ঢাকা শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

ইসমে আজমের মাধ্যমে দোয়া করলে কবুল হয়

ধর্ম ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৫, ১১:১৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বান্দা যখন বিপদ-আপদে পড়েন বা কোনোকিছুর দরকার হয় তখন তিনি আল্লাহর দরবারে দুই হাত তুলেন। মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে প্রার্থনা করে থাকেন। কেননা, মহান আল্লাহ কোরআনে বলেন, তিনি পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু। যখন কোনো বান্দা তার নিকট দুই হাত তুলে প্রার্থনা করে, তখন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাকে শূন্যহাতে ফিরিয়ে দেন না।

কোরআনে বলা হয়েছে ‘প্রার্থনাকারী যখন আমাকে ডাকে, তখন আমি তার ডাকে সাড়া দিই। সুতরাং তারাও যেন আমার ডাকে সাড়া দেয় ও ঈমান আনয়ন করে। আশা করা যায়, তারা সফলকাম হবে।’ (সূরা বাকারা, আয়াত: ১৮৬)

অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, ‘আর যারা আমার পথে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালায় তাদের আমি অবশ্যই অবশ্যই আমার পথে পরিচালিত করব। অবশ্যই আল্লাহ সৎকর্মপরায়ণদের সঙ্গে আছেন।’ ( সূরা আনকাবুত (২৯), আয়াত: ৬৩)

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মহামহিম আল্লাহ তায়ালা প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকাকালে নিকটবর্তী আসমানে (প্রথম আসমান) অবতরণ করে ঘোষণা করতে থাকেন- কে আছে এমন যে আমাকে ডাকবে? আমি তার ডাকে সাড়া দেব। কে আছ এমন যে আমার কাছে চাইবে? আমি তাকে তা দেব। কে আছ এমন আমার কাছে ক্ষমা চাইবে? আমি তাকে ক্ষমা করব। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১০৭৯)

ইসমে আজম বা আল্লাহর গুণবাচক নাম ব্যবহার করে দোয়া করলেও মহান রব তা কবুল করে থাকেন। বুরায়দা আসলামী (রা.) তার বাবার সূত্রে বর্ণনা করেন, একবার রাসুল (সা.) এক ব্যক্তিকে দোয়া করতে শুনলেন। ওই ব্যক্তি বলছিল-

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنِّي أَشْهَدُ أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ الأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِي لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিআন্নি আসহাদুআন্নাকা আংতাল্লাহ, লা-ইলাহা ইল্লা অংতাল আহাদুস-সামাদ, আল্লাযি-লাম ইয়ালিদ, ওয়ালাম ইউলাদ, ওয়ালাম-ইয়াকুন লাহু কুফুওয়ান আহাদ।

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি এবং জানি যে, তুমিই আল্লাহ। তুমি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে আর কোনো মাবুদ নেই। তুমি এক ও অনন্য। তুমি অমুখাপেক্ষী ও স্বনির্ভর। যিনি কাউকে জন্মও দেননি। কারও থেকে জন্মও নেননি। যার কোনো সমকক্ষ নেই।’

লোকটিকে এমন দোয়া করতে শুনে রাসুল (সা.) তখন বললেন, যে সত্তার হাতে আমার প্রাণ, সেই সত্তার কসম! এই ব্যক্তি আল্লাহর কাছে এমন ইসমে আজমের মাধ্যমে দোয়া করছে, যার উসিলায় দোয়া করা হলে আল্লাহ তা’য়ালা কবুল করেন এবং যার উসিলায় যাঞ্চা (প্রার্থনা) করা হলে তিনি তা দান করেন। (তিরমিজী, হাদিস: ৩৪৭৫)

এ ছাড়া এটাও পড়া যেতে পারে— اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدَ، لَا إِلهَ إِلَّا أَنْتَ، وَحْدَكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ، الْمَنَّانُ، بَدِيْعُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ، ذُو الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা বিআন্না লাকাল হামদা, লা ইলাহা ইল্লা আনতা, ওয়াহদাকা লা শারীকা লাকাল মান্নানু বাদীআস সামাওয়াতি ওয়াল আরদি জুল জালালি ওয়াল ইকরাম।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে (আমার কাঙ্ক্ষিত বিষয়) কামনা করছি। যেহেতু সকল প্রশংসা আপনার। আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। আপনি এক। আপনার কোনো শরিক নেই। আপনি মহা অনুগ্রহশীল। জমিন ও আসমানসমূহের অতুলনীয় স্রষ্টা। আপনি মহিমময়, মহানুভব।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ: ৩৮৫৮)

আরও পড়া যেতে পারে— اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدَ، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، الْمَنَّانُ، يَا بَدِيعَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ، يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ، إِنِّيْ أَسْأَلُكَ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা বিআন্না লাকাল হামদা, লা ইলাহা ইল্লা আনতা, আল মান্নানু, ইয়া বাদীয়াস সামাওয়াতি ওয়াল আরদি, ইয়া জালজালালি ওয়াল ইকরাম, ইয়া হায়্যু ইয়া কাইয়্যুম, ইন্নি আসআলুকা।

উচ্চারণ: ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে (আমার কাঙ্ক্ষিত বিষয়) কামনা করছি। যেহেতু সকল প্রশংসা আপনার জন্য। আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। আপনি মহা অনুগ্রহশীল। হে জমিন ও আসমানসমূহের অতুলনীয় স্রষ্টা! হে মহিমময়, মহানুভব! হে চিরঞ্জীব হে মহানিয়ন্ত্রক! আমি আপনার কাছে (আমার কাঙ্ক্ষিত বিষয়) প্রার্থনা করছি।’ (মুসনাদে আহমদ: ১৩৫৭০)

আরটিভি/এফএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ক্যাম্পেইন এজেন্সি অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ডে ‘এএমএল’র জোড়া সাফল্য
দক্ষিণ এশিয়ার বিজ্ঞাপনী বাজারে আবারো নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করলো এডভার্টাইজিং এজেন্সি এএমএল। ক্যাম্পেইন এজেন্সি অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫-এ প্রতিষ্ঠানটি দুটি ক্যাটেগরিতে ব্রোঞ্জ অর্জন করেছে। এ বছর ‘রেস্ট অব সাউথ এশিয়া ডিজিটাল ইনোভেশন এজেন্সি অব দ্য ইয়ার’ এবং ‘রেস্ট অব সাউথ এশিয়া মিডিয়া এজেন্সি অব দ্য ইয়ার’-উভয় ক্যাটেগরিতেই জয় তুলে নেয় এএমএল। নব্বই দশকের গোড়া থেকে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের বিজ্ঞাপন, কমিউনিকেশন, মিডিয়া এবং ডিজিটাল ইনোভেশনের উৎকর্ষতা উদযাপন করে আসছে ক্যাম্পেইন এজেন্সি অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ডস। সৃজনশীলতার পাশাপাশি দূরদর্শী নেতৃত্ব, অপারেশনাল সক্ষমতা এবং শক্তিশালী ব্যবসায়িক পারফর্ম্যান্সও পুরস্কারের গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য উপাদান। এএমএল জানায়, এ বছরের এই স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠানটির ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন ও মিডিয়া এফেক্টিভনেস-উভয় ক্ষেত্রেই ধারাবাহিক উন্নতির প্রমাণ। ডাটা-ভিত্তিক স্ট্র্যাটেজি, ভবিষ্যত-উপযোগী সমাধান এবং পরিবর্তনশীল ভোক্তা আচরণের সঙ্গে সমন্বয় ঘটিয়ে তারা ক্লায়েন্টদের জন্য কার্যকর ফলাফল নিশ্চিত করে আসছে। সাবমিশনে গত বছরের পারফর্ম্যান্স, এজেন্সির ভিশন, ইন্ডাস্ট্রিতে অবদান, সাসটেইনেবল বিজনেস ডেভেলপমেন্ট এবং ক্লায়েন্ট সাফল্যের গল্পগুলো তুলে ধরা হয় বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি। বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক অর্থনীতির পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে ব্র্যান্ডগুলোর দ্রুত ট্রান্সফরমেশন নিশ্চিত করতে এএমএল-এর স্ট্র্যাটেজিক দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এএমএল আরও জানায়, এটি তাদের প্রথম আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নয়, তবে প্রতিটি অর্জনই পুরো দলের জন্য বিশেষ গর্বের। এই সাফল্য এজেন্সির প্রতিটি সদস্যের নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের ফল, পাশাপাশি অংশীদার ও ক্লায়েন্টদের আস্থার প্রতিফলন। প্রতিষ্ঠানটি তাদের সকল ক্লায়েন্ট, সহযোগী ও অংশীদারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছে, তাদের সমর্থনই এএমএল-কে প্রতি বছর নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে অনুপ্রেরণা জোগায়। আরটিভি/কেআই
ক্যাম্পেইন এজেন্সি অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ডে ‘এএমএল’র জোড়া সাফল্য
দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে প্রবেশে সমস্যা
দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে পাঠকদের। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে এই সমস্যার শুরু হয়েছে। পাঠকরা জানান, আরটিভি, কালবেলা, আজকের পত্রিকা, চ্যানেল টোয়েন্টিফোর, দৈনিক সমকাল, ঢাকা পোস্ট, জাগো নিউজসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারছেন না। এই তালিকায় আছে রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাও (বাসস)।  একজন ওয়েবসাইট ডেভেলপার বলেন, দেশে ডাটা সেন্টারে যোগাযোগ করার পর তারা জানিয়েছেন-এই সমস্যা স্থানীয় নয়। সিঙ্গাপুরে সাইবার ক্যাবলে সমস্যার কারণে আমাদের দেশে সমস্যা হচ্ছে। খুব শিগগিরই সমস্যার সমাধান হবে।   আরটিভি/এসকে
দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওয়েবসাইটে প্রবেশে সমস্যা
তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত রিহাব হোসেনের অনন্য পদযাত্রা
পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষায় জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে দেশের এক প্রান্ত পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থেকে আরেক প্রান্ত কক্সবাজারের টেকনাফ পর্যন্ত দীর্ঘ পথ হেঁটে পাড়ি দিয়েছেন রিহাব হোসেন। তিনি পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিন ভয়েসের হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক। ‘প্রাকৃতিক জীবনকে হ্যাঁ বলুন, দূষণকে না বলুন’ স্লোগান নিয়ে তিনি এই পদযাত্রা করেন। গত ১৬ অক্টোবর তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট থেকে যাত্রা শুরু করে ১১ নভেম্বর টেকনাফ জিরো পয়েন্টে পৌঁছান তিনি। ২৭ দিনের এই যাত্রায় তিনি ৩১টি জেলা হয়ে এক হাজার কিলোমিটারেরও বেশি পথ অতিক্রম করেছেন। যাত্রাপথে তিনি বিভিন্ন স্থানে গাছ লাগান এবং স্থানীয় শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের সঙ্গে পরিবেশ সচেতনতা নিয়ে মতবিনিময় করেন। নিজের এই উদ্যোগ নিয়ে রিহাব হোসেন দেশকাল নিউজ ডটকমকে বলেন, আমার এই যাত্রার উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে বোঝানো, প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থানই টেকসই জীবনের পথ। প্রকৃতিকে ভালোবাসলেই জীবন হয় সুন্দর। রিহাবের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে গ্রিন ভয়েসের প্রধান সমন্বয়ক আলমগীর কবির বলেন, তরুণ প্রজন্মের এমন উদ্দীপনামূলক উদ্যোগ আমাদের দেশের পরিবেশ আন্দোলনে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, রিহাব হোসেনের এই পদযাত্রা গ্রিন ভয়েসের মূল আদর্শ—প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীবনের জীবন্ত প্রতিফলন। তার এই পদক্ষেপ প্রমাণ করেছে, সচেতন তরুণরাই পারে সবুজ বাংলাদেশ গড়তে পথ দেখাতে। সংগঠনটির সহ সমন্বয়ক শাকিল কবির বলেন, রিহাবের এই পদযাত্রা শুধু একটি উদ্যোগ নয়, এটি এক ধরনের সবুজ আন্দোলন। একজন তরুণের সচেতনতা ও সাহস থেকেই পরিবর্তনের সূচনা ঘটে, রিহাব সেই বার্তাই ছড়িয়ে দিয়েছে গোটা দেশজুড়ে। আরটিভি/একে
তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত রিহাব হোসেনের অনন্য পদযাত্রা
আগামী ১০ বছরে যে জিনিস হতে যাচ্ছে সবচেয়ে মূল্যবান
নগদ অর্থ, সোনা বা জমির মতো প্রচলিত সম্পদের মূল্যবোধ আগামী দশকে আমূল বদলে যেতে পারে এমনই চাঞ্চল্যকর পূর্বাভাস দিয়েছেন ভারতের জনপ্রিয় ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান জেরোধার সহ-প্রতিষ্ঠাতা নিখিল কামাত। তার দাবি, আগামী ১০ বছরে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ বা কার্যত নতুন ‘কারেন্সি’ হয়ে উঠবে ইলেকট্রন ও বিদ্যুৎ। কামাতের এই ধারণার পেছনে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডেটা সেন্টারের বিস্ফোরণধর্মী বৃদ্ধি। প্রতিদিন বাড়তে থাকা প্রযুক্তিনির্ভরতার কারণে যে হারে বিদ্যুৎ ব্যবহারের চাহিদা বাড়ছে, তা বিশ্ব অর্থনীতির ভবিষ্যৎ কাঠামোই বদলে দিতে পারে। বিশ্বজুড়ে গুগল সার্চ, নেটফ্লিক্স স্ট্রিমিং, ক্লাউড স্টোরেজসহ প্রতিটি অনলাইন কার্যক্রমের পেছনে কাজ করে ডেটা সেন্টার। আর এদের বিদ্যুৎ চাহিদা এখন চোখ কপালে তোলার মতো। একটি আধুনিক ডেটা সেন্টার বছরে যত বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, তা প্রায় ৪ লাখ বৈদ্যুতিক গাড়ির মোট বিদ্যুৎ খরচের সমান।ডেটা সেন্টারের মোট ব্যয়ের প্রায় ৬৫% খরচ হয় শুধুমাত্র বিদ্যুতের জন্য কম্পিউটিং ও কুলিং সিস্টেম চালাতে। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ডেটা সেন্টার রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে: ৩,৬৮০টি, জার্মানিতে: ৪২৪টি, ব্রিটেনে: ৪১৮টি। গবেষকদের ধারণা, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের ১০% খরচ হবে শুধু ডেটা সেন্টারের প্রয়োজন মেটাতে। বিদ্যুতের নিয়ন্ত্রণ মানেই ভবিষ্যতের সম্পদশালী। এই বাস্তবতা থেকেই নিখিল কামাত মনে করছেন যে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা দেশ বিদ্যুতের উৎপাদন, সঞ্চয় ও বিতরণের ক্ষেত্রে শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে, ভবিষ্যতের প্রকৃত সম্পদ তার হাতেই থাকবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি শুধু একটি মন্তব্য নয়; বরং ভবিষ্যতের সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগ ও ভূ-রাজনীতির দিকনির্দেশনা। কেন বিদ্যুৎই হবে ভবিষ্যতের ‘সোনার খনি’,  এআই ও অটোমেশন যত বাড়বে, বিদ্যুৎ নির্ভরতা তত বাড়বে। নবায়নযোগ্য শক্তি হবে পরবর্তী অস্ত্র প্রতিযোগিতা। ডেটা সেন্টারের বিস্তারের কারণে বিদ্যুৎ একটি স্ট্র্যাটেজিক রিসোর্সে রূপ নেবে। শিল্প, পরিবহন ও প্রযুক্তি সব ক্ষেত্রই বৈদ্যুতিক শক্তিনির্ভর হয়ে উঠছে। আরও পড়ুন মর্গ থেকে যে ভাবে জীবিত ফিরে এলো ১২ বছরের কিশোরী বিশেষজ্ঞদের মতে, নিখিল কামাতের বিশ্লেষণ ভবিষ্যৎ অর্থনীতির নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, ২১শ শতাব্দীর দ্বিতীয় ভাগে বিদ্যুৎ ও শক্তির ওপর নিয়ন্ত্রণই হবে কোনো দেশের প্রকৃত ক্ষমতার মাপকাঠি। আরটিভি/এসকে
আগামী ১০ বছরে যে জিনিস হতে যাচ্ছে সবচেয়ে মূল্যবান
ব্লাড ক্যানসার ও হেপাটাইটিস ‘সি’ আক্রান্ত ফারাতুলকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন
ফারাতুল মাহমুদ হাসান, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র। ফারাতুল ভীষণ অসুস্থ। অসহনীয় যন্ত্রণা বয়ে বেড়াচ্ছে সারাদিন। হেপাটাইটিস ‘সি’ ভাইরাস, ই-বিটা থ্যালাসেমিয়া মেজর এবং ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত সে। প্রতি মাসে ফারাতুলের জন্য প্রয়োজন হয় পাঁচ ব্যাগ রক্ত, প্রতিদিন চলে তিন হাজার টাকার ওষুধ। ফারাতুলের বাবা মো. সাদেকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ভারত ও বাংলাদেশে গত তিন বছর ধরে তার চিকিৎসা চলছে, কিন্তু আরোগ্য হয়নি। তার ব্যবসার প্রায় সবকিছু বিক্রি করে ফেলেছেন। আর চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারছেন না তিনি। স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে তার সংসার। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, দ্রুত ফারাতুলের চিকিৎসার জন্য বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করতে হবে। চিকিৎসকদের বরাতে সাদেকুল ইসলাম বলেন, এ জন্য প্রয়োজন প্রায় ৫০ লাখ টাকা। হাসপাতালের বিছানায় ক্যানসার আক্রান্ত ফারাতুল। ছবি: ফারাতুলের বাবা   সাদেকুল ইসলাম জানান, ঢাকা মেডিকেল কলেজের হেমাটোলোজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. এম এ খান অতি দ্রুত বোন মেরু ট্রান্সপ্ল্যান্ট করাতে বলেছেন। চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো ক্যানসার হাসপাতালের বোন মেরু ট্রান্সপ্ল্যান্টের জন্য অধ্যাপক ডা. রেভাতী রাজ বাংলাদেশি টাকায় ৫০ লাখ টাকা লাগবে বলে জানিয়েচেন।  তিনি আরও বলেন, আমার ছেলের দীর্ঘ ৭ বছর দেশে ও বিদেশে চিকিৎসা চালিয়ে ২ কোটি ৫০ লাখেরও বেশি টাকা খরচ করে আমি বর্তমানে নিস্ব হয়ে গেছি। এ অবস্থায় আমার পক্ষে ৫০ লাখ টাকা খরচ করা অসম্ভব।  দেশের হৃদয়বান ব্যক্তিদের কাছে সহযোগিতা কামনা তিনি বলেন, এই মুহূর্তে ছেলের চিকিৎসার জন্য ৫০ লাখ টাকা জোগাড় করতে পারলে আমার ছেলের মুখে হাসি ফুটবে।  সবকিছু ঠিক থাকলে চেন্নাই অ্যাপোলো ক্যানসার হাসপাতালেই বোন মেরু ট্রান্সপ্লান্ট সম্পূর্ণ হবে।  সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা:মো. সাদেকুল ইসলাম, ইসলামী ব্যাংক, রামপুরা শাখা, সঞ্চায়ী হিসাব নম্বর ২০৫০২২৬০২০১২৫১১০৮, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, রামপুরা শাখা, সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর ১৭৮১৫১১১০৬০৫, প্রাইম ব্যাংক বনশ্রী শাখা, সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর ১৯২২১০৭০০১০৪৪০। সাহায্য পাঠানো যাবে মুঠোফোন নম্বরেও (বিকাশ/নগদ) ০১৮৬৪২৯১৩২৭, ০১৮৬৪২৯১৩২৮। আরটিভি/টিআই
ব্লাড ক্যানসার ও হেপাটাইটিস ‘সি’ আক্রান্ত ফারাতুলকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন
আরও পড়ুন
কেয়ামতের দিন মানুষ নিজের তিন পাশে যা দেখতে পাবে
বান্দরবানে বুদ্ধমূর্তি স্নান উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা
লামা রাবার প্রসেসিং ফ্যাক্টরি: স্বাস্থ্যঝুঁকির শঙ্কায় শিক্ষার্থীরা
মোনাজাতের পর হাতে চুমু খাওয়া নিয়ে যা বলছে ইসলাম