দীর্ঘ তিন বছর পর জাতীয় দলে জায়গা হয়েছে পেসার আল-আমিনের। ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের পর তার আর খেলা হয়নি আন্তর্জাতিক ম্যাচে। দীর্ঘ বিরতির অবসানও হতে যাচ্ছে সেই ভারতেই।
আগামী ৩ নভেম্বর থেকে ভারতের মাটিতে শুরু হবে বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ সফর। এই সফরে রয়েছে তিনটি টি-টোয়েন্টি আর টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দুটি টেস্ট ম্যাচ। টি-টোয়েন্টির জন্য ঘোষিত ১৫ সদস্যের দলে ডাক পেয়েছেন পেসার আল-আমিন। দলে জায়গা পেয়ে উচ্ছ্বসিত এই পেসার।
উচ্ছ্বসিত হলেও ভাবছেন নিজেকে কিভাবে প্রমাণ করা যায়, আল-আমিন যে এখনও ফুরিয়ে যাননি। দিতে চান সামর্থ্যের সেরাটা।
‘একাদশে সুযোগ পেলে চেষ্টা থাকবে নিজের সেরাটা দেয়ার। চেষ্টা করব, এই সিরিজে ভালো খেলে পরবর্তী সিরিজে নিজের জায়গা ধরে রাখার।’
১৫ সদস্যের দল ঘোষণা হলেও বর্তমানে দলটা ১৩ সদস্যের। সাইফউদ্দিন ছিটকে গেছেন চোটের কারণে। তামিম ইকবালও এই সিরিজ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে। এসব নিয়ে খুব একটা ভাবছেন না আল-আমিন। তার মতে, দলে যারাই থাকুক না কেন সবাই নিজেদের সেরাটা দিবে।
‘দেখেন দলে কে আছে এসব নিয়ে ভাবলে হবে না। এখন যদি সাকিব আল হাসান বা তামিম ইকবালও না থাকে, আমি বা যে কেউ। দলে কে থাকল বা না থাকল সেটা ফ্যাক্ট না, দলে যারা থাকবে তারা নিজেদের সেরাটা দিলেই হয়ে যায়। টি-টোয়েন্টি ম্যাচে পাঁচ থেকে ছয়জন পারফর্ম করলেই ম্যাচটা সহজে বের করে আনা যায়।
নিজের দলে তামিম নেই, নেই সাইফউদ্দিনও। তেমনই প্রতিপক্ষ দলের নিয়মিত অধিনায়ক বিরাট কোহলিসহ নিয়মিত অনেককেই বিশ্রাম দেয়া হয়েছে। তবু ভারতকে সহজভাবে নেয়ার কারণ নেই।
এ নিয়ে আল-আমিন বলেন, দেখেন আমাদের দলে যারা আছে তারা অনেকদিন ধরেই একসঙ্গে খেলছে। সবাই যদি চেষ্টা করে তাহলে তাদের ম্যাচ জিততে কষ্ট হয়ে যাবে।
এমআর/পি