ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ইলিশের সন্ধানে সাগরযাত্রায় ব্যস্ত উপকূলের জেলেরা

কুয়াকাটা প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ নভেম্বর ২০২৪, ০৯:৫৭ এএম
আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০২৪, ১২:৫৩ পিএম
ছবি : আরটিভি

কেউ ট্রলার মেরামত করছেন, কেউ ট্রলারে রং করছেন, কেউ ট্রলার ধোয়ামোছা করছেন, কেউবা আবার জাল বুনছেন, কেউ কেউ ট্রলারে জালসহ আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম তুলছেন। এভাবেই সাগরযাত্রায় প্রস্তুতি নিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলেরা। এখন ইলিশের সন্ধানে সাগর যাওয়ার অপেক্ষায় আছেন উপকূলের মৎস্যজীবীরা।

জানা গেছে, আগামী তিন নভেম্বর মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে সাগর ও নদীতে মাছ ধরার ওপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা। তাই শেষ সময়ে প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলেরা। যেন দম ফেলার ফুসরত নেই তাদের। জেলেসহ মৎস্য সংশ্লিষ্টদের আশা এবার তাদের জালে ধরা পড়বে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। তবে নিষেধাজ্ঞার ২২ দিনে সরকারি প্রণোদনার চাল প্রকৃত জেলেরা পায়নি বলে দাবি তাদের। এ ছাড়া মৌসুমজুড়ে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ ধরা না পড়ায় ২২ দিনে কর্মহীন অনেক জেলে হয়ে পড়েছেন ধারদেনায় জর্জরিত।

ইলিশের বাধাহীন প্রজননের জন্য ১৩ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত সাগর ও নদীতে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সরকার। এ সময় সামুদ্রিক মাছ আহরণ, পরিবহন, বিপণন ও বিক্রয় নিষিদ্ধ ছিল। ২২ দিনের অবরোধ সফল করতে তৎপর ছিলো মৎস্য বিভাগসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা। সাগর ও নদীতে অভিযান চালিয়ে অনেক জেলেকে জরিমানা ও কারাদণ্ড দিয়েছে মৎস্য বিভাগ। তাই সাগরে গিয়ে জাল ফেললেই জেলেদের জালে ধরা পড়বে ঝাঁকে ঝাঁকে রূপালি ইলিশ বলে দাবি মৎস্য সংশ্লিষ্টদের।

কলাপাড়া উপজেলার গঙ্গামতি এলাকার জেলে মমিন উদ্দিন বলেন, অবরোধ মেনে আমরা এই ২২ দিন কর্মহীন সময় পার করেছি। এই নিষেধাজ্ঞার সময় আমাদের মাত্র ২৫ কেজি চাল দেওয়া হয়েছে। পরিবারের ৫ জন্য সদস্য এই চাল দিয়ে কিছুই হয়নি। তাই এই ২২ দিনে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকার মতো দেনায় পড়েছি। সরকারের কাছে প্রণোদনার চাল বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছি।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলের হাজার হাজার জেলে তাদের সব ধরনের প্রস্তুতি এরই মধ্যে সম্পন্ন করেছেন। আলীপুর, মহিপুর ও কুয়াকাটা অঞ্চলের জেলেরা তাদের ট্রলার ও জাল মেরামতের পাশাপাশি ইঞ্জিনের কাজে শেষ সময়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

আলীপুরের জেলে একলাস গাজী বলেন, সরকারি প্রণোদনার তালিকায় প্রকৃত অনেক জেলের নাম নেই। যারা অন্য পেশায় জড়িত দেখেছি তারা সরকারি চাল পেয়েছে। তাই প্রণোদনার তালিকায় প্রকৃত জেলেদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানাচ্ছি।

অপর এক জেলে আলী হোসেন বলেন, আগামীকাল রাতে আমরা গভীর সাগরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবো। তাই ট্রলারে জাল ও বরফসহ আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম তুলছি। গতকাল আমাদের ট্রলারের রং করার কাজ শেষ হয়েছে।

উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্র জানা গেছে, কলাপাড়ার নিবন্ধিত ১৮ হাজার ৩০৭ জন জেলে রয়েছেন। অবরোধ চলাকালে প্রত্যেককে ২৫ কেজি করে সরকারি প্রনোদনার চাল দেওয়া হয়েছে। অবরোধ শতভাগ সফল করতে সাগর ও নদীতে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড ও নৌ-বাহিনী ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেছেন।

উপজেলা ফিশিং ট্রলার মাঝি সমবায় সমিতির সভাপতি মো. মন্নান মাঝি বলেন, দেশের জেলেরা অবরোধ পালন করেছেন। প্রশাসন ভারতীয় জেলেদের আটক করেছেন। আশা করছি অবরোধ শেষে জালে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ মাছ ধরা পড়বে। সাগরে কাঙ্ক্ষিত মাছ পেলে পেছনের ধার দেনা কাটিয়ে উঠতে পারবো। আমরা সাগরে যাওয়ার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি।

প্রতি বছর আশ্বিন মাসের পূর্ণিমার শেষের দিকে গভীর সমুদ্র থেকে নদীর মোহনায় এসে ডিম ছাড়ে মা ইলিশ। তাই ২০০৬ সাল থেকে মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিন অবরোধ দিয়ে আসছে সরকার। এ সময় সব ধরনের মাছ শিকার, পরিবহন, মজুত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। এবার প্রশাসনের তৎপরতা বেশি থাকায় উপকূলজুড়ে মাছ ধরা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এদিকে অবরোধের সময় বাংলাদেশের জলসীমানায় ঢুকে মাছ শিকারের দায়ে ভারতীয় জেলেদের আইনের আওতায় এনেছেন। এর জন্য প্রশাসনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জেলে ও মৎস্যজীবীরা।

মহিপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি মো. ফজলু গাজী বলেন, যেহেতু অবরোধের আগে মাছ ধরা পড়েনি, তাই আমরা আশা করছি অবরোধ শেষে বড় সাইজের পর্যাপ্ত ইলিশের দেখা মিলবে।

কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, উপকূলের জেলেরা নিজেরাই অনেকটা সচেতন হয়েছেন। আমরা এ পর্যন্ত যৌথ অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ভারতীয় জেলেদের জরিমানা আদায় এবং জালসহ তাদের ট্রলার জব্দ করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা দিন-রাত মা ইলিশ রক্ষায় কাজ করেছি। আশা করছি, আমরা এ বছর শতভাগ সফল হয়েছি। কারণ, হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, গত পূর্ণিমা ও অমাবস্যার জোতে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হলে সব ডিমওয়ালা মা মাছ দ্রুত ডিম ছেড়ে দেয়।

আরটিভি/এএএ/এসএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নরসিংদীতে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার
নরসিংদীর রায়পুরায় এক নবজাতক কন্যা শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের মরা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।  পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে শ্রীনগর ইউনিয়নের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনে থাকা একটি মরা নদীর পাড়ে খেলতে যায় কয়েকজন শিশু। সেখানে ব্যাগে থাকা ওই নবজাতককে দেখতে পায় একজন। পরে খবর পেয়ে বিকেলে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পুলিশের ধারণা গত রাতের কোনো একসময় অজ্ঞাত ব্যক্তি ওই নবজাতককে কাদাপানিতে ফেলে রেখে গেছে।  এ বিষয়ে রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহজাহান বলেন, স্থানীয় লোকজন ও চেয়ারম্যানের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল গিয়ে দেখতে পাই শরীরে কাদাপানি লাগানো একদিন বয়সী একটি মেয়ে বাচ্চার মরদেহ। পরে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য শিশুটির মরদেহ থানায় নিয়ে আসা হয়। আরটিভি/এফএ/এআর
নরসিংদীতে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার
পুকুরে ডুবে ২ বোনের মৃত্যু
কুমিল্লার চান্দিনায় পুকুরে ডুবে সামিয়া আক্তার (৩) ও হামিদা আক্তার (২) নামে দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে।  মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) উপজেলার মাইজখার পূর্বপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। মৃতরা মাইজখার গ্রামের সুজন মিয়ার মেয়ে। দুই শিশুর চাচা খোকন মিয়া জানান, মঙ্গলবার সকালের পরিবারের সদস্যদের অগোচরে খেলতে গিয়ে সামিয়া ও হামিদা বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায়। দীর্ঘসময় ধরে স্বজনরা তাদের না দেখে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় দেখে তাদের উদ্ধার করেন। পরে দ্রুত তাদের চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই জনকে মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। বিস্তারিত পরে জানাতে পারব। আরটিভি/এফএ/এআর
পুকুরে ডুবে ২ বোনের মৃত্যু
টেকনাফে অপহৃত ১৮ বনকর্মী উদ্ধার
কক্সবাজারের টেকনাফে অপহৃত ১৮ বনকর্মীকে অবশেষে উদ্ধার করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে টেকনাফের গহীন পাহাড় থেকে তাদের উদ্ধার করে র‍্যাব। উদ্ধার হাওয়া বনকর্মীরা হলেন- ফরেস্টার সাইফুল ইসলাম (২২), সৈয়দ (৫০), রফিক, আইয়ুব খান (১৮), আইয়ুব আলী (৫০), আনসার উল্ল্যাহ (১৮), আয়াত উল্লাহ (২২), সামছু (৪৫), ইসলাম (২১), সামছু (৪০), ইসমাইল (৩৫), মোহাম্মদ হাসিম (৪০), নূর মোহাম্মদ (২১), সৈয়দ আমিন (৩০), সফি উল্লাহ (৩০), আইয়ুব (৫০), মাহাতা আমিন (১৮)। আরও দুজনের নাম পাওয়া যায়নি। এদের মধ্যে অনেকে রোহিঙ্গা আছেন বলে জানা গেছে।  র‌্যাব-১৫–এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. কামরুজ্জামান ও টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, সোমবার সকাল ১০টার দিকে জাদিমোরা পাহাড়ে বনে বন বিভাগের হয়ে গাছের চারা রোপণের কাজ করার সময় অস্ত্রের মুখে শ্রমিকদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। অপহরণের শিকার শ্রমিকদের পরিবারের কাছে জনপ্রতি এক লাখ টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। পরে তাদের উদ্ধারে মঙ্গলবার সকাল থেকে হ্নীলার জাদিমোরা পাহাড়ে অভিযান পরিচালনা করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। পরে মঙ্গলবার বিকেলে টেকনাফ গহীন পাহাড় থেকে ১৮ জনকে উদ্ধার করা হয়। অভিযান এখনো চলমান। এর আগে সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) টেকনাফের জাদিমুড়া এলাকায় পাহাড়ি এলাকা থেকে ১৯ বনকর্মীকে অপহরণ করে অস্ত্রধারীরা। অপহরণের পর থেকে মুক্তিপণ হিসেবে তাদের পরিবারের কাছে ফোন করে জনপ্রতি এক লাখ টাকা করে মোট ১৯ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। আরটিভি/এফএ/এআর
টেকনাফে অপহৃত ১৮ বনকর্মী উদ্ধার
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বেতনকাঠামো তৈরি করেছি: ধর্ম উপদেষ্টা
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বেতনকাঠামো তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বেতনকাঠামো তৈরি করেছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদে প্রেরণ এবং প্রধান উপদেষ্টার অনুমতিক্রমে গেজেট প্রকাশ করা হবে। বেতন কাঠামো হবে ২০১৫ সালের পে-স্কেল অনুযায়ী। এতে মসজিদসংলগ্ন এলাকায় ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বাসা এবং উৎসব ভাতার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ব্যবসা করার জন্য বিনা সুদে ঋণ দেওয়া হচ্ছে। রোগে আক্রান্ত ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বড় অঙ্কের টাকা দেওয়া হবে, যা ফেরত দিতে হবে না। তিনি আরও বলেন, গ্রুপিং হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানদের মধ্যেও আছে। কখনো শুনেছেন তারা মারামারি করেছে। আমরা মুসলমানরা একদল আরেক দলকে পিটিয়ে মেরে ফেলি। আপনারা (ইমাম-মুয়াজ্জিনরা) যখন মিথ্যা বিবৃতি দেন তখন আমাদের মন ভেঙে যায়। এতে আমাদের ভাবমূর্তি বিদেশে বিনষ্ট হচ্ছে। ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, সরকার দেশ সংস্কারের কাজ করছে। সংস্কার শেষ হলে নির্বাচনের মাধ্যমে যারা নির্বাচিত হবে তাদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করব এবং আমরা বিদায় নেব। এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ঐক্য। প্রতিটি মানুষের অধিকার সমান। অধিকার সুরক্ষার জন্য বাংলাদেশ সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। আরটিভি/এফএ
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বেতনকাঠামো তৈরি করেছি: ধর্ম উপদেষ্টা
ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে ওভারটেক করতে গিয়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মোটরসাইকেল আরোহী এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন মোটরসাইকেলচালকও। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।  নিহত যুবকের নাম শাহিনুল ইসলাম শোয়াইব (২৪)। তিনি উত্তর আধুনগর বেপারি পাড়ার নাজিম উদ্দীনের পুত্র। শোয়াইব চট্টগ্রাম মহসিন কলেজের শিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সম্পৃক্ত ছিল বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন শোয়াইবের বন্ধু মোটরসাইকেলচালক সাতকানিয়া উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ গারাংগিয়া আলোরঘাট এলাকার মোহাম্মদ ইদ্রিসের পুত্র মোহাম্মদ তারেক (২৪)। তিনি উপজেলার বেসরকারি হাসপাতাল সাউন্ড হেলথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।  স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম অভিমুখী মোটরসাইকেলটি দ্রুতগতিতে একটি সিএনজি অটোরিকশাকে ওভারটেক করতে গেলে মোটরসাইকেলচালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছিটকে রাস্তার বাইরে পড়ে যান। মোটরসাইকেলের পিছনে থাকা আরোহী শোয়াইব কক্সবাজার অভিমুখী ট্রাকের পিছনের চাকায় পিষ্ট হয়ে থেঁতলে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। দোহাজারী হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন, সিএনজি অটোরিকশাকে ওভারটেক করতে গিয়ে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাইওয়ে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ট্রাকটি দোহাজারী হাইওয়ে থানার হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে। আরটিভি/এফএ
ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
আরও পড়ুন
উপকূলে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন 
ইউটিউব দেখে অস্ত্র চালানো শিখে অন্তঃসত্ত্বা প্রেমিকাকে হত্যা
কুয়াকাটায় বেড়িবাঁধের অবৈধ স্থাপনায় পর্যটনের সৌন্দর্য নষ্ট
মধ্যপ্রাচ্যে ইলিশ রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: ফরিদা আখতার