ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

সাত সাগর ১৩ নদী পাড়ি হাবিব-নাতালিয়ার 

আতিকা রহমান

প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৫:২৬ পিএম
হাবিব-নাতালিয়া

সত্যি সত্যি স্বপ্নের রাজকন্যার দেখা পেতে সাত সাগর আর ১৩ নদী পাড়ি দিয়ে জার্মান গিয়েছিলেন বাংলাদেশের তরুণ প্রকৌশলী হাবিব।

শুধু স্বপ্ন নয়, বাস্তবেই রূপনগরের রাজকন্যার দেখাও পেয়ে যান সেখানে। আর সেই রূপনগরের রাজকন্যা যেন বসে ছিলেন সাগরের তীরে বনলতা সেনের মতো।

হাবিবের উদ্দেশে বেলারুশের তরুণী নাতালিয়া বললেন, এত দিন কোথায় ছিলেন? হাবিবের সঙ্গে পরিচয়ে যেন অনেক শান্তি পেয়েছিলেন নাতালিয়া। ভালোবাসার এমন গল্প বাংলাদেশি ছেলে হাবিব ও বেলারুশের মেয়ে নাতালিয়ার। প্রেম মানে না কোনো বাধা, মানে না কোনো জাত কিংবা দেশের সীমান্ত। এর জ্বলন্ত উদাহরণ হাবিব-নাতালিয়া দম্পতি।

বাংলাদেশের ছেলে হাবিব রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে উচ্চশিক্ষার জন্য জার্মান যান। জার্মানির বিখ্যাত ফুটবল ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ স্টেডিয়ামে স্টুডেন্ট জব করতে গিয়ে হাবিবের সঙ্গে পরিচয় হয় বেলারুশের মেয়ে নাতালিয়ার। ধীরে ধীরে তা বন্ধুত্ব থেকে প্রেমে রূপ নেয়। দুজন দু’দেশের হলেও একে অপরের প্রতি প্রেমের টান, আস্থা ও বিশ্বাসের মাধ্যমে বন্ধন গড়ে তোলেন। ৪ বছরের প্রেম শেষে ২০১৭ সালের ৯ জুলাই বিয়ে করেন। তাদের দুই বছরের মেয়ে নাদিয়া। বর্তমানে তারা জার্মানির পূর্বাঞ্চলের সাক্সনি অঙ্গরাজ্যের কেমনিজ শহরে বসবাস করছেন। জানুয়ারিতে দেশে এসে বাংলাদেশি রীতিতে গায়েহলুদ ও বিয়ের আয়োজন করেন।

বাংলাদেশ সফরে এসে মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হন এই দম্পতি। জার্মানিতে দীর্ঘ লকডাউনের একঘেঁয়েমি কাটাতে সখের বশেই, ২০২০ সালের অক্টোবরে ‘নাতালিয়া অ্যান্ড হাবিব-দ্যা মিক্স ম্যাচ ফ্যামিলি’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজ খোলেন। নাতালিয়ার ভাঙা ভাঙা বাংলা ও তার বাংলা সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা এবং তাদের মেয়ে ছোট নাদিয়ার সরব উপস্থিতি, অল্পদিনেই তাদের ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ জনপ্রিয় হাবিব-নাতালিয়া। কথা বলেছেন আরটিভির সঙ্গে।

ভিন্ন দেশের হওয়ার পরও নাতালিয়াকে পছন্দ করার কারণ কী?

হাবিব : আমি মনে করি সম্পর্কের ক্ষেত্রে দেশ কোনো বাধা হতে পারে না। নাতালিয়ার সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর আমি বুঝতে পারি। নাতালিয়া কোন দেশের এটা আমার কাছে মুখ্য না। নাতালিয়া ভীষণ ভালো একটা মেয়ে, অনেকটা আবেগপ্রবণ। ওর ভালোবাসাটা নিঃস্বার্থ। আমাকে অনেক ভালো বোঝে। আমাদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়াটা অনেক ভালো। আমাদের সম্পর্কের গভীরতা এতটা ছিল যে, নাতালিয়া অন্য দেশের কখনো মনে হয়নি। সেই অনুভূতি থেকেই আমি বুঝতে পারি জীবনসঙ্গী হিসেবে নাতালিয়া আমার জন্য ঠিক আছে।

হাবিবের কোন বিষয়গুলো আপনাকে আকৃষ্ট করে?

নাতালিয়া : হাবিব খুবই রোমান্টিক একটা ছেলে। মানুষের সঙ্গে খুব সহজে মিশতে পারে। হাবিবের সঙ্গে মিশে আমি বুঝতে পারি, সে অত্যন্ত সৎ এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তি। আমার ভালো থাকার জন্য হাবিব সবকিছু করতে পারে। বাংলাদেশি ছেলেরা ভীষণ আন্তরিক ও দয়ালু। যা আমাকে ভীষণভাবে আকৃষ্ট করে।

প্রথমবার বাংলাদেশ সফর করে কেমন লাগল?

নাতালিয়া : বাংলাদেশে এসে ভীষণ একসাইটেড আমি। আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে প্রথমবার দেখে এবং তাদের সঙ্গে মিশে এত ভালো লেগেছে যে, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। আমাকে খুবই আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছে হাবিবের পরিবার। তবে খারাপ লেগেছে, আমার শ্বশুর মারা গেছেন গত বছর। তার সঙ্গে দেখা হলো না। এটা আমার জন্য অনেক কষ্টের। বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসায় আমি কৃতজ্ঞ। এখানে এসে নতুনভাবে গায়েহলুদের অনুষ্ঠান, বাংলাদেশের মতো বিয়ের প্রোগ্রাম। এটা একেবারেই ভিন্ন রকম অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের গায়েহলুদ ও বিয়ের অনুষ্ঠান সত্যি ভিন্ন রকম। পোশাক সাজগোজ এসব কিছু মিলিয়ে অপূর্ব এক অনুভূতি হয়েছে। যা আমার কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

নাতালিয়াকে নিয়ে বাংলাদেশে এসে কেমন লাগল?

হাবিব : আমি কখনো কল্পনা করিনি বাংলাদেশে আমাদের এত ভক্ত আছে। এত মানুষের ভালোবাসায় আমি অভিভূত ও কৃতজ্ঞ। নাতালিয়া তো প্রথমে আমার মা-ভাই-ভাবিসহ পরিবারের লোকজনকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ে। সে আমার পরিবারের মানুষকে ভীষণ আপন করে নিয়েছে। আমাদের গায়েহলুদের অনুষ্ঠান, বিয়ের প্রোগ্রামে বউ সাজাসহ সবকিছু ভীষণ উপভোগ করেছে। গ্রামের পরিবেশ মানুষের আন্তরিকতায় সে মুগ্ধ হয়েছে। যেখানেই নাতালিয়া গিয়েছে তাকে দেখার জন্য মানুষ ছুটে এসেছে। এটা আমার জীবনের অন্যতম একটা পাওয়া।

আপনাদের সুখী দাম্পত্য জীবনের রহস্য কী?

হাবিব : আসলে প্রেম বা ভালোবাসার ক্ষেত্রে ভিন্ন দেশ বা ভিন্ন সংস্কৃতি কোনো বাধা হতে পারে না। ভালোবাসার জন্য শুধুই ভালো মন প্রয়োজন। সম্পর্কের ক্ষেত্রে একে অপরের প্রতি আস্থা, বিশ্বাস এবং একে অন্যকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমি যেমন নাতালিয়ার ভালো লাগা বা মন্দ লাগাকে বুঝি, তেমনি নাতালিয়াও আমার সবকিছুকে গুরুত্ব দেয়। জার্মানিতে থাকলেও প্রতিনিয়ত নাতালিয়া আমার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে। তাই আমাদের আত্মার বন্ধনটা অনেক দৃঢ়। আমি নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে করি যে নাতালিয়ার মতো মেয়েকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়েছি। আমাদের পেশাগত জীবনের বাহিরে সন্তান লালন-পালন করি। নিজেদের সংসারের কাজে একে অপরকে সহযোগিতা করি।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বছরের শেষ ভিডিওবার্তায় যা বললেন বুবলী
বিদায়ের ক্রান্তিলগ্নে ২০২২ সাল। কিছু মুহূর্ত পরেই শুরু হবে নতুন বছর। ইতোমধ্যে নতুন বছরকে বরণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। তবে নতুন বছর শুরুর আগেই সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভিডিওবার্তা দিয়েছেন সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় বুবলী বলেন, সকলকে নতুন বছরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। হ্যাপি নিউ ইয়ার। ২০২২ শেষ, ২০২৩ সাল আসছে। ২০২৩ সাল যেন সবার জীবনে বয়ে আনে শান্তি এবং ভালোবাসা। এছাড়াও সকলের সুস্থতা কামনা করেন বুবলী। এমনকি পরিবারকে সময় দিতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বছরের শেষ ভিডিওবার্তায় যা বললেন বুবলী
সালতামামি ২০২২ / প্রেক্ষাগৃহে দর্শক টেনেছে যেসব সিনেমা
করোনা মহামারির প্রকোপ কাটিয়ে বিদায়ী বছরে এসে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ঢালিউড। ‘পরাণ’, ‘হাওয়া’র মতো সিনেমার সাফল্যে জোয়ার ওঠে বাংলা সিনেমায়। একের পর এক প্রশংসনীয় সিনেমার কারণে হলমুখী হয়েছেন দর্শকরা। চলুন এক নজরে জেনে নেওয়া যাক ২০২২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত আলোচিত কিছু সিনেমা প্রসঙ্গে- হাওয়া : মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘হাওয়া’। মুক্তির আগে থেকেই গানে গানে আলোচিত ছিলো সিনেমাটি। বিশেষ করে ‘সাদা সাদা কালা কালা’ গানে মেতেছিলেন শ্রোতারা। মুক্তির পর প্রেক্ষাগৃহগুলোতে হাউজফুল গেছে সিনেমাটি। পাশাপাশি বিক্রি হয়েছে অগ্রিম টিকিটও। সুস্থধারার বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকদের মাঝে সিনেমা হলে যাওয়ার আগ্রহের যে জোয়ার তৈরি হয়েছে, সেটি ‘হাওয়া’ আরও এগিয়ে নিয়েছে বলে মনে করছেন দেশের সিনেমাবোদ্ধা ও অভিজ্ঞরা। তারকাবহুল এ সিনেমায় অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, নাজিফা তুষি, শরিফুল রাজ, সুমন আনোয়ার, নাসির উদ্দিন খান, সোহেল মণ্ডল, রিজভী রিজু, মাহমুদ হাসান ও বাবলু বোস। অপারেশন সুন্দরবন : এক সময় সুন্দরবন ছিলো ডাকাতদের একতরফা দাপট। তাদের নির্যাতনে সবসময় তটস্থ থাকত জেলেরা। অপহরণ, মুক্তিপণ দিতে না পারলে হত্যা- সবই নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সুন্দরবনকে দস্যুমক্ত করার জন্য র‌্যাবের দুঃসাহসিক অভিযানের ঘটনা নিয়েই নির্মিত হয়েছে ‘অপারেশন সুন্দরবন’। র‌্যাব ওয়েলফেয়ার কো-অপারেটিভ সোসাইটির প্রযোজনায় সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন দীপংকর দীপন। ভিন্ন ধারার এই সিনেমা দর্শক দারুণভাবে গ্রহণ করেছে। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রিয়াজ আহমেদ, সিয়াম আহমেদ, নুসরাত ফারিয়া, জিয়াউল রোশান, মনোজ প্রামাণিক, দর্শনা বণিক, তাসকিন আহমেদ, রাইসুল ইসলাম আসাদসহ অনেকে। শান : সত্য ঘটনা অবলম্বনে পুলিশি অ্যাকশন থ্রিলার গল্পের ‘শান’ সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে গত ৩মে। এম রাহিমের পরিচালনায় এতে মূখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ। তার সঙ্গী হয়েছেন পূজা চেরি। ঈদুল ফিতরে দেশের সব বড় বড় হলে সিনেমাটি মুক্তি পায়। এমনকি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আমেরিকায় ‘শান’ দেখতে দর্শকদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। এছাড়াও মালয়েশিয়া, ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়াতে সিনেমাটি মুক্তি দেওয়া হয়। দামাল : গত ২৮ অক্টোবর সারাদেশে মুক্তি পায় রায়হান রাফীর সিনেমা ‘দামাল’। মুক্তির পর থেকেই আলোচনার শীর্ষে ছিল সিনেমাটি। মূলত, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে গঠিত স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলকে কেন্দ্র করে সিনেমাটি নির্মাণ করা হয়েছে। এতে অভিনয় করেছেন বিদ্যা সিনহা মিম, সিয়াম আহমেদ, শরিফুল রাজ, সুমিত সেনগুপ্ত, রাশেদ অপু, সাঈদ বাবু, শাহনাজ সুমি প্রমুখ। গলুই : গত ৩ এপ্রিল মুক্তি পেয়েছে ঢাকাই কিং শাকিব খান অভিনীত সিনেমা ‘গলুই’। মুক্তির প্রথম দিন থেকেই দর্শকদের আগ্রহের তালিকায় ছিল সিনেমাটি। ‘গলুই’-তে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন অনুষঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। সেই সঙ্গে একটি সহজ-সরল প্রেম কাহিনিও রয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের অনুদানে নির্মিত সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন এস এ হক অলিক এবং প্রযোজনা করছেন খোরশেদ আলম খসরু। এই সিনেমায় শাকিব খানের সঙ্গে প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধেন নতুন প্রজন্মের নায়িকা পূজা চেরি। এছাড়াও বিভিন্ন চরিত্রে ছিলেন আজিজুল হাকিম, ফজলুর রহমান বাবু, সুচরিতা, আলী রাজ, ঝুনা চৌধুরী, সমু চৌধুরী, পুষ্পসহ আরও অনেকেই।
প্রেক্ষাগৃহে দর্শক টেনেছে যেসব সিনেমা
পরীকে কটাক্ষকারীদের এক হাত নিলেন সুবহা
ঢালিউডের তারকা দম্পতি রাজ-পরীর সংসার ভাঙার ইঙ্গিতে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। নেটিজেনদের কেউ কেউ নায়িকাকে এমন সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন, আবার কেউ কেউ কটাক্ষ করতেও চুল পরিমাণ ছাড় দেননি। যারা পরীকে কটাক্ষ করছেন এবার তাদের এক হাত নিলেন নবাগত চিত্রনায়িকা হুমায়রা সুবহা। ফেসবুকে পরীমণিকে ট্যাগ করে সুবহা লিখেছেন, আল্লাহ স্পষ্ট ভাষায় কোরআনে লিখেছেন বিয়ে এবং তালাকের কথা। এ জন্য সুরা তালাকও নাজিল করেছেন। তাই একজন মানুষ হয়ে আর একজন মানুষের বিচ্ছেদ বা তালাকের কথা শুনে মজা নেওয়ার কিছু নেই। নিজের পরিবারের দিকে তাকিয়ে দেখুন, কারও না কারও বিচ্ছেদ বা তালাক হয়েছে। হাদিসের প্রসঙ্গ টেনে তিনি লেখেন, যে অন্যের পিছনে গীবত করে, সে তার মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার মতো পাপ করে থাকে। নায়িকা আরও যোগ করেন, যার যার পাপ-পুণ্যের হিসাব তার তার কাছে। আল্লাহ আপনাদেরকে অধিকার দেয়নি কে দোজখে যাবে, আর কে কে বেহেশতে যাবে? সেটার বিচার করার একমাত্র বিচারক আল্লাহ। তিনি কাকে কখন কীভাবে মাফ করে দেবেন একমাত্র তিনিই জানেন, আপনারা না। আল্লাহ এই পরনিন্দা পরচর্চাকারীদের যেন হেদায়েত দান করেন আর বোঝার তৌফিক দান করে, আমিন।
পরীকে কটাক্ষকারীদের এক হাত নিলেন সুবহা
কলকাতা থেকে ছুটে এলেন ভক্ত, আপ্লুত সজল (ভিডিও)
তারকাদের ঘিরে ভক্তদের পাগলামীর শেষ নেই। প্রিয় তারকাকে একনজর সামনে থেকে দেখার লোভ সামলানো বড় দায়। আর তাইতো ছোট পর্দার রাজপুত্র সজলকে দেখতে ঢাকায় ছুটে এসেছেন কলকাতার যুবক শুভদ্বীপ রয়। সজলের ভাষ্য, একজন অভিনেতার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি তার ভক্ত-অনুরাগীদের ভালোবাসা। এ ভালোবাসা, আবেগ-অনুভূতির কাছে বাকি সব তুচ্ছ। তিনি বলেন, জীবন সুন্দর এবং এই সুন্দর বলার পেছনে অনেক দামি কিছুর প্রাপ্তির প্রয়োজন পড়ে না। প্রাপ্তি যেমনই হোক, যখন সেটা ভালোলাগার-ভালোবাসার, তার সঙ্গে অন্য কিছুর তুলনা চলে না। কাঁটাতারের সীমান্ত অতিক্রম ঢাকায় আসা সেই ভক্ত প্রসঙ্গে সজল জানান, শুভদ্বীপ রয়। কলকাতায় থাকেন। পাঁচ-ছয় বছর আগে কমেন্টবক্সে তার কিছু কমেন্ট পড়ি। তারপর সোশ্যাল মিডিয়ায় তার কিছু টেক্সট পড়ে বুঝতে পেরেছিলাম, মানুষটা আমাদের নাটক দেখে। আমার কাজগুলো পছন্দ করে। সেই সূত্র ধরেই তার সঙ্গে কথপোকথন হয়। তিনি যোগ করেন, প্রথম যে নাটকটির কথা বলেছিল, সেই নাটকের নাম ‘কুজবরণ কন্যা’। তার লেখার হাত ভীষণ ভালো। যখনই পড়তাম, তখনই মনে হতো একজন মানুষ এত মনোযোগ দিয়ে নাটক দেখেন, চরিত্রগুলো বিশ্লেষণ করেন! কোথায় কতটুকু ভালো হয়েছে, খারাপ হয়েছে বিস্তারিত লিখতেন। এমনকি কিছু ভালো না লাগলে সেটাও লিখতেন। সজল আরও জানান, এই মানুষটি হঠাৎ করে বলল যে, আমার সঙ্গে দেখা করতে সে বাংলাদেশে আসবে। শুনে খুব খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু বিশ্বাস হয়নি। তবে যা বিশ্বাস করতে পারিনি সেটাই সে সত্যি করে দেখালো। হুট করেই চলে আসল বাংলাদেশে। আমরা বাংলাদেশিরা এমনিতেই অনেক অতিথিপরায়ণ। মেহমান পছন্দ করি। সেখানে যে মানুষটি আমাকে পছন্দ করেণ, আমার কাজ পছন্দ করেন তারা আমার কাছে অন্যরকম ভীষণ ভালোবাসার, অনেক সম্মানের। এই মানুষটির সঙ্গে ছয় বছর কথা বলার পর তার সঙ্গে প্রথম দেখা। এই সময়টুকু আমার আজীবন মনে থকবে। খুব মনে থাকবে।
কলকাতা থেকে ছুটে এলেন ভক্ত, আপ্লুত সজল (ভিডিও)
রাজ-পরীর ঝগড়ার কারণ জানালেন বাবা
বছরের শেষদিনে চিত্রনায়িকা পরীমণির সংসার ভাঙার ইঙ্গিতপূর্ণ স্ট্যাটাসের পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে তাদের দাম্পত্য। পরী লিখেছেন, আমি আজ রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম এবং নিজেকেও মুক্ত করলাম একটা অসুস্থ সম্পর্ক থেকে। জীবনে সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার থেকে জরুরি আর কিছুই নেই। আরও পড়ুন: রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিলাম : পরীমণি নায়িকার ভাষ্য, কিছুদিন ধরেই তাদের (রাজ-পরী) মধ্যে সমস্যা হচ্ছিল। কিন্তু সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে তারা একসঙ্গে থাকার চেষ্টা করেছেন। আরও পড়ুন: রাজ-পরীর সংসারে ভাঙন! পরী বলেন, তার (শরীফুল রাজ) আচার-আচরণ এমন যে, একসঙ্গে থাকার পরিস্থিতি নেই। তাই বাধ্য হয়ে বাসা ছেড়ে আলাদা হয়ে গেলাম। তবে এখনও আমাদের বিচ্ছেদ হয়নি। শিগগিরই বিচ্ছেদের চিঠি পাঠিয়ে দেব। এদিকে রাজ-পরীর দাম্পত্য কলহের কারণ জানিয়ে রাজের বাবা মুসলিম মিয়া গণমাধ্যমকে জানান, শুটিং শেষ করে বাসায় ফিরতে রাজের কিছুটা দেরি হয়। এ বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে সামান্য ঝগড়া হয়। পরী অভিমান করে থাকলেও তাদের বিচ্ছেদ হওয়ার সম্ভবনা নেই। আমরা সবাই একসঙ্গে আছি। আশা করি তাদের দুজনের সম্পর্ক সুন্দর থাকবে। আরও পড়ুন: পরীকে কটাক্ষকারীদের এক হাত নিলেন সুবহা
রাজ-পরীর ঝগড়ার কারণ জানালেন বাবা
আরও পড়ুন
নাইজেরিয়া থেকে লুণ্ঠিত ব্রোঞ্জমূর্তি ফেরত দিল জার্মানি
ইউরোপের ৩ দেশে মঞ্চ মাতাবেন ব্যান্ডদল ‘অ্যাশেজ’ 
সাইকেলে চড়ে বাংলাদেশে জার্মান রাষ্ট্রদূত
জার্মানির বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের রেকর্ড স্পর্শ করলেন মেসি