ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ঈদের আগে এক হেয়ার প্যাকেই চুল হবে ঝলমলে

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ মার্চ ২০২৫, ০২:১৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ঈদের আর মাত্র দুই দিন বাকি। ঈদে ত্বকের পাশাপাশি চুলও চাই ঝলমলে ও উজ্জ্বল। এছাড়া বর্তমানে ধুলোবালি ও দূষণের কারণেও চুলের যত্ন নেওয়া জরুরি হয়ে উঠেছে, না হলে চুল হয়ে পড়ে রুক্ষ ও দুর্বল। সময়ের অভাবে নিয়মিত চুলের যত্ন নেওয়া সম্ভব না হলেও, সহজ একটি হেয়ার প্যাক ব্যবহার করলেই দুই দিনে চুল হতে পারে ঘন ও ঝলমলে।

চুলের ঘনত্ব বাড়াতে পেঁয়াজের রস অত্যন্ত কার্যকরী। এটি চুল পড়া রোধ করে ও খুশকি দূর করতে সাহায্য করে। তাই পেঁয়াজের রস মাথার তালুতে ম্যাসাজ করলে উপকার পাবেন।

অন্যদিকে, ভিটামিন ই ক্যাপসুল ত্বক ও চুলের যত্নে দারুণ ভূমিকা রাখে। চুলকে ঝলমলে ও স্বাস্থ্যকর করতে কয়েকটি ভিটামিন ই ক্যাপসুল কেটে তার মধ্যে পেঁয়াজের রস মিশিয়ে নিন।

এই মিশ্রণটি চুলের গোড়ায় ভালোভাবে লাগিয়ে নিন এবং হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন। ১০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে নিন। নিয়মিত বা সপ্তাহে দুইবার এটি ব্যবহার করলে চুলের গোড়া হবে মজবুত, কমবে চুল পড়ার সমস্যা, দূর হবে খুশকি এবং চুল হবে মসৃণ ও কোমল।

আরটিভি/জেএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শীতে চুলের যত্নে করণীয়
দেশে এখন শীতকাল চলছে। শীতকাল মানেই প্রকৃতি শুষ্ক হয়ে ওঠা। শীতের হিমেল হাওয়ায় ত্বক শুষ্ক হওয়ার পাশাপাশি চুলেও দেখা দেয় নানা সমস্যা। খুশকি, চুল পড়া এবং চুল রুক্ষ হয়ে ফেটে যাওয়া এই সময়ের সাধারণ ঘটনা। আপনার চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবং চুলে সিল্কি ভাব ধরে রাখতে সহজ কিছু যত্ন ও ঘরোয়া উপায়ে শীতকালে চুল ঠিক রাখা যায়।  ​শীতে চুলের জেল্লা বজায় রাখতে কার্যকরী কিছু টিপস। শীতের রুক্ষতা থেকে চুলকে বাঁচাতে প্রয়োজন বাড়তি যত্ন। ঘরোয়া কিছু অভ্যাস আর সামান্য সচেতনতাই পারে আপনার চুলকে ঝলমলে রাখতে। শীতে চুলের যত্নে করণীয় কী জানুন-​নিয়মিত তেল মালিশ​শীতকালে মাথার ত্বক দ্রুত শুকিয়ে যায়। তাই সপ্তাহে অন্তত দুই দিন কুসুম গরম নারিকেল তেল বা অলিভ অয়েল চুলে মালিশ করুন। এটি চুলে পুষ্টি জোগায় এবং রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে।​অতিরিক্ত গরম পানি পরিহার​ঠাণ্ডার ভয়ে চুলে সরাসরি খুব গরম পানি ব্যবহার করবেন না। গরম পানি চুলের প্রাকৃতিক তেল কেড়ে নিয়ে চুলকে আরও রুক্ষ করে দেয়। সবসময় কুসুম গরম পানি দিয়ে চুল ধোয়ার অভ্যাস করুন। কন্ডিশনারের সঠিক ব্যবহার​শীতে চুল নিস্তেজ হয়ে পড়ে, তাই শ্যাম্পু করার পর কন্ডিশনার ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। তবে খেয়াল রাখবেন, কন্ডিশনার যেন মাথার ত্বকে না লাগে; এটি শুধুমাত্র চুলের মাঝখান থেকে শেষ প্রান্ত পর্যন্ত লাগাবেন।​খুশকি থেকে মুক্তি​শীতের প্রধান শত্রু হলো খুশকি। খুশকি দূর করতে লেবুর রস বা আপেল সাইডার ভিনেগার পানির সাথে মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া ভালো মানের অ্যান্টি-ড্যান্ড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। হেয়ার মাস্কের ব্যবহার​সপ্তাহে একদিন প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন।​প্যাক: ১টি ডিম, ১ চামচ মধু এবং টক দই মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন। এটি চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখতে জাদুর মতো কাজ করে।​ভেজা চুলে বাইরে না যাওয়া​ভেজা চুলে বাইরে বের হলে বাতাসে থাকা ধুলোবালি সহজেই চুলে আটকে যায় এবং চুল ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া ভেজা চুলে ঠাণ্ডা লাগার ভয়ও থাকে। তাই চুল ভালো করে শুকিয়ে তবেই বাইরে বের হন।​খাদ্যতালিকায় নজর দিন​বাইরের যত্নের পাশাপাশি ভেতর থেকে পুষ্টি প্রয়োজন। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন এবং খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, বাদাম ও প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার রাখুন। অ্যালোভেরা জেলশীতে চুলের যত্নে ব্যবহার করুন অ্যালোভেরা জেল। এটি ত্বকের জ্বালা কমায় এবং মাথার ত্বক আর্দ্র রাখে। যাদের অনেক বেশি খুশকি হয়, তারা অ্যান্টি ড্যান্ড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। তবে শ্যাম্পু ব্যবহারের পর কন্ডিশনার লাগাতে ভুলবেন না। কেননা শীতকালে চুল সহজেই রুক্ষ হয়ে যায়।  শীতকালে ত্বকের ও চুলের যত্নে কিন্তু আপনাকে খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারেও মনোযোগী হতে হবে। শীতের শাকসবজি ও ফল সুন্দর স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বক ও চুলের জন্য প্রয়োজন। শিম, বরবটি, নানারকম শাক, মটরশুঁটি, ফুলকপি ইত্যাদি প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখুন। হাতের নাগালের সব ফলই প্রতিদিন খাবেন। যেমন-আপেল, আমলকী কিংবা আমড়া সে যা-ই হোক না কেন। শীতে ত্বক-চুলের পরিচর্যা করতে এই সহজ কিছু পদ্ধতি অনুসরন করলেই ত্বক এবং চুল উজ্জ্বল ও মসৃণ রাখা যায়। তাই টিপসগুলো মেনে এই শীতে পান উজ্জ্বল ও মসৃণ ত্বক ও চুল।​মনে রাখবেন: শীতকালে বারবার চুল ধোয়ার প্রয়োজন নেই। সপ্তাহে ২-৩ বার শ্যাম্পু করাই যথেষ্ট। অতিরিক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করলে চুল আরও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। আরটিভি/এসকে
শীতে চুলের যত্নে করণীয়
তারুণ্য অটুট রাখতে বাড়িতেই বানান ৫টি ম্যাজিক জুস
সময়ের সাথে সাথে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়া স্বাভাবিক হলেও সঠিক পুষ্টির মাধ্যমে একে দীর্ঘকাল পিছিয়ে দেওয়া সম্ভব। বিশেষ করে শীতকালীন শুষ্কতা এবং বলিরেখার হাত থেকে বাঁচতে শরীরকে ভেতর থেকে আর্দ্র রাখা জরুরি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং কোলাজেন সমৃদ্ধ বিশেষ কিছু ‘অ্যান্টি-এজিং’ জুস বা পানীয় ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে এবং তারুণ্য ধরে রাখতে জাদুর মতো কাজ করে। দৈনন্দিন ডায়েটে সামান্য পরিবর্তন এনে আপনিও বাড়িতে তৈরি করে নিতে পারেন এই স্বাস্থ্যকর পানীয়গুলো। ত্বকের যৌবন ধরে রাখতে ডালিম, বিট ও আপেলের মিশ্রণ অত্যন্ত কার্যকর। ডালিমের পলিফেনল এবং বিটের আয়রন শরীরে প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। একটি আপেল, একটি ছোট বিট ও এক কাপ ডালিমের বীজের সাথে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে তৈরি করা এই জুস যেমন হজমশক্তি বাড়ায়, তেমনি সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে ত্বককে সুরক্ষা দেয়। এছাড়া গাজর, শসা, আদা এবং ডাবের জলের সংমিশ্রণে তৈরি ‘মিক্সড ভেজিটেবল জুস’ দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখার পাশাপাশি ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখে। আরও পড়ুন খাই খাই স্বভাবই ওজন কমানোর ৫ মজার কৌশল হলুদ ও আনারসের সংমিশ্রণে তৈরি পানীয়টি বর্তমান সময়ে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আনারস ও কমলালেবুর ভিটামিন সি এবং হলুদের কারকিউমিন উপাদান কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে, যা ত্বকের ঝুলে পড়া রোধ করে। এই পানীয়র কার্যকারিতা বাড়াতে এক চিমটি গোলমরিচ যোগ করা যেতে পারে। অন্যদিকে, শরীরকে ডিটক্সিফাই বা দূষণমুক্ত করতে সবুজ আপেল, শসা ও পালং শাকের জুস অতুলনীয়। পালং শাকের ভিটামিন এবং শসার জলীয় উপাদান ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে, যার ফলে মুখে বলিরেখা সহজে পড়ে না। প্রাকৃতিক উপায়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও ত্বকের জেল্লা বাড়াতে অ্যালোভেরার জুস হতে পারে আপনার প্রতিদিনের সঙ্গী। অ্যালোভেরা জেল বের করে পানি দিয়ে ধুয়ে নিয়ে তাতে সামান্য মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যায় চমৎকার এই পানীয়। এটি ভিটামিন বি-১২ এর একটি বড় উৎস, যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি যোগায়। নিয়মিত এই প্রাকৃতিক পানীয়গুলো গ্রহণ করলে কেবল ত্বক নয়, হার্ট এবং মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যও উন্নত হয়। তাই কৃত্রিম প্রসাধনীর ওপর নির্ভর না করে দীর্ঘস্থায়ী সৌন্দর্যের জন্য এই ঘরোয়া ও পুষ্টিকর পদ্ধতিগুলো বেছে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। আরটিভি/এএইচ
তারুণ্য অটুট রাখতে বাড়িতেই বানান ৫টি ম্যাজিক জুস
শ্যাম্পু ব্যবহারেও কমছে না খুশকি? জেনে নিন করণীয়
শীতের সময়ে কালো পোশাক পরার ক্ষেত্রে অনেকেরই প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়ায় অনাকাঙ্ক্ষিত খুশকি। অনেকেই মনে করেন নিয়মিত শ্যাম্পু না করা বা অপরিচ্ছন্নতাই এর মূল কারণ, কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে খুশকি কেবল সাধারণ কোনো সমস্যা নয়, বরং এটি এক ধরনের ‘ডিজঅর্ডার’। ‘জার্নাল অফ ইনভেস্টিগেটিভ ডার্মাটোলজি সিম্পোজিয়াম প্রসিডিংস’-এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের প্রায় অর্ধেক প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এই সমস্যায় ভুগছেন, যাকে পরিভাষায় ‘সেবোরিক ডার্মাটাইটিস’ বলা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, শুধু অপরিচ্ছন্নতা নয়, বরং মাথার ত্বকের স্পর্শকাতরতা, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, মানসিক চাপ এবং ডায়েটের ওপর খুশকি হওয়া সরাসরি নির্ভর করে। বিশেষ করে স্ট্রেস বা হরমোনের পরিবর্তনের কারণে মাথার ত্বকে ক্ষরণ বেড়ে গেলে খুশকি হওয়ার অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়। অনেকেই খুশকি তাড়াতে চুলে নিয়মিত তেল মাখার পরামর্শ দেন, কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন ভিন্ন কথা। ‘ইন্ডিয়ান জার্নাল অফ ডার্মাটোলজি’-র তথ্য অনুসারে, খুশকি আক্রান্ত মাথায় তেল মাখলে হিতে বিপরীত হতে পারে। আরও পড়ুন খাই খাই স্বভাবই ওজন কমানোর ৫ মজার কৌশল এতে মাথার ত্বকে প্রদাহ বা ইনফ্লেমেশন বেড়ে যায় এবং ফাঙ্গাল ইনফেকশন হওয়ার ঝুঁকি থাকে, যা চুলে জট পাকানো বা চুল পড়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। এক্ষেত্রে তেলের বদলে কম ঘনত্ব-যুক্ত সিরাম ব্যবহার করা বেশি কার্যকর হতে পারে। খুশকির স্থায়ী সমাধানের জন্য কেবল বাহ্যিক প্রসাধন নয়, বরং জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা জরুরি। চিকিৎসকদের মতে, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং প্রচুর জল খাওয়ার পাশাপাশি ডায়েটে জিঙ্ক ও ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার রাখা প্রয়োজন। শীতের শুষ্কতা ও দূষণ থেকে মাথার ত্বক বাঁচাতে সামগ্রিক সচেতনতাই হতে পারে খুশকি থেকে মুক্তির আসল উপায়। আরটিভি/এএইচ
শ্যাম্পু ব্যবহারেও কমছে না খুশকি? জেনে নিন করণীয়
টাক পড়া নিয়ে আর দুঃখ থাকবে না
মাথাভর্তি ঘন কালো চুল বাঙালির সৌন্দর্যের এক অন্যতম মাপকাঠি। সেই চুল ঝরে গিয়ে টাক পড়তে শুরু করলে অবসাদ, হীনম্মন্যতা ও মানসিক কষ্ট আসা স্বাভাবিক। অনেক ছেলেকেই টাক ঢাকতে টুপি বা পরচুলার আশ্রয় নিতে হয়। এ থেকে পরিত্রান পেতে চুল প্রতিস্থাপন (হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট) বা ঘরোয়া টোটকা নয়, এবার টাকের সমস্যা মেটাতে পারে একটি অতি পরিচিত ওষুধই— এমনটাই দাবি করেছেন গবেষকেরা। এটি বাজারে এলে বহু মানুষের দুশ্চিন্তা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় অস্বাভাবিক চুল পড়াকে ‘অ্যালোপেসিয়া’ বলা হয়, যা এখন কমবয়সিদের মধ্যেও মাথাব্যথার কারণ। অ্যান্ড্রোজেন ও ডাইহাইড্রোটেস্টোস্টেরন হরমোনের তারতম্যের কারণেই মূলত অ্যান্ড্রোজেনিক অ্যালোপেসিয়ার সমস্যা বাড়ে, যার ফলে প্রথমে কপালের দু’ধার থেকে চুল উঠতে শুরু করে এবং পরে মাথার উপরের অংশ কেশশূন্য হয়ে যায়। এই সমস্যা ঠেকানোর জন্যই আয়ারল্যান্ডের ওষুধ নির্মাতা সংস্থা একটি বড় সুখবর দিয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ব্রণ সারাতে ব্যবহৃত ‘ক্ল্যাসকোটেরন’ নামের ওষুধটি টাক পড়ার সমস্যা মোকাবিলায় বিশেষ ভূমিকা নিতে সক্ষম। আরও পড়ুন পাকা চুলের সঙ্গে ক্যানসারের সম্পর্ক রয়েছে গবেষকদের দাবি, এই ওষুধটির ক্লিনিকাল ট্রায়াল সফল হয়েছে এবং এটি খুব ভালো ফল দিয়েছে। প্রায় ১৫০০ জন পুরুষের উপর ওষুধটির তৃতীয় ও চতুর্থ পর্যায়ের পরীক্ষা চালানো হয়। ফলাফল থেকে জানা গিয়েছে, ওষুধটি শুধুমাত্র ত্বকের সমস্যার সমাধান করে তাই নয়, এটি চুল পড়ার সমস্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমায় এবং মাথার ত্বকের সংক্রমণও রোধ করে। গবেষকেরা আশাবাদী যে, যদি ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) এই ওষুধটিকে অনুমোদন দেয়, তবে খুব দ্রুতই এটি টাক পড়ার সমস্যা ঠেকানোর জন্য বাজারে আসবে এবং ‘অ্যালোপেসিয়া’ আক্রান্তদের জন্য এক নতুন আশার আলো নিয়ে আসবে। আরটিভি/এএইচ
টাক পড়া নিয়ে আর দুঃখ থাকবে না
শীতে রুক্ষ ত্বকের জন্য চিয়া সিড হলো প্রাকৃতিক সমাধান
শীতকাল মানেই ত্বকের শুষ্কতা, নিস্তেজ ভাব আর নানা সমস্যা। এই সময় ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখা এক বড় চ্যালেঞ্জ। তবে জানেন কি, ওজন কমানোর পাশাপাশি একটি ছোট্ট দানা এই শীতে আপনার ত্বকের জন্য হতে পারে এক প্রাকৃতিক 'বিউটি বুস্টার'? কথা হচ্ছে চিয়া সিড বা চিয়া বীজ নিয়ে। ​চিয়া বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার এবং ভিটামিন-ই, যা শীতকালীন শুষ্কতা দূর করে ত্বককে সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে। চলুন দেখে নেওয়া যাক, শীতে কীভাবে চিয়া সিড ব্যবহার করে আপনার ত্বকের যত্ন নিতে পারেন:​চিয়া সিডের উপকারিতা: কেন শীতে এটি জরুরি?​গভীর আর্দ্রতা প্রদান: চিয়া বীজে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বককে ভিতর থেকে হাইড্রেটেড রাখে এবং শুষ্কতার কারণে হওয়া প্রদাহ কমায়। ​মৃত কোষ দূর: স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করলে এটি ত্বকের মৃত কোষ, ধুলো-ময়লা দূর করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।​বলিরেখা রোধ: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা (ইলাস্টিসিটি) বজায় রাখে, ফলে অকাল বার্ধক্য বা বলিরেখার ছাপ কমাতে সাহায্য করে। ​ব্রণ ও দাগছোপে উপশম: এর জিঙ্ক উপাদান ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার কার্যক্ষমতা কমায় এবং ত্বকের দাগছোপ হালকা করতে সহায়তা করে। ত্বকের যত্নে চিয়া সিডের কয়েকটি কার্যকর ফেসপ্যাক। শীতে ত্বককে তরতাজা ও সতেজ রাখতে ঘরে বসেই তৈরি করতে পারেন এই ফেসপ্যাকগুলি: ফেসপ্যাকের নাম উপকরণ ও কার্যকারিতাআর্দ্রতা ও উজ্জ্বলতার প্যাক: ২ চামচ চিয়া বীজ, ১ চামচ নারকেল তেল, সামান্য লেবুর রস, ১ ফোঁটা ভিটামিন-ই অয়েল (ঐচ্ছিক)।  কার্যকারিতা:  রুক্ষ ও নিস্তেজ ত্বককে সতেজ ও উজ্জ্বল করে। ত্বক এক্সফোলিয়েট করে। কোমল ত্বকের প্যাক: ভেজানো চিয়া বীজ, ২ চামচ টক দই, ১ চামচ মধু।  কার্যকারিতা: ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা ধরে রাখে, ত্বক কোমল ও মসৃণ করে। ব্রণ ও পরিষ্কারক প্যাক: চিয়া বীজ, ওটস, পরিমাণমতো অ্যালোভেরা জেল।  কার্যকারিতা: ত্বক পরিষ্কার করে, ব্রণের সমস্যা কমায় এবং তৈলাক্ত ত্বকে তেলের ভারসাম্য বজায় রাখে। হাইড্রেশন মাস্ক: ২ চামচ চিয়া বীজ (২০ মিনিট জলে ভিজিয়ে), ১ চামচ অ্যালোভেরা জেল, কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল।  কার্যকারিতা: ত্বককে গভীর ভাবে হাইড্রেটেড রাখে এবং নমনীয় করে। ব্যবহারের পদ্ধতি:.​প্রথমে চিয়া বীজ অন্তত ১৫-২০ মিনিটের জন্য জলে বা দুধে ভিজিয়ে রাখুন (প্যাক অনুযায়ী)।​.সমস্ত উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে একটি মসৃণ মিশ্রণ তৈরি করুন।​.এই মিশ্রণটি মুখে ও গলায় লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন।​.শুকিয়ে গেলে হালকা গরম জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।​গুরুত্বপূর্ণ টিপস:​ত্বকের যত্নের পাশাপাশি নিয়মিত চিয়া বীজ ভেজানো জল বা স্মুদি পান করলে ভিতর থেকেও ত্বক পুষ্টি পাবে এবং আর্দ্রতা বজায় থাকবে। ​লেবুর রস ব্যবহারের পর সরাসরি সূর্যের আলো এড়িয়ে চলুন। চিয়া সিডকে আপনার শীতকালীন স্কিনকেয়ার রুটিনে যোগ করে রুক্ষতা দূর করুন এবং ফিরে পান ঝলমলে, প্রাণবন্ত ত্বক! আরটিভি/এসকে
শীতে রুক্ষ ত্বকের জন্য চিয়া সিড হলো প্রাকৃতিক সমাধান
আরও পড়ুন
শীতে চুলের যত্নে করণীয়
পূজার আগে ঝলমলে চুলের ঘরোয়া কৌশল 
ঈদের আগেই ডাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দাবি
চুল পড়া রোধে আমলকী ও অ্যালোভেরার ব্যবহার