সুলতান সুলাইমান খান আল-কানুনি’র মাকবারা। যাকে প্রতিষ্ঠান হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। সুলতান সুলাইমান খান আল-কানুনি ১৪৯৪ সালের ০৬ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার মায়ের নাম আয়শা হাফসা সুলতান। সুলতান সুলেমান ধারাবাহিক নিয়ে অনেক কৌতূহল রয়েছে। সুলতান সুলাইমান খান আল-কানুনি কেমন ছিলেন, তার জীবন ইতিহাস এবং জীবনের বৈচিত্র্যময় নানা দিক কৌতুহল পাঠক ও দর্শকদের জন্য তুলে ধরা হলো-
সুলতান সুলেমান, যে নাম বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। তার মূল নাম তুরস্কের মানুষের কাছে পরিচিত এভাবে সুলতান সুলাইমান খান আল-কানুনি।
সুলতান সুলেমান খান কেন এত বিখ্যাত- এ প্রশ্নের জবাবে খ্যাতিমান মুফাসসিরে কোরআন শেখ সাদিকুর রহমান রহমান আল-আজহারী বলেন, অটোমান শাসনামলে যারা শাসক ছিল তাদের ‘সুলতান’ উপাধিতে ভূষিত করা হতো। কারো ক্ষেত্রে সুলতান, কারো ক্ষেত্রে আমীর।
সুলতান সুলেমান ছিলেন সবথেকে শক্তিধর, ক্ষমতাধর শাসক। তিনি দীর্ঘ ৪৬ বছর অটোমান সাম্রাজ্যের শাসনটাকে পারস্য পর্যন্ত ছড়িয়ে দিয়েছিলেন।
সুলতানদের থেকে বিশ্ববাসীর জন্য বার্তা রয়েছে যে, মসজিদ হবে মানবতার প্রাণ কেন্দ্র। মসজিদকে দুইভাবে শব্দচয়ন করা হয়, ক. জামে ও খ. মাসজিদ (মসজিদ)। জামে হচ্ছে সুলতানরা তাদের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে ধারণ করে দূর-দূরান্ত থেকে যেমন এশিয়া, আফ্রিকা থেকে পাথর এনে ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে যে মসজিদগুলো নির্মাণ করেছেন। আর বিভিন্ন মার্কেটে ও জায়গায় নামাজ আদায়ের জন্য ছোট খাটো যেগুলো রয়েছে তা হচ্ছে মাসজিদ।
এসআর/