ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

মিস ইউনিভার্স মুকুটের এত দাম!

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:৪৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

এ বছর ইসরায়েলের এলিয়াট শহরে বসেছিল মিস ইউনিভার্সের ৭০তম আসর। বিশ্বের সব সুন্দরীদের পেছনে ফেলে মিস ইউনিভার্সের শিরোপা জিতেছেন ভারতের হারনাজ সান্ধু। ২১ বছর বয়সী এই তরুণীর মাথায় মুকুট পরিয়ে দেন ২০২০ সালের মিস ইউনিভার্স মেক্সিকোর আন্দ্রেয়া মেজা। মঞ্চে সোনালি স্লিভলেস গাউনে ঝলমল করলেন হারনাজ, হিরে খচিত মিস ইউনিভার্সের তাজ তার সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সবচেয়ে দামি মুকুট এটি। হারনাজের মুকুটে কী পরিমাণ হীরা আর কত দাম- এ নিয়ে চলছে আলোচনা।

জানা গেছে, হারনাজ সান্ধুর মুকুটের দাম প্রায় ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থাৎ প্রায় ৪৩ কোটি টাকা। মুকুটের ওজন এক কেজি। তাতে ১ হাজার ৭২৫টি হীরা বসানো আছে। এর আগে কোনো প্রতিযোগীর জন্য এত দামি মুকুট তৈরি হয়নি।

মিস ইউনিভার্স খেতাব পাওয়ার পর কিছু দায়িত্ব পালন করতে হয় বিজয়ীকে। সঙ্গে পাওয়া যায় বেতনও। হারনাজ বর্তমানে যে সুযোগ-সুবিধা পাবেন, তা শুনলে চমকে যাওয়ার মতো অবস্থা হতে পারে!

হারনাজ সান্ধু আগামী এক বছরের জন্য নিউইয়র্কের একটি বিলাসবহুল পেন্টহাউসে থাকার সুযোগ পাবেন। এখন তিনি মিস ইউনিভার্স প্রতিষ্ঠানের প্রধান ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর। এই পদের ফলে তিনি পুরো বিশ্ব ভ্রমণ করার সুযোগ পেতে পারেন। তাকে প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট সব কর্মসূচিতে অংশ নিতে হবে। শুধু তা-ই নয়, এ সময় তার পোশাক থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য, সবকিছুর খেয়াল রাখার জন্য থাকবেন বিশেষজ্ঞরা। এক বছরের জন্য হারনাজ পাবেন ব্যক্তিগত মেকআপ আর্টিস্ট। তিনি কী খাবেন, কীভাবে নিজের ত্বকের খেয়াল রাখবেন সবকিছুই দেখভালের জন্য আলাদা লোক থাকবে।

এত সব দায়িত্ব পালনের জন্য চাই কাড়ি কাড়ি টাকা। এসবের জন্য যত টাকা লাগবে, তার ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি তার অন্য আয়েরও সুযোগ বাড়বে। তাকে নিয়ে সিনেমা কিংবা বিজ্ঞাপন বানানোর পরিকল্পনা তো থাকবেই।

এবারের আসরে হারনাজের সঙ্গে সেরা তিনের লড়াইয়ে ছিল প্যারাগুয়ের নাদিয়া ফেরেইরা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার লালেলা সোয়ানে। প্রতিযোগীদের প্রশ্ন করা হয়েছিল- নানামুখী চাপ মোকাবিলা করে সামনে এগিয়ে যেতে তরুণীদের প্রতি আপনার পরামর্শ কী? এর জবাবে হারনাজ বলেন, বর্তমান সময়ে তরুণীদের ওপর সবচেয়ে বড় চাপ হচ্ছে আত্মবিশ্বাসের অভাব। নিজের ওপর বিশ্বাস থাকলে নিজেকে সুন্দরভাবে প্রকাশ করা যায়। অন্যদের সঙ্গে নিজেকে তুলনা করা যাবে না।

তরুণীদের পরামর্শ দিয়ে হারনাজ বলেন, বেরিয়ে আসো, নিজের জন্য কথা বলো, কারণ তুমিই তোমার জীবনের নেতা। তুমিই তোমার কণ্ঠস্বর। আমি নিজেকে বিশ্বাস করি। আর এ কারণেই আজ আমি এখানে।

হারনাজের জন্ম পাঞ্জাবি পরিবারে। চণ্ডীগড়ের মেয়ে পেশায় মডেল, ফিটনেস লাভার ও যোগ ব্যায়ামে পারদর্শী। ইতোমধ্যেই দুটি পাঞ্জাবি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। এর আগে ২০১৭ সালে মিস চণ্ডীগড় হয়েছিলেন হারনাজ। এরপর ২০১৮ সালে ফের এমার্জিং স্টার শিরোপা পেয়েছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতায় সেরা ১২ প্রতিযোগীর মধ্যে ছিলেন। এরপর ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে মিস ডিভা ইউনিভার্স ইন্ডিয়া খেতাব পান হরনাজ। এরপর মিস ইউনিভার্সের মঞ্চে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৪ সালে ভারত প্রথম মিস ইউনিভার্স মুকুট পেয়েছিল। সেবার বিশ্বমঞ্চে ভারতের নাম উজ্জ্বল করেছিলেন বাঙালি কন্যা সুস্মিতা সেন। এরপর ২০০০ সালে মিস ইউনিভার্স খেতাব জেতেন লারা দত্ত। তারপর কেটে গেছে দীর্ঘ ২১ বছর। এবার ভারত পেল তার তৃতীয় মিস ইউনিভার্স হারনাজ সান্ধুকে।

এনএস/টিআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বছর শেষে বিশাল চমক দিলেন আনুশকা
বলিউডের তারকা অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা। স্বামী-সন্তান-সংসার সামলাতে দীর্ঘ সময় রূপালি পর্দার বাইরে রয়েছেন তিনি। তবে চলতি বছরের শেষ দিনে মিলল দারুণ সুখবর। খুব শিগগির রূপালি পর্দায় ফিরতে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। মূলত সন্তানসম্ভবা হওয়ার পর পরই শুটিং থেকে বিরতি নিয়েছিলেন আনুশকা। শুধু তাই নয়, মেয়ে ভামিকার জন্মের পরেও তাকেই বেশি সময় দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। ফলে নতুন করে আর কোন ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হননি আনুশকা। বর্তমানে মেয়ে ভামিকা একটু বড় হওয়ায় আবারও শুটিংয়ে ফিরতে যাচ্ছেন বিরাটপত্নী। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, আনুশকার হাতে এই মুহূর্তে রয়েছে তিন তিনটি বিগ প্রজেক্ট! যার মধ্যে দুটি ছবি তৈরি হতে চলেছে বড়পর্দার জন্য এবং একটি ওটিটির জন্য। তবে ওটিটির জন্য ওয়েব সিরিজ নয়, একটি ওয়েব ফিল্মে কাজ করবেন আনুশকা। যার মধ্য দিয়ে ওটিটিতে অভিনয়ে প্রথমবারের মত যুক্ত হচ্ছেন তিনি। এদিকে সূত্রের খবর, আনুশকার ওয়েব ডেবিউ ফিল্ম হতে চলেছে বিগ বাজেটের! ওটিটির জন্য এত বড় মাপের ছবি এখন পর্যন্ত বলিউডে তৈরি হয়নি। ফলে সবাই এখন আনুশকাকে পর্দায় দেখার অপেক্ষায় মুখিয়ে রয়েছেন। এনএস
বছর শেষে বিশাল চমক দিলেন আনুশকা
ক্যাটরিনার পেছনে বসে থাকা ছেলেটিই এখন ভারতের এক নম্বর পেসার
বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। ২০০৮ সালে আইপিএলের উদ্বোধনী মৌসুমে ক্যাটরিনা ছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর (আরসিবি) ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর। যে কারণে মাঠে আসতে হয়েছিল তাকে। সম্প্রতি সে সময়ের ক্যাটরিনার একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, আইপিএল দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর জার্সি পরে স্টেডিয়ামে খেলা উপভোগ করছেন ক্যাটরিনা। তবে ভাইরাল সেই ছবির আলোচনার বিষয় কিন্তু ক্যাটরিনা নন; তার পেছনে বসে হাত তালি দিতে থাকা লাজুক চেহারার সেই ছেলেটিকে ঘিরেই যত আলোচনা। অনেকেই চিনেও চিনতে পারছেন না তাকে। তাদের প্রশ্ন কে এই কিশোর? সে প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে যেতে হবে ছবিটির গভীরে অর্থাৎ ইতিহাসে। ক্যাটরিনার পেছনে আরসিবির জার্সি পরা সেই লাজুক ছেলেটি আর কেউ নন, ভারতের বর্তমান দলের সেরা পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ। যাকে ছাড়া এখন ভারত দল কল্পনা করা যায় না। ২০০৮ সালে গ্যালারিতে বসে খেলা উপভোগ করা সেই কিশোরের আইপিএলে অভিষেক ঘটে ২০১৩ সালে। আরসিবি ভক্ত বুমরাহ অবশ্য অভিষেক ম্যাচ থেকেই মুম্বাই ইন্ডিয়ানসে খেলছেন। ২০২২ আইপিএলেও মুম্বাইয়ের হয়েই খেলবেন তিনি। প্রসঙ্গত, বর্তমানে ভারতের এক নম্বর পেসার বুমরাহ। তাই ভাইরাল ছবিতে ক্যাটরিনাকে ছাপিয়ে পেছনে বসে থাকা সেই কিশোর বুমরাহকে নিয়েই চর্চা হচ্ছে বেশি। এনএস
ক্যাটরিনার পেছনে বসে থাকা ছেলেটিই এখন ভারতের এক নম্বর পেসার
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মরণে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেছে বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া লিমিটেড৷ প্রামাণ্যচিত্রটি গবেষণা, চিত্রনাট্য, আবহসংগীত ও পরিচালনা করেছেন সৈয়দ সাবাব আলী আরজু। ২০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশ প্যানারোমা বিভাগে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ প্রামাণ্যচিত্রটি প্রদর্শনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। আসছে নতুন বছরের ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে প্রামাণ্যচিত্রটি প্রদর্শিত হবে। সৈয়দ আশিক রহমান প্রযোজিত ২ ঘণ্টা ২৭ মিনিট দৈর্ঘ্যের ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’-এর ঘটনার ব্যাপ্তিকাল বাঙালি জাতিরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবছর ১৯২০ সাল থেকে তাঁর মৃত্যু দিবস ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট পর্যন্ত। এতে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর উন্মেষ পর্ব (১৯২০-১৯৪৭), বঙ্গবন্ধুর জাতীয় রাজনীতিতে পদার্পণ (১৯৪৭-১৯৫৪), বঙ্গবন্ধুর উত্থান পর্ব (১৯৫৫-১৯৬৩), স্বাধিকার ও অভ্যুত্থান পর্ব (১৯৬৩-১৯৬৯), ঐতিহাসিক নির্বাচন পর্ব (১৯৭০), স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ পর্ব (১৯৭১) এবং স্বদেশ, বিশ্বনায়ক ও প্রয়াণ পর্ব (১৯৭২-১৯৭৫)। এই প্রামাণ্যচিত্রে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন যেমন বিস্তৃতভাবে উঠে এসেছে, তেমনি উঠে এসেছে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও জনগণের অবিস্মরণীয় অবদান; সেইসাথে বাংলাদেশকে ঘিরে আন্তর্জাতিক রাজনীতির পক্ষে-বিপক্ষের বিভিন্ন কর্মকান্ড। গণমাধ্যম হিসেবে আরটিভি মনে করে, বিশ্বের কাছে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে কার্যকরভাবে তুলে ধরার জন্য ইংরেজি সাব-টাইটেলসহ সুনির্মিত প্রামাণ্যচিত্র বড় ভূমিকা রাখতে পারে। এনএস
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’
শিল্পী সমিতির সভাপতি পদে লড়বেন ইলিয়াস কাঞ্চন
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। শিগগিরই ঘোষণা হবে নির্বাচনী তফসিল। এর মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন শিল্পীরা। বেশ আগেই জানা গিয়েছিল এবারের নির্বাচনে অভিনেত্রী নিপুণ একটি প্যানেল তৈরি করবেন। এবার জানা গেল সেই প্যানেল থেকে অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন সভাপতি পদে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন। ইলিয়াস কাঞ্চন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার কাছে ওরা এসেছে। প্রস্তাব দিয়েছে। আলোচনা করে ভালো লেগেছে। তাদের ভাবনা ও দর্শন সিনেমা এবং শিল্পীবান্ধব। আসলে তফসিল ঘোষণার আগে কোনো কিছু বলা উচিত নয়। আর আমার নির্বাচনের বিষয়টা অনেক গোপন ছিল। কিভাবে চাউর হলো বুঝতে পারছি না।' তিনি আরও বলেন, '৭ জানুয়ারির পর্যন্ত সময় নিয়েছি। এরপর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেব।' এদিকে সেক্রেটারি পদপ্রার্থী অভিনেত্রী নিপুণ বলেন, 'আমরা একটি মজবুত নেতৃত্ব নিয়ে আসতে চাই চলচ্চিত্র শিল্পীদের জন্য। সেই ভাবনায় ইলিয়াস কাঞ্চন সাহেব আমাদের যোগ্য অভিভাবক হবেন। উনাকে পেলে আমরা অনুজরা সাহস পাবো। অনেক কিছু করতে পারবো বলে আশা রাখি। তাই সবাই মিলে অনুরোধ করেছি। তিনি রাজি হয়েছেন। সম্পূর্ণ প্যানেল ঠিক হওয়া পর আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবো।' নিপুণের প্যানেলের সভাপতি কে হচ্ছেন তা জানা গেলেও জায়েদ খানের প্যানেল থেকে এখনো কোনো ঘোষণা আসেনি। ধারণা করা হচ্ছে, দুই-এক দিনের মধ্যে তিনিও সব জানাবেন। এনএস
শিল্পী সমিতির সভাপতি পদে লড়বেন ইলিয়াস কাঞ্চন
অবশেষে বিয়েতে রাজি মিমি
কলকাতার জনপ্রিয় নায়িকা ও সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তী। পর্দার মতো রাজনীতির মাঠেও তার দাপুড়ে বিচরণ। তবে সিনেমা ও রাজনীতি দক্ষ হাতে সামলালেও নিজের সংসার গুছিয়ে উঠতে পারেননি। ৩২ বছর পেরিয়ে এখনো সিঙ্গেল তিনি। প্রেম, বিচ্ছেদের পালা চুকিয়ে অবশেষে বিয়ে করতে রাজি এই অভিনেত্রী। মিমি বলেন, ‘পরিবার থেকে নিয়মিতই বিয়ের জন্য বলা হচ্ছে। মা চায় আমি বিয়ে করি। আমিও বিয়ে করতে চাই। তবে তার জন্য সময়ের অপেক্ষা। চোখের সামনে এত সম্পর্ক ভাঙতে দেখি! জানি না...।’ তিনি আরও বলেন, ‘খারাপ-ভাল মিশিয়ে কেটে গেল বছর। আমি খুশি, সুস্থ আছি। নিজের মতো জীবন কাটাতে পারছি। আমার থালায় খাবার আছে। যদি কাউকে অনিচ্ছায় দুঃখ দিয়ে থাকি, নতুন বছরে চেষ্টা করব সেই দুঃখ না দেওয়ার। নতুন বছর এসে দাঁড়ানো মানেই সময় ফুরিয়ে যাওয়া।’ প্রেমের সম্পর্কে বিচ্ছেদের পর দীর্ঘদিন ধরে একাই আছেন মিমি। বেশ কয়েক বছর তার সঙ্গী ছিল প্রিয় পোষ্য চিকু। বিদায়ী বছরটিতে তাকেও হারিয়েছেন নায়িকা। এটাই মিমির এ বছরের সবচেয়ে বড় কষ্টের ঘটনা। সামনের দিনগুলোতে যাতে আপনজনকে হারাতে না হয়, সেটা নিয়েই তার ভয়। মিমির ভাষ্য, ‘বছরটা শেষ হয়ে আসছে। একটাই ভয়, আমার কাছের মানুষগুলো যেন হারিয়ে না যায়। ভালবাসার মানুষের বড্ড অভাব যে!’ এনএস
অবশেষে বিয়েতে রাজি মিমি
আরও পড়ুন
পশ্চিমবঙ্গে শিশুসহ আরও ৫ জনের ওমিক্রন
ভারত থেকে সনদ নিয়ে ফেরা যাত্রীর করোনা শনাক্ত
কাশ্মীরে গোলাগুলিতে দুই পাকিস্তানিসহ নিহত ৬
ভারতের বিপক্ষে জিততেই নামবে টাইগার যুবারা