ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
ধানক্ষেতে লুকিয়েও শেষ রক্ষা হলো না আ.লীগ নেতার
ধানক্ষেতে লুকিয়েও শেষ রক্ষা হলো না আ.লীগ নেতার
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান এড়াতে ধানক্ষেতে আত্মগোপন করেও শেষ রক্ষা হয়নি হাজী মজনু সরকার (৪৬) নামে এক আওয়ামী লীগ নেতার।
গাইবান্ধায় জমি নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১৬
গাইবান্ধায় জমি নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১৬
হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য যাত্রাপালা
হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য যাত্রাপালা
একই দিনে জন্ম, একই দিনে পুকুরে ডুবে মৃত্যু দুই ভাই-বোনের
একই দিনে জন্ম, একই দিনে পুকুরে ডুবে মৃত্যু দুই ভাই-বোনের
ভিডিওর ভয় দেখিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর কাছ থেকে টাকা আদায়, মাদরাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার
ভিডিওর ভয় দেখিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর কাছ থেকে টাকা আদায়, মাদরাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার
নিখোঁজের দু’দিন পর বিলের পানিতে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ
নিখোঁজের দু’দিন পর বিলের পানিতে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ
ভোর হলেই বিয়ে, গায়ে হলুদের রাতে বরের মৃত্যু
ভোর হলেই বিয়ে, গায়ে হলুদের রাতে বরের মৃত্যু
মা-বাবার শখ পূরণ করতে হাতির পিঠে বরযাত্রা
বিয়ের বরযাত্রা মানেই সাধারণত গাড়ি, মাইক্রোবাস কিংবা ঘোড়ার গাড়ি। তবে ব্যতিক্রমী আয়োজন করে আলোচনায় এসেছেন গাইবান্ধার সাকিব মিয়া। পরিবারের একমাত্র ছেলের বিয়েতে মা-বাবার দীর্ঘদিনের শখ পূরণ করতে হাতির পিঠে চড়ে কনের বাড়িতে যান তিনি। ব্যতিক্রমী এই বরযাত্রা দেখতে কনের বাড়িতে ভিড় করেন বিভিন্ন বয়সী উৎসুক মানুষ। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের চকনদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বর সাকিব মিয়া চকনদী গ্রামের সাইদ আলীর ছেলে। তিনি একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত। তার কনে সুরাইয়া আক্তার একই উপজেলার হিংগারপাড়া গ্রামের খোকন মিয়ার বড় মেয়ে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে হাতির পিঠে চড়ে কনের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন সাকিব। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন একমাত্র দুলাভাই। পরিবারের অন্য সদস্য ও বরযাত্রীরা মাইক্রোবাসে করে কনের বাড়িতে যান। পরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ধাপেরহাট ইউনিয়নের হিংগারপাড়া গ্রামে কনের বাড়িতে পৌঁছান সাকিব। হাতির পিঠে বরের আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়লে তাকে একনজর দেখতে সেখানে জড়ো হন আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বয়স্কদের মধ্যেও দেখা যায় ব্যাপক কৌতূহল। সন্ধ্যা ৭টার দিকে সুরাইয়া আক্তারের সঙ্গে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয় সাকিবের। যৌতুকবিহীন এ বিয়েতে দেনমোহর নির্ধারণ করা হয় আড়াই লাখ টাকা। বিয়ের আসরেই নববধূকে দেনমোহরের অর্থ বুঝিয়ে দেন বর। পরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাতেই নববধূকে নিয়ে বাড়ি ফেরেন তিনি। বরের বোন জানান, পরিবারের একমাত্র ছেলের বিয়েতে মা-বাবার দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল ছেলেকে হাতির পিঠে চড়িয়ে বিয়ে করানোর। সেই শখ পূরণ করতেই নেওয়া হয় ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগ। সাকিব মিয়া বলেন, ‘বিয়ে জীবনের একটি বিশেষ দিন, যা বারবার আসে না। মা-বাবার দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল আমাকে হাতির পিঠে চড়িয়ে বিয়ে করাবেন। তাদের ইচ্ছা পূরণ এবং দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ২০ হাজার টাকা দিয়ে হাতিটি ভাড়া করে আনা হয়। মা-বাবার শখ পূরণ করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।’ স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তাদের এলাকায় হাতির পিঠে চড়ে বরের কনের বাড়িতে যাওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম। এ কারণে ব্যতিক্রমী বরযাত্রাটি দেখতে আশপাশের অনেক মানুষ ছুটে আসেন। ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শিপন জানান, মা-বাবার ইচ্ছা পূরণ করতেই হাতির পিঠে চড়ে বিয়ের এ আয়োজন করা হয়েছে। বর ও হাতিকে দেখতে বিয়েবাড়িতে শত শত মানুষের ভিড় জমে। আরটিভি/এসকে
আরও