি বিপতসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। সামনেই বর্ষা মৌসুম। নদ খননের অগ্রগতি না হওয়া এবং এখন খননকাজ বাতিল হওয়ায় আসন্ন বর্ষায় বন্যা নিয়ে এই জনপদের মানুষ আতঙ্কে রয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএ ও পাউবো সূত্রে জানা গেছে, অভ্যন্তরীণ নৌপথের ৫৩টি রুটে ক্যাপিটাল ড্রেজিং (প্রথম পর্যায় : ২৪টি নৌপথ)’ প্রকল্প গ্রহণ করে বিআইডাব্লিউটিএ। সেই প্রকল্পের আওতায় সারা বছর মনু নদ নৌযান চলাচলের উপযোগী করতে খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। মৌলভীবাজার সদরের মনুমুখ ইউনিয়নের কুশিয়ারা নদীর মনুমুখ থেকে চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের মাতারকাপন এলাকার মনু নদ প্রকল্পের ব্যারাজ পর্যন্ত ২৬ কিলোমিটার খননের পরিকল্পনা করা হয়। এতে ২০ লাখ ঘনমিটার মাটি কাটার কথা ছিল। খননকাজের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ২৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।

বিআইডাব্লিউটিএর সঙ্গে ২০১৭ সালের ২৬ নভেম্বর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের খননকাজের চুক্তি অনুযায়ী ২০১৮ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে কাজ শুরু হয়। ২০১৯ সালের মে মাসে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। সেই লক্ষ্যে মনু নদের বালিয়াকান্দি, দুর্লভপুর, নতুনবাজার, মনুমুখ ও মীরপুর ঢেউপাশা এলাকায় খনন হয়েছে। এতে প্রায় সাড়ে ছয় লাখ ঘনমিটার মাটি খনন করা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হবে না বলে সময়সীমা এ বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এ পর্যায়ে এসে আগাম বৃষ্টির কারণে গত বছরের এপ্রিলে মনু নদে পানি ও স্রোত বাড়লে খনন কাজ বন্ধ হয়ে যায়। বিআইডাব্লিউটিএ সূত্র জানিয়েছে, নদের বাকি অংশ এখন খনন করবে পাউবো।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছে। বিআইডাব্লিউটিএ মনু নদ খনন প্রকল্পের বাকি টাকা অন্য নদ-নদী খননের কাজে বরাদ্দ করেছে।

বিআইডাব্লিউটিএর সহকারী প্রকৌশলী সমীর পাল বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড মনু নদ নিয়ে একটি বড় প্রকল্প নিচ্ছে। সেই কারণে আমরা (বিআইডাব্লিউটিএ) আর খনন করছি না। তবে যতটুকু খনন হয়েছে, তাতে প্রায় সাড়ে ছয় লাখ ঘনফুট মাটি মনু নদ থেকে সরানো হয়েছে।

পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী রণেন্দ্র শংকর চক্রবর্তী আরটিভি অনলাইনকে বলেন, মনু নদে তো এখন কোনও নৌপথ নেই। কী বিবেচনায় তখন তারা এই নদে খনন প্রকল্প দিয়েছিল, সেটা বলতে পারব না। আমাদের প্রকল্প একনেকে পাস হওয়ার পর পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বন্যা নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করতে অন্তত তিন মাস সময় লাগবে।

এদিকে গেলে রোববার নয় ফেব্রুয়ারি পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক সরকারি সফরে মৌলভীবাজার এসে চাঁদনীঘাটে মনু নদের শহর রক্ষা বাঁধ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের জানান, মনু নদের জন্য এক হাজার দুই কোটি টাকার একটি বড় প্রকল্প একনেকে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মনু তীরের লোকজন আর বন্যাকবলিত হবে না।

জেবি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শিক্ষকের পরিবারের নারী সদস্যকে গালিগালাজ, এলাকাবাসীর মানববন্ধন
মাদারীপুরে একেডি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল চন্দ্র নাগ ও তার পরিবারের নারী সদস্যকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থী-শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।  বৃহস্পতিবার কালকিনি উপজেলার ডাসার থানাধীন দর্শনা বাজারে এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। ব্যানার-ফেস্টুন হাতে ঘণ্টাব্যাপী চলা মানববন্ধনে প্রধান শিক্ষক ও তার পরিবারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দেয়ার প্রতিবাদ জানানো হয়।  এ সময় বক্তারা দ্রুত এই ঘটনার সাথে জড়িত ও অভিযুক্ত ডাসার ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান কাজী সবুজের বিচার দাবী করেন। গত ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিদ্যালয়ের কমিটি করাকে কেন্দ্র করে কালকিনি উপজেলার ডাসার ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান কাজী সবুজ একেডি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল চন্দ্র নাগের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের নারী সদস্যসহ প্রধান শিক্ষককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এরই প্রতিবাদ ও দোষীর বিচারের দাবীতে অনুষ্ঠিত হয় এই মানববন্ধন। উল্লেখ, ২০১৭ সালের ১৭ অক্টোবর ইয়াবাসহ ডাসার থানা পুলিশের হাতে আটক হয় ইউপি চেয়ারম্যান কাজী সবুজ। পরে পুলিশের দায়ের করা মামলায় তাকে পাঠানো হয় কারাগারে। এর আগে ২০১১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর চুরি, ডাকাতি ও অস্ত্র মামলায় তাকে গ্রেফতার করে জেলার  গোয়েন্দা পুলিশ। এছাড়া তার বিরুদ্ধে মাদক সেবন ও বিক্রিসহ নানা অভিযোগে এনে পদত্যাগ দাবী করে একাধিকবার বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী। তবুও টনক নড়েনি প্রশাসনের। জিএ
শিক্ষকের পরিবারের নারী সদস্যকে গালিগালাজ, এলাকাবাসীর মানববন্ধন
দেশের প্রথম বঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘরের উদ্বোধন
দেশের প্রথম বঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘরের উদ্বোধন করা হয়েছ। মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে উপকূলীয় জেলা বরগুনায় নির্মাণ করা হয়েছে এ জাদুঘরের। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন নকশার একশ’টি নৌকার অনুকরণে শুরু হল এই জাদুঘরের। বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সংলগ্ন ৭৮ শতাংশ জমির ওপর স্থাপন করা হয়েছে জাদুঘরটি। বিশাল নৌকার আদলে তৈরি এ জাদুঘরটির দৈর্ঘ্য ১৬৫ ফিট এবং প্রস্থ ৩০ ফিট। এখানে থাকবে নৌকা গবেষণা কেন্দ্র, আধুনিক পাঠাগার, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার, শিশু বিনোদন কেন্দ্র এবং ফুড কর্নারসহ নানা আয়োজন। জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহর পরিকল্পনা ও প্রচেষ্টায় মহামারি করোনা প্রতিকূলতার মাঝেও মাত্র ৮১ দিনে সম্পন্ন হয় দেশের প্রথম নৌকা জাদুঘর নির্মাণের কাজ। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকালে জাদুঘরটির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক। এসময় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ স্থানীয় সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। নদীমাতৃক দেশের প্রধান বাহক হিসেবে হাজার হাজার বছর ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে এই নৌকা। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে দুঃসাহসিক বিভিন্ন অভিযানে নৌকা ব্যবহার করেছেন মুক্তিযোদ্ধারা। দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সাথে মিশে আছে এই নৌকা। বঙ্গবন্ধু জাদুঘরটির মাধ্যমে বিলুপ্তপ্রায় বিভিন্ন অনুকরণের নৌকার দেখা পাবে দেশের নতুন প্রজন্মরা- এমনটাই ভাবছেন স্থানীয় সচেতন মহল। জিএ 
দেশের প্রথম বঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘরের উদ্বোধন
ছুরিকাঘাতে কয়লা শ্রমিকের মৃত্যু, ছিনতাইকারী আটক
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে এহসানুল হক নামে এক কয়লা শ্রমিক হত্যকান্ডে জড়িত এক ছিনতাইকারীকে আটক করেছে পুলিশ।  বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে শহরের চন্ডিবের খাঁ বাড়ি এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৪৮ঘন্টা পর পুলিশ ঘটনার মুলহোতা এবং শহরের চিহ্নিত ছিনতাইকারী ইমনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। ইমন পৌর শহরের ভৈরবপুর মধ্যপাড়ার আড়াই বেপারীর বাড়ির মৃত মাসুদ মিয়ার ছেলে।  আজ বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার ওসি মো. শাহিন।  জানা গেছে, শহরের দুর্জয় মোড়ের পূর্ব পাশে গত সোমবার রাত সাড়ে দশটার দিকে এহসানুল হক নামে এক কয়লা শ্রমিক ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। নিহত শ্রমিক সুনামগঞ্জের বিশম্ভপুর উপজেলার বাঘগাঁও গ্রামের হিরু মিয়ার ছেলে। বিয়ের মাত্র দুই মাস পর নিহত এহসানুল তার এক চাচাসহ তারা দু’জন গত দু’সপ্তাহ আগে ভৈরবে কাজের সন্ধানে এসে ছিলেন। পরে কয়েক দিন শ্রমিকের কাজ করে কিছু টাকা জমান। পরে জমানো টাকা নিয়ে গত সোমবার রাতে তারা দুর্জয় মোড় থেকে বাড়ী যাবার সময় বাসে উঠার আগে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে। একই সাথে ছিনতাইকারীদের ধারালো ছুরির আঘাতে এহসানুল গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।  এ ঘটনায় পরের দিন মঙ্গলবার দুপুরে উত্তেজিত শত শত কয়লা শ্রমিকরা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। ফেরিঘাট থেকে মিছিল নিয়ে শ্রমিকরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দুর্জয় মোড় প্রদক্ষিণ করে ভৈরব থানায় প্রবেশ করে। পরে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করার আশ্বাস দিলে তারা ফিরে যায় এবং কাজে যোগ দেয়।  এছাড়াও এদিন (মঙ্গলবার) রাতেই নিহতের চাচা আজিজুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দু’জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুঠোফোনে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিন জানান, ঘটনার পর থেকেই পুলিশ মাঠে নামে এবং প্রকৃত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। জিএ
ছুরিকাঘাতে কয়লা শ্রমিকের মৃত্যু, ছিনতাইকারী আটক
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ১১ জন আটক
চট্টগ্রামের আকবরশাহ এলাকায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী নুরুর ১১ সহযোগীকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে ঝিল এলাকার গহীন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা, ছুরি, চাপাতি সহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। গত শনিবার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ১৭ মামলার আসামি নুরুকে খুঁজতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালায় তার সহযোগীরা। এ সময় ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়। এসময় আটক করা হয় নুরুর সেকেন্ড ইন আজমকে।  আটককৃতদের মধ্যে হামলার ঘটনায় কয়েকজন জড়িত বলে জানিয়েছেন আকবরশাহ থানার ওসি জহির হোসেন।   পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় শনিবার রাতে আকবর শাহ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঝিল এলাকায় সরকারী পাহাড়া কেটে আলিশান বাড়ী, সেমিপাকা ঘর, মসজিদ, এতিমখানা ও গরু-ছাগলের খামার তৈরি ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে নুরুর বিরুদ্ধে। জিএ
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ১১ জন আটক
নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণ: সিআইডির চার্জশিট, নাম নেই তিতাস কর্মকর্তাদের
নারায়ণগঞ্জে মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রায় চার মাস তদন্ত শেষে পুলিশের দায়ের করা মামলায় ২৯ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি পুলিশ। তবে চার্জশিট থেকে বাদ দেয়া হয়েছে তিতাস গ্যাসের অভিযুক্ত ৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডির নারায়ণগঞ্জ শাখার তদন্ত দল। চার্জশিটে প্রধান আসামি করা হয়েছে ওই মসজিদের পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবদুল গফুর মিয়াকে (৬০)।  মামলায় প্রধান আসামি আবদুল গফুর মিয়া ছাড়াও অন্যান্য আসামিরা হলেন- সামসুদ্দিন সরদার (৬০), শামসু সরদার (৫৭), শওকত আলী (৫০), অসিম উদ্দিন (৫০), জাহাঙ্গীর আলম (৪০), শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল (৪৫), নাঈম সরদার (২৭), কাইয়ুম (৩৮), মামুন মিয়া (৩৮), আলমগীর সিকদার (৩৫), মাওলানা আল আমিন (৪৫), সিরাজ হাওলাদার (৫৫), নেওয়াজ মিয়া (৫৫), নাজির হোসেন (৫৬), আবুল কাশেম (৪৫), দেলোয়ার হোসেন, বশির আহমেদ (হৃদয়) (২৮), তানভীর আহমেদ (৪৫), আল আমিন (৩৫), আবদুল মালেক (৫৫), মনিরুল (৫৫), স্বপন মিয়া (৩৮), আসলাম আলী (৪২), আলী তাজম (মিল্কী) (৫৫), রিমেল (৩২), আরিফুর রহমান (৩০), মোবারক হোসেন (৪০) ও রায়হানুল ইসলাম (৩৬)।  তবে তাদের বিস্তারিত পরিচয় এখন পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি। সিআইডি পুলিশের নারায়ণগঞ্জ জেলার বিশেষ পুলিশ সুপার নাসির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সরকারি বিধিনিষেধ থাকায় তিতাসের অভিযুক্ত আট কর্মকর্তা-কর্মচারিকে আপাতত চার্জশীটে লিপিবদ্ধ করা না হলেও তাদেরকে মামলায় রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে  অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদন পেলেই তাদেরকে আসামি হিসেবে চার্জশীটে সম্পৃক্ত করা হবে। তবে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি তিনি। নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, সিআইডি আদালত পুলিশের কাছে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চার্জশিট জমা দিয়েছে। রোববার তা আদালতে পেশ করা হবে। উল্লেখ্য, গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে এশার নামাজ চলাকালে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার পশ্চিম তল্লা এলাকার বাইতুস সালাত জামে মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মসজিদের অভ্যন্তরে বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ থেকে স্পার্ক ও অবৈধ গ্যাস পাইপ লাইনের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসের মিশ্রনে এই বিস্ফোরণ হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা সিআইডি পুলিশ। এই বিস্ফোরণে ৩৭ জন গুরুতর দ্বগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে তাদের মধ্যে ৩৪ জন মারা যান। জিএ
নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণ: সিআইডির চার্জশিট, নাম নেই তিতাস কর্মকর্তাদের
আরও পড়ুন
আরও এক সপ্তাহ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্থগিত করলো সৌদি
জমে উঠেছে বাকেরগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচন
বালুবোঝাই ট্রাকের চাপায় শ্রমিক নিহত
পৌর নির্বাচনে ১৪৭ জনের মনোনয়ন বাতিল