ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জের খোয়াই নদী, কালনী, কুশিয়ারা ও করাঙ্গী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে নদীর বাঁধের ওপর দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে। ফলে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে এলাকাবাসী।
গত দুই দিন ধরে অব্যাহত বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে খোয়াই নদীর পানি বিকেলে পর্যন্ত ৮৫ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। নদীর জালালাবাদ অংশে বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে। তবে খোয়াই নদী রক্ষায় প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এদিকে নবীগঞ্জ উপজেলা কালনী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাঁধের ওপর দিয়ে দীঘলবাক এলাকায় কয়েকটি গ্রামে পানি প্রবেশ করছে। ফলে নিম্নাঞ্চলে বন্যা দেখা দিয়েছে।
আজমিরীগঞ্জ উপজেলা কুশিয়ারা নদীর পানি বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বাহুবল উপজেলা করাঙ্গী নদীর পানিও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত। বিকেল পর্যন্ত বিপদৎসীমার ১৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশল শামীম হাসনাঈন মাহমুদ জানন, খোয়াই নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। ভারতের বাল্লা এলাকায় পানি কমছে। তিনি বলেন, শহর রক্ষার্থে আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। কোনো স্থানে ভাঙনের চেষ্টা হলে দ্রুত জিও ব্যাগ ফেলা হবে। আশা করা হচ্ছে শহরের কোনো ক্ষতি হবে না।
এ ছাড়া কালনী, কুশিয়ারা ও করাঙ্গী নদীর পানিও বাড়ছে।
এদিকে নদীপাড়ের বাসিন্দারা আতঙ্কে রয়েছে। যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে তলিয়ে যেতে পারে আশপাশের এলাকা।