
সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার খাসপুখুরিয়ায় অন্যত্র বিক্রির উদ্দেশে রাখা ৪৭ বস্তা ভিজিডির চাল মহিলা ইউপি সদস্য (মেম্বর) জহুরা বেগমের বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে প্রশাসন। উদ্ধারকৃত ৪৭ বস্তা (১ হাজার ৪১০ কেজি) চাল ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ সরকারের যোগসাজশে মজুদ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।
চৌহালী উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়রা জানান, সরকারিভাবে বিতরণের জন্য চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ সরকারের যোগসাজশে ক্রয় করা ভিজিডির ওই চালগুলো বিক্রির জন্য মজুদ রাখা হয়েছিল দক্ষিণ খাসপুখুরিয়া গ্রামের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্যা জহুরা বেগমের বাড়িতে। পরে তা সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফসানা ইয়াসমিনের নেতৃত্বে সোমবার রাতে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। তখন ইউএনও ও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই নারী ইউপি সদস্যা পালিয়ে যায়। এরপর ৪৭ বস্তা চাল উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়।
এদিকে এলাকাবাসীরা অভিযোগ করে জানান, উদ্ধারকৃত চাল বিতরণের সময় কার্ডধারীদের কাছ থেকে স্বল্পমূল্যে কেনা হয়েছিল চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদের সামনে থেকেই। দীর্ঘদিন ধরেই এভাবে রিলিফের চাল বিক্রি করা হলেও নিষেধ করেনি চেয়ারম্যান। তাই তা ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ অব্যাহত রয়েছে। ভিজিডির চাল উদ্ধারের ঘটনায় চেয়ারম্যান তার দায় এড়াতে পারেন না।
এ ব্যাপারে খাসপুখুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ সরকার আরটিভি নিউজকে জানান, উদ্ধারকৃত চালগুলো বিতরণের সময় আমার এখান থেকেই কেনা হয়েছিল। আমি বাধা দিলেও চাল ক্রয়-বিক্রয় মজুদকারীরা শোনে না। এ কাজে আমি জড়িত নই।
এদিকে এ ঘটনার ব্যাপারে চৌহালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফসানা ইয়াসমিন আরটিভি নিউজকে জানান, আমরা জানা মাত্রই অভিযান চালিয়ে চালগুলো উদ্ধার করেছি এবং অসহায়দের জন্য বরাদ্ধের চাল আত্মসাৎ চেষ্টার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: দুলু ও তার স্ত্রীর সাত কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব জব্দ
জেবি




