ঢাকা রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

সপ্তম বারের মতো বিয়ে করলেন স্কুল শিক্ষিকা

জয়পুরহাট প্রতিনিধি, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ০৭:২৯ পিএম
বিয়ের আসরে স্কুল শিক্ষিকা টপি

সপ্তম বারের মতো বিয়ে করলেন নিশ্চিন্তা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রাবেয়া আক্তার টপি। এর আগেও তিনি বিয়ে করেছেন ছয়বার এবং প্রত্যেকবারেই মোটা অঙ্কের মোহরানা নিয়ে তালাকপ্রাপ্ত হয়েছেন তিনি।

রাবেয়া আক্তার নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার উত্তর রামপুর গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের মেয়ে ও জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার নিশ্চিন্তা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা।

গেল রোববার একই উপজেলার গোলাহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিককে তার সপ্তম স্বামী হিসেবে বিয়ে করেন। বিয়ে পড়িয়েছেন নওগাঁর কাজী কামাল হোসেন।

পাঁচ বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে টপি সবার ছোট। বড় ভাই খোরশেদ আলম হান্নান নওগাঁর বদলগাছি উপজেলার উত্তর রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং মেজভাই লিটন ধামুইরহাট উপজেলায় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

পরিবার এবং প্রতিবেশী সূত্রে জানা যায়, স্কুল শিক্ষিকা রাবেয়া আক্তার টপি দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে কিশোরী বয়সে তার মেজ ভাই লিটনের শ্যালক রুবেলকে ভালোবেসে প্রথম বিয়ে করেন। বিয়ের পরে সাফল্যের সঙ্গে এসএসসি পাসও করেন টপি। কলেজে ভর্তির কিছু দিন পরে বেপরোয়া আচরণের জন্য রুবেল তার স্ত্রী রাবেয়া আক্তার টপিকে তালাক দেন।

এরপর কলেজে পড়াশোনা অবস্থায় তিনি দ্বিতীয় বারের মতো বিয়ে করেন। বিয়ে করেন নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ইমন নামের জনৈক বিজিবি সদস্যকে। বিয়ের কিছুদিন পরে বিজিবি সদস্য ইমন স্ত্রীর চারিত্রিক সমস্যার কারণে তাকে তালাক দিলে টপি বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সহায়তায় পুনরায় তাকে বিয়ে করেন এবং তৃতীয় বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। এর কিছুদিন পরে ওই বিজিবি সদস্য তাকে আবারও তালাক দিলে রাবেয়া আক্তার (আদালতের মাধ্যমে) ইমনের কাছ থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা দেনমোহর আদায় করেন।

ইতোমধ্যে রাবেয়া আক্তার গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। এরপর ২০১৭ সালের ২৫ জুন তিন লাখ টাকা দেনমোহরে তিনি চতুর্থ বারের মতো বিয়ে করেন জয়পুরহাট সদর উপজেলার পূর্বপারুলিয়া গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে স্বাস্থ্য সহকারী সোহেল রানাকে। সোহেল রানারও এটি দ্বিতীয় বিয়ে। ভালোই চলছিল সোহেল রানা এবং টপির সংসার। দুজনে এক ছাদের নিচে বসবাস করলেও হঠাৎ করে একদিন টপি জানতে পারেন যে সোহেল রানা বিয়ের তিন মাস পরেই তাকে গোপনে তালাক দিয়েছেন।

ঘটনা জানাজানি হওয়ায় ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে পুনরায় তাদের বিয়ে হয়। যেটি টপির পঞ্চম বিয়ে এবং সোহেলের তৃতীয়। কিন্তু বিধিবাম এবারেও স্বামী কর্তৃক তালাকপ্রাপ্ত হন তিনি। জয়পুরহাট আদালতে মামলা করেও এ বিয়ে এবং সংসার রক্ষা করতে পারেনি রাবেয়া আক্তার টপি।

অবশেষে জয়পুরহাট সদর থানায় বসে থানা পুলিশের সহায়তায় চার লাখ টাকার বিনিময়ে তালাকনামা গ্রহণ করে সোহেল রানার বিরুদ্ধে আনিতো অভিযোগ প্রত্যাহার করেন টপি।

এরপর তিনি ষষ্ঠ বিয়ে করেন ঢাকায় কর্মরত সাগর নামের একজনকে। নওগাঁর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর একটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিনের জন্য ঢাকায় গিয়ে পরিচয় হয় রেলপথ মন্ত্রণালয়ে কর্মরত একে এম সাগরের সঙ্গে। সাগরের ঢাকার ভাড়া বাসায় কয়েকদিন থেকে হাইকোর্ট থেকে জামিনের কাজ শেষ করে নিজের বাসায় ফিরে আসেন টপি।

সাগরের সঙ্গে ঢাকায় অবস্থানকালে গভীর সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন টপি। টপি পূর্বে কখনো বিয়ে করেনি এমন কথা বিশ্বাস করে সাগর ঢাকার বাসাতেই তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পরে টপি এবং সাগর প্রত্যেক সপ্তাহে ঢাকা-জয়পুরহাট এবং জয়পুরহাট-ঢাকা দুজন দুজনের বাসায় যাতায়াত করতেন।

বিয়ের কিছুদিন পরে রাবেয়া আক্তার টপির বহু-বিবাহের ঘটনা জানতে পেরে সাগর তাকে তালাক দেয়। বিয়ের কাবিননামায় সাগর তার ভুয়া নাম-ঠিকানা ব্যবহার করায় রাবেয়া আক্তার তার বিরুদ্ধে কোনও প্রকার পদক্ষেপ নিতে পারেননি।

নিশ্চিন্তা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রাবেয়া আক্তার টপি বলেন, আমি একাধিক বিয়ে করেছি, আপনাদের সমস্যা কি।আর এ বিষয়ে ফোন করবেন না বলে মোবাইল কেটে দেন।

জয়পুরহাট জেলা শিক্ষা অফিসার তৌফিকুজ্জামান বলেন, বহু বিবাহ করা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। তবে কেউ শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেবি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ইসমাঈল ও সম্পাদক জাহির
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের ১৬ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে মো. ইসমাঈল হোসেন (স্বদেশ বার্তা) সভাপতি ও সায়েদুজ্জামান জাহির (আরটিভি) সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে সকলের সর্বসম্মতিক্রমে প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট আবু জাহির নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। নতুন কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আব্দুল মঈন টিপু (দৈনিক করতোয়া), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্রীকান্ত গোপ (নিউজ ২৪ টিভি), কোষাধ্যক্ষ শরীফ চৌধুরী (ইসলামি টিভি), দপ্তর ও প্রকাশনা সম্পাদক এসএম সুরুজ আলী (এশিয়ান টিভি), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ নূর উদ্দিন (জিটিভি)। আর কার্যনির্বাহী  সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন, মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল (ইত্তেফাক), মোহাম্মদ নাহিজ (বাংলাভিশন), মো. ফজলুর রহমান (দৈনিক জনতার এক্সপ্রেস), শোয়েব চৌধুরী (দেশ রূপান্তর), গোলাম মোস্তফা রফিক  (দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচার), রাশেদ আহমদ খান (মানবজমিন), আলমগীর খান (বিটিভি), হারুনুর রশিদ চৌধুরী (এনটিভি), সৈয়দ এখলাছুর রহমান খান (যুগান্তর)। এর আগে প্রেসক্লাবের বিদায়ী কমিটির সভাপতি হারনুর রশিদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকনের পরিচালনায় বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সিনিয়র সদস্য মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল, গোলাম মোস্তফা রফিক, ফজলুর রহমান, মোহাম্মদ নাহিজ, মোহাম্মদ শাবান মিয়া প্রমুখ। এজে
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ইসমাঈল ও সম্পাদক জাহির
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ, সম্পাদক নির্মলেন্দু
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এতে ইমতিয়াজ হাসান রুবেল সভাপতি  এবং নির্মলেন্দু চক্রবর্তী শঙ্কর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়। বিকেল তিনটা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। নির্বাচনে ৯১ জন সদস্যের মধ্যে ৮৪জন সদস্য ভোট দেন। দুই বছর মেয়াদী নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন শেখ ফয়েজ আহমেদ, আমিনুর রহমান ও জুবায়ের জাকির। সহ-সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন শেখ মনির হোসেন, অর্থ সম্পাদক হয়েছেন জাকির হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হয়েছেন সঞ্জিব দাস, দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন বি কে সিকদার, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক হয়েছেন মাহবুব হোসেন। নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন এস এম মনিরুজ্জামান, রুহুল আমিন, মনিরুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, বিজয় পোদ্দার ও এম এ আজিজ। এজে
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ, সম্পাদক নির্মলেন্দু
দেশের উন্নয়নের সঙ্গে ইনস্যুরেন্স সেক্টরও এগিয়ে যাচ্ছে: মোরশেদ আলম (ভিডিও)
ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান আলহাজ মোরশেদ আলম এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সব দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে, সেই সঙ্গে ইনসুরেন্স সেক্টরও তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামের ফয়স লেকে ন্যাশনাল লাইফ ইনসুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বৃহত্তর চট্টগ্রামের কর্মী সম্মেলন ও আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।   এ সময় আলহাজ মোরশেদ আলম বলেন, ইনসুরেন্স ব্যবসার ভবিষ্যৎ আছে। সরকার বীমা খাত নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ন্যাশনাল লাইফ সরকারকে বিরাট অংকের ট্যাক্স দিয়ে থাকে। ন্যাশনাল লাইফে ২০ হাজারের মতো লোক কাজ করে। অনুষ্ঠানে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জামাল এম. এ. নাসের বলেন,  ন্যাশনাল লাইফ ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। সাড়ে সাতশ কোটি টাকার বীমা দাবীর টাকা পরিশোধ করেছে। এ সময় ন্যাশনাল লাইফের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।   অনুষ্ঠানে আলহাজ মোরশেদ আলমের সহধর্মিণী বিলকিস নাহার উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও কোম্পানির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক খসরু চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পরিচালক নাদের খান, ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমদসহ কোম্পানির উধ্বর্তন কর্মকর্তারা। এজে/ এমকে
দেশের উন্নয়নের সঙ্গে ইনস্যুরেন্স সেক্টরও এগিয়ে যাচ্ছে: মোরশেদ আলম (ভিডিও)
নিটিং ব্যবসায়ীদের প্রতি মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে
সময়মতো বায়াররা ক্রয়কৃত নিটিং পণ্যের মূল্য পরিশোধ না করায় নারায়ণগঞ্জে নিটিং ব্যবসায় মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান গুনছেন ব্যবসায়ীরা। এতে এই ব্যবসা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে ফতুল্লার বিসিক শিল্পনগরীতে অবস্থিত বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভবনে বার্ষিক প্রতিবেদন সভায় ব্যবসায়ীদের বক্তব্যে এ তথ্য উঠে এসেছে। এ সময় বক্তারা বলেন, ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য না থাকায় কোনও কোনও ব্যবসায়ী কম মজুরিতে ওয়ার্ক অর্ডার নিচ্ছেন। যে মজুরিতে তারা অর্ডার নিচ্ছেন ওই মজুরিতে তাদের লাভ তো দূরের কথা প্রায় ৩ থেকে ৪ টাকা লোকসান গুনতে হয়। ফলে গত ছয় মাসে নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় অর্ধশত নিটিং কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সেলিম সারোয়ার বলেন, নিটিং ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য নেই। ফলে কেউ কেউ গোপনে কম মজুরিতে কাজের অর্ডার নিচ্ছেন। ফলে মাসে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা নিটিং ব্যবসায়ীদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নিটিং ব্যবসায়ীদের মন্দা কাটিয়ে উঠতে নিটিং মূল্য নির্ধারণে ৭৮ সদস্য উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল বাশার ও রকিবুল হাসান রাকিব, পরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক, নিজাম মুন্সি, নির্মল চন্দ্র রায়সহ আরও অনেকে। এজে
নিটিং ব্যবসায়ীদের প্রতি মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে
কথা বলুন আপনার ওসির সঙ্গে
‘কথা বলুন আপনার ওসির সঙ্গে। আপনার যে কোনও সমস্যা নির্ভয়ে বলুন।’ জনসম্মুখে এমনই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম উদ্দীন। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) দত্তপাড়া ইউনিয়নের আজিজিয়া মাদ্রাসার সামনে ও চন্দ্রগঞ্জ বাজারে ‘কথা বলুন আপনার ওসির সাথে’ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় বাজারে আগত জনসাধারণের মধ্যে অনেকে সরাসরি ওসির কাছে তাদের সমস্যা তুলে ধরেন। ওসি জসীম উদ্দীন তাদের সমস্যা লিখে নেন এবং সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, তাদের থানা এলাকায় চুরি, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, যৌন হয়রানি, মাদক এ বিষয়ে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। এ সময় তিনি পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মফিজ উদ্দিন ও চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আলী হোসেন। এজে
কথা বলুন আপনার ওসির সঙ্গে
আরও পড়ুন
ভিন্ন ধরনের পোশাক পরে ক্লাসে হাজির স্প্যানিশ শিক্ষিকা
দুই কিলোমিটার পথ হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করতে গেলেন ছাত্রলীগ নেতা
রাস্তার জন্য যে গ্রামে মেয়ে বিয়ে দিতে চায় না কেউ
মিথিলাকে তিন কোটি টাকার গাড়ি উপহার দিলেন সৃজিত?