ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

বৈশাখের ‘মেলায় যাইরে’ গান তৈরির পেছনের গল্প

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি

প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:০৮ পিএম
আপডেট : ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:২১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

পহেলা বৈশাখ এলেই চায়ের দোকান থেকে শুরু করে যেকোন আড্ডায় বাজতে শোনা যায় ‘মেলায় যাইরে মেলায় যাইরে’ গানটি। গানটি ১৯৯০ সালে জনপ্রিয় ব্যান্ড ফিডব্যাকের একটি অ্যালবামের শিরোনাম সংগীত হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছিল। গান তৈরির হিসেবে এবার ৩৪ বছর হতে চলছে। গানের বয়স বাড়লেও এর জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি একটুও।

বৈশাখের এই গানের সুর ও কণ্ঠ দিয়েছেন বরেণ্য সংগীতশিল্পী মাকসুদুল হক। ১৯৯০ সালে গানটি যখন প্রকাশ পায় তখন তিনি যুক্ত ছিলো জনপ্রিয় ব্যান্ড ফিডব্যাকের সঙ্গে। ১৯৯৬ সালে ফিডব্যাক ছেড়ে ‘মাকসুদ ও ঢাকা’ ব্যান্ড গড়ে তোলেন মাকসুদুল হক। কীভাবে গানটি তৈরি হয়েছিল, সেই গল্প শুনিয়েছিলেন গানটির স্রষ্টা মাকসুদ।

মাকসুদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, গানটি লিখি ১৯৮৮ সালে । প্রথমত গানটি আমি একবারে লিখতে পারিনি। আমার সময় লেগেছিল দুই মাস। লেখার পর সাত-আটবার সংশোধন করেছি। এরপর সুর করেছি। স্টেজে আমরা গানটা পারফর্ম করাও শুরু করি। গানটি রেকর্ডিং একদিনে হয়নি। অনেক সময় লেগেছে। আমরা সেই সময় ডিজিটালে রেকর্ডিং করেছি। সেজন্যই সময় বেশি লেগেছিল। ঢাক, ঢোল, মন্দিরার শব্দ লাইভে বাজানো সম্ভব নয়। ব্যান্ডের সদস্যদের সঙ্গে আমাদের কথা কাটাকাটি কত কিছু যে হয়েছে। রেকর্ডিং স্টুডিওতে গিয়েও বেগ পেতে হয়েছে অনেক। পুরো গান তৈরি হতে প্রায় এক থেকে দেড় বছর সময় লেগেছিল।

গানের জন্মকথা প্রসঙ্গে মাকসুদ দেশের এক পত্রিকায় তার লেখায় উল্লেখ করেছিলেন, কত সময় ব্যয় করে এর কথা লিখেছি, তার সঠিক হিসাব-নিকাশ হয়তো এখন দেওয়া সম্ভব নয়। এটুকু মনে আছে, গানে সেই চিত্র তুলে ধরতে চেয়েছি, যা প্রতি বৈশাখে আমাদের চোখে পড়ে। অনেক শব্দের কাটিকুটি শেষে বেরিয়ে এসেছিল কিছু ছন্দোবদ্ধ কথা। লেখা শেষে নিজেই তাতে সুর বসিয়েছি। এরপর ফিডব্যাকে সদস্যদের সঙ্গে বসেছি কম্পোজিশন নিয়ে। বাদ্য বাদনেও অনেকটা সময় ব্যয় করতে হয়েছে। এরপর কণ্ঠে তুলি নিয়েছি গান। গেয়েছি মনপ্রাণ উজাড় করে, লেগেছে বাঙালির ঘরে ঘরে এ কি মাতন দোলা, লেগেছে সুরেরই তালে তালে হৃদয়ে মাতন দোলা; বছর ঘুরে এলো আরেক প্রভাতে, ফিরে এলো সুরেরই মঞ্জরি; পলাশ শিমুলগাছে লেগেছে আগুন, এ বুঝি বৈশাখ এলেই শুনি, মেলায় যাইরে, মেলায় যাইরে...। স্টুডিওতে গিয়ে রেকর্ড করা পর্যন্ত একটি গানের পেছনে কত সময় ব্যয় করতে হয়, তার লেখাজোখা থাকে না। কারণ, সংগীত কোনো কাজ নয়, একধরনের সাধনা। যারা গান করেন, তারা ভালো করেই জানেন, প্রতিটি সৃষ্টির পেছনে কতটা শ্রম-ঘাম ঝরাতে হয়। যা হোক, “মেলা” গানটি রেকর্ড করার পর আমি, ফোয়াদ নাসের বাবু, পিয়ারু খান, লাবু রহমান, সেকেন্দার আহমেদ খোকা—প্রত্যেকেই অন্য রকম এক সৃষ্টির স্বাদ পেয়েছিলাম।

১৯৮৮ সালে চট্টগাম মেডিকেল কলেজ হলে ফিডক্যাকের প্রথম কনসার্টে ‘মেলায় যাইরে মেলায় যাইরে’ গানটি প্রথম গাওয়ার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে মাকসুদ বলেন, সেই কনসার্টে আমরা প্রথম এই গান গাই। একেবারে নতুন গান। কিন্তু এটা শোনার পর ডাক্তার ও ছাত্র সবাই একসঙ্গে নেচেছে। সবার অনুরোধে সেদিন এই গান আমাদের দুবার গাইতে হয়েছিল।

নব্বই দশকে যখন গানটি তুমুল জনপ্রিয় তখনকার একটি ঘটনা উল্লেখ করে এই জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী বলেন, ১৯৯২ সালে তো ল্যান্ডফোন ছিল । এক ভদ্রমহিলা বাসার ল্যান্ডফোনের নাম্বারে বারবার ফোন করেছিলেন আমার সঙ্গে কথা বলার জন্য। যখন ফোন করতেন আমাকে তিনি বাসায় পেতেন না। আমার স্ত্রী এটা বলার পর একদিন আমি সেই ভদ্রমহিলার সঙ্গে ফোনে কথা বললাম। তিনি আমাকে বলেছিলেন, আপনার কাছে এই গান কি আমি জানি না। তবে আমার কাছে এই গান অনেক কিছু। আমার কোলে তিন মাস বয়সী শিশু এখন। তাকে কিছুতেই দুধ খাওয়ানো যেত না। অনেক কষ্ট হতো। একদিন আপনার গানটা ঘরে বাজছিল তখন আমার বাচ্চা হঠাৎ করেই দুধ খাওয়া শুরু করল। এখন এই গান না শুনলে আমার বাচ্চা দুধ খায় না। এই কথা শোনার পর আমার চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি চলে এসেছিল। এখন মনে হয়, এটুকু ভালো কাজের জন্য ঈশ্বর আমাকে দিয়ে গানটা করিয়েছিলেন। সবার এসব ভালোবাসার আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, ওটা খুব গুরুত্বপূর্ণ নয় যে ‘মেলায় যাইরে’ কত হাজার লোক তালি দিল, নাচল।


আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
তামান্নার সঙ্গে তুলনা করে বারিশার আক্ষেপ
শোবিজের পরিচিত মুখ বারিশা হক। শুরুটা মডেলিং দিয়ে হলেও উপস্থাপনাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ড প্রোমোটিংয়ের কাজ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শক্ত অবস্থান গড়েছেন তিনি। নাটকেও অভিনয় করেছেন। কিন্তু মাঝে মধ্যেই নানান কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন বারিশা। বিশেষ করে তার শারীরিক স্থূলতা নিয়ে। একটা সময় স্লিম ফিগার ছিল বারিশার। তবে পরবর্তীতে তার স্বাস্থ্য বেড়ে গেলে তাকে নিয়ে শুরু হয় নেটিজেনদের চর্চা। আবার নিজেকে খানিকটা আকর্ষণীয় করতে বোটক্সের মতো প্লাস্টিক সার্জারিও করিয়েছেন এই মডেল।   কয়েকদিন আগে বোটক্স সার্জারি নিয়ে বিদ্রুপের মুখে পড়েন বারিশা। সেসময় নিশ্চুপই ছিলেন তিনি। এমনকি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়নি তাকে। তবে মনের মধ্যে ক্ষোভ আর আক্ষেপ পুষে রেখেছিলেন। সম্প্রতি সেটাই প্রকাশ করতে গেল বারিশাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার সঙ্গে তুলনা করে আক্ষেপ করলেন।   নেটদুনিয়ায় তামান্নার কিছু ছবি পোস্ট করে বারিশা লিখেছেন, তামান্না ভাটিয়া আন্তর্জাতিক মানের তারকা; যিনি আমার ও আপনাদেরও প্রিয়। বাংলাদেশের মেয়েদের ও খুব প্রিয়। সে কিন্তু জিরো ফিগার এর নয়, বরং তার শরীরের মেদ নিয়েও স্টেজ এ আকর্ষণীয় পোশাকে সবাইকে মুগ্ধ করে তার প্রতিভায়। তিনি আরও লেখেন, তাকে আমাদের দেশের মেয়েরা খুব প্রশংসায় ভাসিয়ে দেয়। সে প্রশংসা পাওয়ারই যোগ্য, তবে আমরা নই।ম কারণ আমরা অকর্ম, আমরা সব গালাগাল পাওয়ার যোগ্য; কারণ আমরা বলিউড নই, আমরা শ্যাম বাঙালি! ভালোবাসি সবাইকে। বর্তমানে মডেলিং কিংবা অভিনয়ের চেয়ে ব্রান্ড প্রমোশনেই বেশি ব্যস্ত থাকেন বারিশা। ২০০৮ সালে বিটিভিতে কুইজ শো এবং বিতর্কে অংশ নেন তিনি। বুলবুল ললিতকলা একাডেমি থেকে ক্লাসিক্যাল নৃত্যে দীক্ষা নেন। এভাবেই শুরু হয় বারিশার পথ চলা। অল্প দিনের পথচলায় নৃত্য ও উপস্থাপনার পাশাপাশি বেশ কিছু নাটকেও অভিনয় করেছেন তিনি।  আরটিভি/এইচএসকে/এআর  
তামান্নার সঙ্গে তুলনা করে বারিশার আক্ষেপ
জুলাই ফাউন্ডেশনে গেল রাহাত ফতেহ আলীর কনসার্টের টাকা
চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারকে সহায়তার জন্য গত ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় চ্যারিটি কনসার্ট ‘ইকোস অব রেভল্যুশন’। এতে পারফর্ম করেন জনপ্রিয় পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খান। কনসাটর্টির আয়োজক ‘স্পিরিটস অব জুলাই’ প্ল্যাটফর্ম।  এই কনসার্ট থেকে আয় হওয়া ১ কোটি ৬৫ লাখ ১১ হাজার ৪৮৫ টাকা আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবার নিয়ে কাজ করা কল্যাণমূলক সংস্থা ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’-এ দান করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় রাজধানীর শাহবাগস্থ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সংলগ্ন ফাউন্ডেশনটির কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলমের হাতে এই চেক তুলে দেওয়া হয়।  এ সময় ‘স্পিরিটস অব জুলাই’র পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, ‘ইকোস অব রেভোল্যুশন’ কনসার্টের আয়োজক মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহি, এস এম এহসান উল্লাহ ধ্রুব, খাইরুল আহসান মারজান, সাদেকুর রহমান সানি, মো. নূর এ আলম চৌধুরী, মো. জাফর আলী এবং রাইয়ান রহমান ইরাত। কনসার্টে এ দিন বিনা পারিশ্রমিকে গান পরিবেশন করেন রাহাত ফতেহ আলী। তিনি ছাড়া আরও গান পরিবেশন করেন ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গান গেয়ে জেল-জুলুমের শিকার হওয়া শিল্পী হান্নান, র‍্যাপার সেজান, দেশীয় ব্যান্ডদল চিরকুট, আর্টশেল ও আফটারম্যাথ। কনসার্টে টাইটেল স্পন্সর হিসেবে ছিল প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। আয়োজকরা জানান, স্পিরিটস অব জুলাই কর্তৃক আয়োজিত কনসার্টটির যাবতীয় আর্থিক হিসাবের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে অডিট রিপোর্ট প্রস্তুতের জন্য দেশের স্বনামধন্য অডিট কোম্পানি ‘Hoda Vasi Chowdhury & Co’র সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। উল্লেখ্য, অর্থসংক্রান্ত সার্বিক বিষয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ ও পরামর্শ প্রদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ নিয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছিল।  এ পরিষদে ছিলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ ড. কাজী মাহফুজুল হক সুপণ, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. আনসারুল আলম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মুহাম্মদ মাহবুব কায়সার, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ রুহুল আমিন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল আলম চৌধুরী, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল হক খান এবং বারডেম হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল হাসান মুনির। আরটিভি/এইচএসকে/এআর  
জুলাই ফাউন্ডেশনে গেল রাহাত ফতেহ আলীর কনসার্টের টাকা
কেন বলিউড ছাড়ছেন অনুরাগ কাশ্যপ
মেধা ও রুচিশীল কাজ দিয়ে বলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান প্রতিষ্ঠা করেছেন গুণি নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ। দর্শকদের উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা। শুধু নির্মাণই নয়, ভালো অভিনয়ও করেন তিনি। চলতি বছরের ‘মহারাজা’সিনেমায় অনুরাগ অভিনয় দাগ কেটেছে দর্শকের মনে। এবার জানা গেল, বলিউড ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন এই নির্মাতা।   এরপর থেকেই অনুরাগের ভক্তদের প্রশ্ন, হঠাৎ কি হলো নির্মাতার? কী কারণে বলিউড ছাড়তে চাচ্ছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন অনুরাগ। পাশাপাশি হিন্দি ভাষার শোবিজ ত্যাগ করার জন্য বেশ কিছু কারণও দেখিয়েছেন নির্মাতা।  অনুরাগ বলেন, বলিউডে এখন আর সৃজনশীলতার কোনো জায়গা নেই। সবকিছুই অর্থের দিকে চলে গেছে। চলচ্চিত্রের খরচ বেড়ে যাওয়ায় এখন সিনেমা তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কোনো সিনেমা নির্মাণের আগে থেকেই চিন্তা থাকে কিভাবে তা বিক্রি করা যাবে। আর এই চাপের মধ্যে সৃজনশীলতা হারিয়ে যায়। বলিউডের পরিবর্তে দক্ষিণী সিনেমায় নিয়মিত হতে চান জানিয়ে নির্মাতা বলেন,  আমি দক্ষিণে যেতে চাই। সেখানে এমন পরিবেশ আছে যেখানে সৃজনশীলতার সুযোগ বেশি। এখানে যদি থাকা না হয়, আমি একজন বৃদ্ধ মানুষ হয়ে মরে যাব। আমি নিজের ইন্ডাস্ট্রির প্রতি অত্যন্ত হতাশ এবং খুবই অসন্তুষ্ট। কিন্তু মলায়ালম সিনেমাতে আমার এমন কিছু অনুভূতি হয়নি। সেখানে অভিনয় অভিজ্ঞতা বেশ ইতিবাচক। প্রতিভা ব্যবস্থাপনা করে এমন এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন নানা তিনি বলেন, এই এজেন্সিগুলো তরুণ অভিনেতাদের শুধুমাত্র মুনাফার জন্য ব্যবহার করে। তাদের মনোযোগ কেবল স্টার তৈরির দিকেই থাকে। অভিনয় দক্ষতা গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ নেই তাদের। অনুরাগ আরও বলেন, বলিউডে এখন আর কেউ অভিনয় করতে চায় না, সবাই স্টার হতে চায়। এজেন্সি কাউকে স্টার বানায় না। কিন্তু একবার যদি কেউ স্টার হয়ে যায়, তখন তারা তাদের থেকে মুনাফা তৈরির প্রতিযোগিতায় নেমে যায়।    আরটিভি/এইচএসকে  
কেন বলিউড ছাড়ছেন অনুরাগ কাশ্যপ
আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পুড়ে যায় পাখিদের ছোট্ট শরীর: নওশাবা
প্রতিবছর আতশবাজি, পটকা ফুটিয়ে ও ফানুস উড়িয়ে থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন করেন সবাই। কিন্তু এই উৎসবে অনেক সময় বিপাকে পরতে হয় সাধারণ মানুষকে। আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর শব্দে অত্যন্ত আতঙ্কের মাঝে কাটে শিশু থেকে শুরু করে অসুস্থ মানুষ, এমনকি পশু-পাখিও। শুধু তাই নয়, প্রাণনাশের ঘটনাও ঘটে। বিষয়টি নিয়ে মানুষকে সচেতন করতে কাজ করছে সরকার, সামাজিক কিংবা প্রাণী কল্যাণ সংগঠনগুলো। কেউ কেউ নিজ উদ্যোগেও সামাজিক মাধ্যমে আতশবাজি-ফানুস তাণ্ডবের ভয়াবহতা তুলে ধরে সচেতনতার বার্তা দিচ্ছেন। পিছিয়ে নেই অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ।  পটকা ফুটিয়ে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনকে হেলিকপ্টার থেকে গুলির সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। পাশাপাশি থার্টিফার্স্ট নাইট বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন অভিনেত্রী।  গণমাধ্যমে এ প্রসঙ্গে নওশাবা বলেন, ২০২৪-এ আমাদের সবচেয়ে ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতা ছিল হেলিকপ্টার থেকে গুলিতে নিরপরাধ শিশুর প্রাণ হারানো। কখনও কী ভেবে দেখেছেন, আমাদের উল্লাসে আকাশে ছুঁড়ে দেওয়া আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পাখিদের ছোট্ট শরীর পুড়ে যায় একইভাবেই।  তিনি আরও বলেন, আমাদের উৎসবের শব্দে আতঙ্কে তাদের জীবনের আলো নিভে যায়! অথচ এই পৃথিবী তো শুধু আমাদের নয়, তাদেরও। ছোট্ট শিশু উমায়ের প্রাণ হারিয়েছিল এই বর্ষবরণের আতশবাজির ভয়াবহ শব্দে। অভিনেত্রী বলেন, এবারের বর্ষবরণ আগ্রাসী না হোক, চলুন দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই। আপনার বাসার অসুস্থ বুড়ো বাবা-মা এবং শিশুদের কথা ভেবে, রাস্তার অসহায় পথপ্রাণী আর পাখিদের কথা ভেবে এবারের বর্ষবরণ হোক আতশবাজি মুক্ত। ২০২৫ হোক মঙ্গলময় পরিবর্তনের বছর। নতুন বছরের শুভেচ্ছা সবাইকে।   আরটিভি/এইচএসকে  
আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পুড়ে যায় পাখিদের ছোট্ট শরীর: নওশাবা
জুয়ার প্রচারণায় তোপের মুখে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল
মাঝে মধ্যেই জুয়ার অ্যাপের প্রচারণায় খবরের শিরোনামে উঠে আসে তারকাদের নাম। কেউ শুভেচ্ছাদূত হয়ে, কেউ বা আবার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এসব অ্যাপের স্পন্সরশিপের মাধ্যমে প্রচারণায় অংশ নেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী পিয়া জান্নাতুলের নাম।  চলমান বিপিএলকে কেন্দ্র করে একটি জুয়ার অ্যাপের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে তাকে। আর এতেই তোপের মুখে পড়েছেন পিয়া। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে মুখ খুলেছেন তিনি। পিয়া বলেন, আমি একজন ক্রিকেটপ্রেমী। বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে কথা বলতে ভালোবাসি। আমি শুধু ক্রিকেট নিয়ে পোস্ট করেছি, যা ক্রিকেট সম্পর্কে আমার ভালোবাসা প্রকাশ করে। তাছাড়া আমি শুধু ওই অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করছি। এখানে কে স্পনসর দিলো সেটা তো বিষয় না। এর বেশি আর কিছুই বলতে চাই না। জানা গেছে, যে জুয়ার অ্যাপের টি-শার্ট পরে পিয়া অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন তা বাংলাদেশের সেরা জুয়ার এজেন্টদের একটি। এদিকে প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার জন্য কোনো পোর্টাল বা অ্যাপ বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনচিত্রে অংশগ্রহণ করেন, তা হবে ওই ব্যক্তির অপরাধ।’ এর আগে পরীমণি, নুসরাত ফারিয়া, অপু বিশ্বাস, মাহিয়া মাহি, এবং শবনম বুবলীর মতো তারকাদের এ ধরনের প্রচারণায় দেখা গেছে। আরটিভি/এইচএসকে/এস/এআর  
জুয়ার প্রচারণায় তোপের মুখে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল
আরও পড়ুন
বৈশাখী টিভির ডিএমডি টিপু আলম মিলনের ওপর হামলা, আটক ৫
১৯৭১ সালের যুদ্ধে বিজয় নিয়ে লোকসভায় যা বললেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
কনসার্টে বাংলা গান নিয়ে দর্শকের আপত্তি, কড়া জবাব দিলেন ইমন
চাটগাঁইয়া ভাষায় হিপহপ গানে বিশ্বজয় করতে চান সোহানা